Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই, ২০১৯ , ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.5/5 (54 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১০-০৩-২০১১

টেন্ডুলকারকে গ্রেটই মানেন আফ্রিদি!

টেন্ডুলকারকে গ্রেটই মানেন আফ্রিদি!
যা হওয়ার তা-ই হলো। শহীদ আফ্রিদির মন্তব্য আবারও উসকে দিল বিতর্কের আগুন। সমালোচনার মুখে পাকিস্তানের এই অলরাউন্ডারও বাধ্য হলেন নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে। পরিষ্কার করে বললেন, শোয়েব আখতারের পেসের সামনে শচীন টেন্ডুলকারকে কাঁপতে দেখেছিলেন?এটা যেমন সত্যি, একইভাবে এও সত্যি, টেন্ডুলকারের গ্রেটনেস নিয়ে কোনো সংশয় নেই তাঁর।
ভারতের বার্তা সংস্থা পিটিআইকে আফ্রিদি বলেছেন, ?আগে যা বলেছি সেটা অস্বীকার করছি না। ১৯৯৯ সালে কলকাতা টেস্টে শোয়েবের বিপক্ষে টেন্ডুলকার একটুও স্বস্তিতে ছিল না। এটা ছিল শোয়েবের প্রথম ভারত সফর। অথচ শচীনকে রান করার সুযোগ না দিয়েই সে বোল্ড করে দিয়েছিল। ওই টেস্টের দুই ইনিংসেই রাহুল দ্রাবিড়কেও আউট করেছিল শোয়েব।?
আফ্রিদি আরও বলেছেন, ?ওই সফরে শোয়েব ছিল দুর্দান্ত ফর্মে, ওর গতিও ছিল দুর্দান্ত। ওই সময় বিশ্বের সব ব্যাটসম্যানের মনে ত্রাস ছড়িয়ে দিয়েছিল ও। স্কয়ার লেগে ফিল্ডিং করার সময় আমি নিজে শচীনকে কাঁপতে দেখেছি। আমি এখনো সেই কথাই বলছি। কিন্তু সেটা ছিল স্রেফ একটা ঘটনা। এর পর আর কখনোই সে শোয়েবকে সুযোগ দেয়নি। ২০০৩ বিশ্বকাপে আমরা সেটাই দেখেছি।?
শোয়েবের পেসের সামনে টেন্ডুলকার একবার কেঁপেছিলেন?এর মানে কিন্তু এই নয়, কিংবদন্তি ব্যাটসম্যানের সব অর্জন ফিকে হয়ে গেল। সেটাও মনে করিয়ে দিয়েছেন আফ্রিদি, ?শচীন বিশ্বের সেরা ব্যাটসম্যানদের একজন। পুরো বিশ্বও সেটা জানে। আমার কিংবা আর কারও প্রত্যয়নের দরকার ওর নেই। রেকর্ডই ওর হয়ে কথা বলে। শচীনের গ্রেটনেস নিয়ে আমি কোনো প্রশ্ন তুলছি না। সবাই জানে এর পর শোয়েবের বলে ও কতগুলো ছক্কা হাঁকিয়েছে। কিন্তু কখনো কখনো এমনটা হতেই পারে। আমি নিজেও আমার সেরা ফর্মে থাকার সময় পেশোয়ারে জিম্বাবুয়ের মতো দুর্বল প্রতিপক্ষের সঙ্গে শূন্য রানে আউট হয়েছি। যেকোনো ব্যাটসম্যানের ক্ষেত্রেই ভালো উইকেটে ভালো বোলারের বিপক্ষে এমন হতে পারে। সেদিন ছিল শোয়েবের দিন, আর শচীনও ছিল নার্ভাস। ডন ব্র্যাডম্যানের বেলাতেও এমনটা হয়েছে। মিডিয়ার তাই এ নিয়ে বেশি শোরগোল তোলার উচিত নয়।?
মাঠে এবং মাঠের বাইরে সব সময়ই টেন্ডুলকারের বড় ভক্ত ছিলেন বলেও জানালেন আফ্রিদি, ?আমি শচীনের অনেক বড় একজন ভক্ত। শুধু গ্রেট এক ক্রিকেটারই নয়, মানুষ হিসেবেও ও অনেক বিনয়ী। আমার বাড়ির বসার ঘরে একজনেরই ছবি আছে, সেটা শচীনেরই। শচীনের অটোগ্রাফও তাতে আছে। আর বেশি কিছু কি বলার দরকার আছে??
নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করার জন্য টেন্ডুলকারের সঙ্গে আলাপ করার প্রয়োজন দেখছেন না আফ্রিদি। কারণ, তাঁর মতে ভারতীয় মিডিয়াই ছোট ব্যাপারটি ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে বড় করছে। দুই বিবদমান দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে দুই দেশের মিডিয়াকেই ইতিবাচক ভূমিকা পালনের অনুরোধও করেছেন তিনি।
আফ্রিদির এই ব্যাখ্যা বিতর্কের আগুনটাকে নেভাতে পারবে কি না, সময়ই বলে দেবে। এরই মধ্যে সৌরভ গাঙ্গুলী কিন্তু একহাত নিয়েছেন আফ্রিদিকে। বলেছেন, ?আফ্রিদির মাথা ঠিক নেই।?

ফুটবল

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে