Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২০ , ৬ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.1/5 (17 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)


আপডেট : ০৪-০৬-২০১৪

ভারত-চীনের অর্থায়নে সোনাদিয়ায় গভীর সমুদ্রবন্দরের পক্ষে মত

ভারত-চীনের অর্থায়নে সোনাদিয়ায় গভীর সমুদ্রবন্দরের পক্ষে মত

কক্সবাজার, ০৬ এপ্রিল- ভারত-চীনের অর্থায়নে কক্সবাজারের মহেশখালীর সোনাদিয়ায় গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের পক্ষে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি এ বন্দরটি নির্মাণের আগে এর ব্যবহারকারী কারা সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার বিষয়েও মত দিয়েছেন তারা।

রবিবার দুপুরে চট্টগ্রাম চেম্বার মিলনায়নে সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে চট্টগ্রাম চেম্বার ও নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের যৌথ আয়োজনে ‘ডিপ সীপোর্ট এন্ড চিটাগাং পোর্ট অপারেশন’ শীর্ষক সভায় এ মতামত উঠে আসে।

বন্দরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং ব্যবহারকারীরা বলছেন, সোনাদিয়ায় বিশাল একটি গভীর সমুদ্র বন্দর হবে। কিন্তু সেটির ব্যবহারকারী না থাকলে লাভবান হওয়া যাবে না।

চট্টগ্রাম বন্দরের পরিচালক (পরিবহন) গোলাম সরওয়ার বলেন, বন্দরটি নির্মাণে ভারত ও চীন অর্থায়ন করতে পারে। এতে তারাও বন্দরটি ব্যবহারে আগ্রহী হবে। বন্দর নির্মাণে প্রচুর পরিমাণ অর্থ ব্যয় হবে। কিন্তু ব্যবহারকারী না থাকলে লাভবান হওয়া যাবে না।

সভায় বক্তারা গভীর সমুদ্রবন্দরের গুরুত্ব তুলে ধরে আঞ্চলিক যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক সহায়তা বৃদ্ধি, ইন্টারনাল কান্টেক্টিভিটি, অবকাঠামো, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবস্থা এবং চট্টগ্রাম বন্দরের উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির অভিমত ব্যক্ত করেন।

এদিকে, সভায় সোনাদিয়ায় গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণে নেদারল্যান্ডস কারিগরী সহায়তা দেয়ার কথা জানিয়েছেন সেদেশের রাষ্ট্রদূত গার্বেন ডি ইয়ং।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের ক্ষেত্রে রটের্ডেম ডিপ সীপোর্ট একটি উৎকৃষ্ট মডেল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ডাচ কোম্পানি গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণ ও পরিচালনায় সমাদৃত।

গার্বেন ডি ইয়ং বলেন, জলপথ ছাড়াও বন্দর থেকে যাতে পণ্য সহজে আনা-নেয়া যায় সেজন্য সড়ক ও রেলপথ নির্মাণের বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে। যা বিশ্বের অন্যান্য ডিপ সীপোর্টে রয়েছে।

সভায় স্টেকহোল্ডারদের উত্থাপিত মতামত ও পরামর্শের বিষয়ে সরকারকে অবহিত করবেন বলে জানান ডাচ রাষ্ট্রদূত।

তবে গভীর সমুদ্রবন্দর বাস্তবায়নে অনেক সময়ের দরকার হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে হলে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতাও বাড়াতে হবে।

চিটাগাং চেম্বার প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল আলমের সভাপতিত্বে সভায় রটের্ডেম’র সিনিয়র পোর্ট প্ল্যানার জ্যান ইয়ান উইল্যাম কোম্যান, প্রাইভেটাইজেশন এন্ড ফাইন্যান্সিয়াল মডেলিং এক্সপার্ট ফ্র্যাংক ম্যাসন, চট্টগ্রাম বন্দরের চীফ প্ল্যানিং মো. মনিরুজ্জামান, কোস্ট গার্ডের জোনাল কমান্ডার ক্যাপ্টেন শহীদুল ইসলাম, কাস্টমসের জয়েন্ট কমিশনার মাহমুদুল হাসান ও আবু ফয়সাল মুরাদ, বিজিএমইএর পরিচালক অঞ্জন শেখর রায়, বিকেএমইএর শওকত ওসমান, ফিলিপিনসের অনারারী কনসাল এম এ আউয়াল, ইঞ্জিনিয়ার এস কে ঘোষ, বাফার আমিরুল ইসলাম চৌধুরী, বিকডার রুহুল আমিন সিকদার, আতাউল করিম চৌধুরী, ক্যাপ্টেন গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম চেম্বার পরিচালক জহিরুল ইসলাম চৌধুরী, কামাল মোস্তফা চৌধুরী, মো. অহীদ সিরাজ চৌধুরী , মো. জহুরুল আলম, বেলাল আহমেদ, নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি-পলিটিক্যাল এন্ড ইকনোমিক এ্যাফেয়ার্স হেনরিক ভ্যান এসছ, ইকনোমিক এন্ড কমার্শিয়াল এ্যাফেয়ার্স এডভাইজার মন্নুজান খানম প্রমুখ।

ব্যবসা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে