Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২০ , ১২ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.2/5 (20 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)


আপডেট : ০৪-০৭-২০১৪

মিলন হত্যায় এক আসামির ১০ বছর কারাদণ্ড

মিলন হত্যায় এক আসামির ১০ বছর কারাদণ্ড

ঢাকা, ০৭ এপ্রিল- রাজধানীর শান্তিবাগে চাঞ্চল্যকর মিলন হত্যা মামলায় এক আসামির ১০ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। সাজাপ্রাপ্ত আসামির নাম হাফিজুর রহমান খান। সোমবার ঢাকার ৩ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ বি এম সাজেদুর রহমান এ  রায় ঘোষনা করেন।

রায়ে বিচারক আসামির ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরোও দুই বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় আসামি হাফিজুর রহমান খানকে কারাগার হতে আদালতে হাজির করে পুলিশ ও রায় ঘোষণা শেষে আসামিকে সাজা পরোয়ানাসহ কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।

মামলার বিচার চলাকালে মামলার বাদী ও তদন্ত কর্মকর্তাসহ ১৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। আসামির পক্ষে সাফাই সাক্ষ্য দেন একজন।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ৭ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় এর আইন শাখা- ১ এর প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

ঢাকার মহানগর দায়রা জজ জহুরুল হক গত বছরের ১২ আগষ্ট মামলার একমাত্র আসামির বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগে গঠন করেন।

আলোচিত এ মামলার বিচারে দুইজন বিচারক বিব্রত হওয়ার পর মামলার নথি এ আদালতে পাঠানো হয়। বিচারের জন্য মামলাটি প্রথমে ঢাকার পরিবেশ আপীল আদালতের সাবেক বিচারক মো. মাহবুবুর রহমান এবং ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. আকতারুজ্জামানের আদালতে গেলে বিব্রত হয়ে মামলাটি বিচারে অনিচ্ছা প্রকাশ করে নথিটি ফেরত দেন।

পরে ১৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আমিনুল ইসলামের কাছে পাঠিয়ে দেন। ওই আদালতে ছয়জন সাক্ষির সাক্ষ্য গ্রহন করেন।

একই বছরের ২১ জুলাই ঘটনাটি তদন্ত করে রাজধানীর শাহজাহানপুর থানার ওসি (তদন্ত) তোফায়েল আহমেদ অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে ২৫ জনকে সাক্ষি করা হয়।

এ মামলার অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, পরকীয়ায় বাধা দেওয়ায় আসামি হাফিজুর রহমান খান তার স্ত্রী বেবী আক্তারকে নির্যাতন করতেন।

স্বামীর নির্যাতন থেকে বাঁচার জন্য শান্তিবাগের ১৪৩ নম্বর বাড়ির ষষ্ঠ তলায় ভাই মিলনকে ডেকে আনতেন। খুনের ঘটনার দিনও ডেকে এনেছিলেন। বরাবরের মতো ওইদিনও আসামি হাফিজুরকে শান্ত করার চেষ্টা করেন মিলন। কিন্তু কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে আসামি নিবন্ধনকৃত শটগান দিয়ে মিলনকে গুলি করে। পরে সে বাড়ীর ভাড়াটিয়া গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যায়।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, আসামি হাফিজুর আসামি হাফিজ কুমিল্লার চান্দিনার হাবিবুর রহমান টেক্সটাইল মিলসের সাবেক নির্বাহী পরিচালক। দুর্নীতির সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০০৭ সালে চাকরিচ্যুত হন। হাফিজুরের নৈতিক স্খলন ছিল। পরকীয়ায় আসক্ত ছিলেন। কাজের মেয়েদের সঙ্গেও অনৈতিক সম্পর্ক ছিল তার।

গত ১১ জুন পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন হাফিজুর। এসময় তার কাছ থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত শর্টগান ও কয়েক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

উল্লেখ্য ২০১২ সালের ২৯ মে মিলন খুন হন মিলন। মিলন হত্যার এ ঘটনায় ওইদিনই নিহতের স্ত্রী মেহেরুন নিসা কলি বাদী হয়ে শাহজাহানপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

আইন-আদালত

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে