Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ , ১৪ ফাল্গুন ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.7/5 (18 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)


আপডেট : ০৪-১৭-২০১৪

সংবাদ সম্মেলনে আ’লীগ নেতৃবৃন্দ অপ-প্রচার চালাচ্ছে

সংবাদ সম্মেলনে আ’লীগ নেতৃবৃন্দ অপ-প্রচার চালাচ্ছে

সিলেট, ১৭ এপ্রিল- জাতীয় ও স্থানীয় দু’টি দৈনিক পত্রিকায় সম্প্রতি ‘সিলেট ৩ আসনের এমপি মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীর সাথে জামায়াত প্রীতি শীর্ষক সংবাদের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। গতকাল মঙ্গলবার নগরীর একটি হোটেলে দক্ষিণ সুরমা আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ‘মিথ্যা ও বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর’ সংবাদের নিন্দা জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন দক্ষিণ সুরমা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোঃ সাইফুল আলম। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী ১৯৬৮ সালে ছাত্রলীগের ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িত হন। পরে ১৯৭২ সালে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণে ব্রিটেনে চলে যান এবং ১৯৮৬ সালে দেশে ফিরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত হন। ১৯৮৯ সালে শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব পদে মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীকে নির্বাচিত করেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। আজ পর্যন্ত তিনি স্বপদে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮ ও সর্বশেষ ২০১৪ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট ৩ আসনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী মনোনীত হন। এর মধ্যে ২০০৮ সালের নির্বাচনে জেলার একমাত্র উন্মুক্ত আসন হিসেবে আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে দ্বিগুণ ভোট পেয়ে তিনি নির্বাচিত হন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী এমপি নির্বাচিত হয়ে ৯ম জাতীয় সংসদের ১ম অধিবেশনে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রস্তাব উত্তাপন করেছিলেন। সংসদে প্রস্তাব পাশের পর বর্তমানে যুদ্ধাপরাধী জামায়াত নেতাদের বিচারের কাজ শুরু হয় ও দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। এছাড়াও তিনি প্রায় ২৫ বছর ধরে দক্ষিণ সুরমা ও ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। যার ফলে বিগত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দক্ষিণ সুরমা উপজেলায় আওয়ামী সমর্থিত প্রার্থী মোহাম্মদ আবু জাহেদ জয়লাভ করেন। উপজেলা নির্বাচনে পরাজিতরা রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করতে না পেরে ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নিয়েছেন। পরাজিতরা আওয়াশীলীগের মধ্যে আভ্যন্তরীন দ্বন্দ্ব সৃষ্টির জন্য মিথ্যা, বানোয়াট ও বাস্তবতা বিবর্জিত সংবাদ জাতীয় ও স্থানীয় দু’টি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দীর্ঘদিনের হারানো আসন মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীর মাধ্যমে বিরোধী দলগুলোর হাত থেকে উদ্ধার হয়। তিনি এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার সবচেয়ে বেশী উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন করেছে। এখনও তা চলছে, যার ফলে এলাকায় মাহমুদ উস সামাদের জনপ্রিয়তা শীর্ষে।

তার সাংগঠনিক দক্ষতার জন্য পর পর তিনবার সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি পদে নির্বাচিত করেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। একজন দলের প্রতি আস্থাশীল, দায়িত্ববান, জনপ্রিয় সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রনোদিতভাবে প্রকাশিত সংবাদে নেতা কর্মীসহ সংশ্লিষ্টদের বিভ্রান্ত না হতে সংবাদ সম্মেলনে আহবান জনানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুজ জহির চৌধুরী সুফিয়ান, আওয়ামীলীগের জাতীয় কমিটির সদস্য ও সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি আ ন ম শফিকুল হক, সহ-সভাপতি মাসুক উদ্দিন আহমদ, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হাজী ফারুক আহমদ, সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ও সাবেক এমপি আশরাফ আলী, সিলেট জেলা আ’লীগের সদস্য ও দক্ষিণ সুরমা উপজেলা পরিষদের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান মোঃ আবু জাহিদ, সদস্য এ.আর.সেলিম ও আলহাজ্ব মঈনুল ইসলাম, দক্ষিণ সুরমা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী রইছ আলী, সালাম মর্তুজা, জেলা কৃষকলীগের সভাপতি শাহ নিজাম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসেন ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা আ’লীগের সভাপতি শওকত আলী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছিত টুটুল, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আকরাম আলী প্রমুখ।

সিলেট

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে