Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২০ , ৭ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 1.3/5 (3 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০১-২০-২০১২

সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হলো বিজিবি-বিএসএফ বৈঠক

সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হলো বিজিবি-বিএসএফ বৈঠক
কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হলো বিজিবি-বিএসএফ’র পতাকা বৈঠক। শুক্রবার সকালে বাংলাদেশ সীমান্তের কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার গলিয়ারা ইউনিয়নের দলকিয়া গ্রামে ভারতীয় মাদক চোরাকারবারী ও বিজিবি সদস্যদের সংঘর্ষ হয়। এক পর্যায়ে বিজিবি ছয় রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে। এ সময় নিহত হন ভারতীয় পেশাদার মাদক চোরাকারবারী শাহ আলম।
এ ঘটনায় ভারতীয়দের হাতে আটক হন বিজিবির হাবিলদার লুৎফুর রহমান। তাকে উদ্ধারের বিষয়ে বিজিবি ও বিএসএফ’র অধিনায়ক পর্যায়ের পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে বিকেল তিনটা পর্যন্ত আড়াই ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক কোনো ধরনের সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয়।
সীমান্তের ২০৮৮ নং মেইন পিলারের কাছে অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠকে বিজিবির পক্ষে নেতৃত্ব দেন ৩৩ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আক্তারুজ্জামান বীরপ্রতীক ও বিএসএফ’র পক্ষে নেতৃত্ব দেন বিএসএফ ২৯ ব্যাটালিয়নের কমান্ডেন্ট অফিসার এ. কে হমব্রম।
এছাড়াও বিজিবির পক্ষে ৩৩ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের উপ-অধিনায়ক মেজর রুপায়ন বড়ুয়া, মেজর ইশতেয়াক আহমেদ এবং বিএসএফ ২৯ ব্যাটালিয়নের ডেপুটি কমান্ডার অনীল কুমার, সিপাইজলা জেলার পুলিশ সুপার স্মৃতিরঞ্জন দাস অংশ নেন।
পতাকা বৈঠক শেষে ৩৩ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফট্যানেন্ট কর্নেল আক্তারুজ্জামান বীরপ্রতীক সাংবাদিকদের জানান, কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। শনিবার এ নিয়ে আবারো পতাকা বৈঠক হবে। তিনি বৈঠকে আলোচনার বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।
৩৩ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের মেজর ইশতেয়াক আহমেদ জানান, শুক্রবার সকাল পৌনে সাতটায় বাংলাদেশ সীমান্তে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার গলিয়ারা ইউনিয়নের দলকিয়া গ্রামে ভারতীয় পেশাদার মাদকব্যবসায়ী শাহ আলমের নেতৃত্বে বাংলাদেশে ফেনসিডিল পাচারের সময় বিজিবি বৌয়ারা বিওপির চার সদস্যের একটি টহল দল তাদের ধাওয়া করে। চোরাকারবারীরা এক কার্টন ফেনসিডিল ফেলে পালিয়ে যায়। বিজিবি সদস্যরা ৫০ বোতল ফেনসিডিলসহ কার্টুনটি উদ্ধার করে ফিরে আসার সময় পেছন থেকে মাদক চোরাকারবারীরা দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রসহ বিজিবি সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। তারা বৌয়ারা বাজার বিওপির কমান্ডার হাবিলদার লুৎফুর রহমানের ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে।
এসময় বিজিবি সদস্যরা আত্মরক্ষার্থে ছয়রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে। এতে ভারতের পশ্চিম ত্রিপুরার সিপাইজলা জেলার সোনামুড়া থানার তারাপুকুর গ্রামের আবতার আলীর ছেলে শাহ আলম গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় মাদকব্যবসায়ী ও তারাপুকুর গ্রামবাসী একত্রিত হয়ে বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে হাবিলদার লুৎফর রহমানকে মারধর করে নিয়ে যায়। পরে বিএসএফ তাকে তাদের ক্যাম্পে নিয়ে যায়।
দলকিয়া গ্রামের প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভারতীয়রা হাবিলদার লুৎফুর রহমানকে ধরে নিয়ে যাওয়ার সময় বেধড়ক পেটালে তিনি গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় সীমান্তের ওই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে