Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শনিবার, ২০ জুলাই, ২০১৯ , ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.6/5 (43 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৪-১৫-২০১৪

জনমত সমীক্ষায় নিশ্চিত জয় বিজেপির

জনমত সমীক্ষায় নিশ্চিত জয় বিজেপির

নয়াদিল্লী, ১৫ এপ্রিল- এ প্রথম জাতীয় পর্যায়ের কোনো জনমত সমীক্ষার ফলাফল চলতি লোকসভা নির্বাচন পরবর্তী রাজনৈতিক সম্ভাব্যতায় সুনির্দিষ্টভাবে এগিয়ে রাখল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতৃত্বাধীন ভারতের ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স বা এনডিএ জোটকে।

এ সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে চলেছে এনডিএ। ৫৪৩ আসনের ভারতীয় সংসদে তারা জিততে পারে ২৭৫টি আসনে। এর মধ্যে বিজেপি একাই পেতে পারে ২২৬টি আসন।

ছয় মাস আগে জাতীয় পর্যায়ের এক জনমত সমীক্ষাতেও বিজেপির এনডিএ জোটই এগিয়ে ছিল। কিন্তু এবার দেখা যাচ্ছে, বাড়তি আরো ১৬টি আসন চলে এসেছে তাদের দিকে।

বিজেপির একার ২২৬টি আসনে জেতার সম্ভাবনা সত্যি হলে সেটা বিজেপির পক্ষে তো বটেই, ১৯৯১ সালের পর থেকে যেকোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে সেরা ফল হবে।

অন্যদিকে জনমত সমীক্ষা বলছে, কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড প্রোগ্রেসিভ অ্যালায়েন্স বা ইউপিএ ২০১৪ সালের এ লোকসভা ভোটে জিততে পারে খুব বেশি হলে ১১১টি আসনে। যার মধ্যে কংগ্রেস পেতে পারে ৯২টি আসন। কংগ্রেসের ইতিহাসে সব থেকে খারাপ ফল! সোজা কথায়, রাজনৈতিক দল হিসেবে এবার লোকসভা নির্বাচনে ভরাডুবি হতে চলেছে দেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের।

বিজেপি এবার ২০০৯ সালের লোকসভা ভোটের তুলনায় ভালো ফল করতে পারে বেশ কয়েকটি রাজ্যে। তার মধ্যে প্রথমেই আছে উত্তর প্রদেশ। এখানে বিজেপি ২০০৯ সালের থেকে ৪১টি আসন বেশি পেতে পারে। এছাড়া মহারাষ্ট্রে বিজেপির ১৭টি আসন বাড়তে পারে, রাজস্থানে বাড়তে পারে ১৭টি, বিহার এবং অন্ধ্র প্রদেশে ১২টি করে এবং মধ্য প্রদেশে গতবারের তুলনায় ১০টি আসন বেশি পেতে পারে বিজেপি। সব মিলিয়ে এ ছয়টি রাজ্য থেকে বিজেপি ১০৯টি বাড়তি আসন জোগাড় করে সংসদে নিজেদের অবস্থান আরো মজবুত করতে পারে। ঐ ১০৯টি আসন ধরলে এনডিএ জোটের আসন বাড়বে মোট ১১৬টি। অন্যদিকে ইউপিএ জোটের হাতছাড়া হতে পারে ১৫১টি আসন।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী এবং তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী এবার খুব চেষ্টা করছেন, যাতে রাজ্যের ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে অন্তত ৩৮টি তাদের দখলে আসে।

সমীক্ষার ফল বলছে, এতগুলো না হলেও ৩০টি আসন জিতে এবার দেশের তৃতীয় বৃহত্তম রাজনৈতিক শক্তি হতে পারে তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু তাতে মমতার কার্যসিদ্ধি হবে না। জাতীয় রাজনীতির অঙ্কের হিসাবে ৩৫ থেকে ৩৮টি আসন পেলে তবেই নির্ণায়ক অবস্থানে থাকবে তৃণমূল কংগ্রেস। যদিও সে সঙ্গে বাকি হিসাব একটু এদিক ওদিক হয়ে বিজেপি বিরোধী আঞ্চলিক দলগুলোকে আরো কিছু বাড়তি আসন পেতে হবে এবং সব থেকে বড় কথা, কংগ্রেসকে আরো অনেকটা ভদ্রস্থ ফল করতে হবে। একমাত্র তা হলেই কেন্দ্রে পরবর্তী জোট সরকার গঠনের ক্ষেত্রে প্রভাব খাটাতে পারবে তৃণমূলসহ আঞ্চলিক দলেরা, মমতা যেটা চাইছেন।

কিন্তু সমীক্ষা বলছে, উত্তর প্রদেশে গত লোকসভা ভোটের তুলনায় এবার নয়টি আসন কম পেতে পারে মুলায়ম-অখিলেশ সিং যাদবদের সমাজবাদী পার্টি। মায়াবতীর বহুজন সমাজ পার্টি তাদের ১০টি আসন ধরে রাখতে পারে, কিন্তু বাড়তি একটি আসনও তারা পাবে না।

এদিকে বিহারে শরদ যাদব-নীতীশ কুমারদের সংযুক্ত জনতা দল গতবারের তুলনায় ১৬টি আসন কম পেতে পারে, যার ১২টি নিয়ে যাবে একা বিজেপি। একমাত্র তামিলনাড়ুতে এবার ১৩টি আসন বাড়িয়ে মোট ২২টি আসন পেতে পারে জয়ললিতার এডিএমকে। সেখানে বিজেপি বরং ছিনিয়ে নেবে বাড়তি ১০৯টি আসন।

সুতরাং ভারতের ক্ষেত্রে বিজেপির নির্বাচনী স্লোগানই সম্ভবত সত্যি হতে চলেছে৷ ‘আব কি বার মোদি সরকার’। অর্থাৎ এবারের সরকার, মোদি সরকার।

গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তুলে ধরেই শুরু থেকে প্রচার চালিয়েছে বিজেপি। মূল্যবৃদ্ধি থেকে দুর্নীতি, দেশের সব সমস্যা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের তুলনায় নরেন্দ্র মোদী কত দক্ষ প্রশাসক হতে পারেন, গুজরাট মডেলকে সামনে রেখে বারবার সেটাই বলেছে বিজেপি। সে কৌশল সম্ভবত খেটে গেল।

দক্ষিণ এশিয়া

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে