Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২০ , ১০ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.8/5 (51 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)


আপডেট : ০৪-০২-২০১৪

মানিকগঞ্জে বেহাল নতুন বসতি সেতু

মানিকগঞ্জে বেহাল নতুন বসতি সেতু

মানিকগঞ্জ, ০২ এপ্রিল- মানিকগঞ্জসদর উপজেলার দীঘি ইউনিয়নের নতুন বসতি সেতুটি দীর্ঘদিন থেকে বেহাল অবস্থায় রয়েছে। এর পরও ঝুঁকি নিয়ে ব্যবহারের অনুপযোগী ওই সেতুটির ওপর দিয়ে যাতায়াত করছে দুটি ইউনিয়নের ২০টি গ্রামের ৭০ হাজার মানুষ।
অত্যন্ত সরু হওয়ায় নির্মাণের পর থেকেই সেতুটি দিয়ে বড় কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারেনি। অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করে ছোট যানবাহন দিয়েই সেতুটির ওপর দিয়ে আশপাশের গ্রামের বাসিন্দারা তাঁদের উৎপাদিত পণ্য বাজারে নিয়ে থাকেন। দীর্ঘদিন থেকে সরু ওই সেতুটি বেহাল হয়ে রয়েছে। দীর্ঘদিন থেকে নতুন বসতি খালের ওপর এলাকাবাসী নতুন একটি প্রশস্ত সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন। কিন্তু সে দাবি পূরণ হয়নি।
দীঘি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য মাসুদ রানা ও সামছুল ইসলাম বলেন, জেলা সদরের সবচেয়ে কাছের ইউনিয়ন হচ্ছে দীঘি। শহর থেকে ইউনিয়নটির দূরত্ব মাত্র এক কিলোমিটার। তার পরও সরু ও ঝুঁকিপূর্ণ নতুন বসতি সেতুটির কারণে এলাকায় উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। ঝুঁকিপূর্ণ ওই সেতুটি যেকোনো সময় ধসে পড়ে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
এলাকাবাসী জানান, ১৯৮৭ সালে সদর উপজেলা পরিষদের তৎকালীন চেয়ারম্যান মো. শাজাহান খানের উদ্যোগে নতুন বসতি খালের ওপর সেতুটি নির্মাণ করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। সেতুটি দিয়ে দুটি ইউনিয়নের ২০টি গ্রামের ৭০ হাজার মানুষ জেলা সদরে যাতায়াত করে। কিন্তু প্রশস্ত কম হওয়ায় সেতুটির ওপর দিয়ে বড় ও ভারী কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারে না। তার ওপর দীর্ঘদিন থেকে সরু ওই সেতুটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে রয়েছে।
এলাকাবাসী বলেন, দীঘি ও কয়রা গ্রামের বিশাল চক শস্যভান্ডার হিসেবে পরিচিত। সেতু সরু হওয়ায় গ্রাম দুটির কৃষকেরা তাঁদের পণ্য ছোট যানবহনে করে হাটবাজারে নেন। এতে তাঁদের যাতায়াত খরচ বেড়ে যায়। বর্তমানে ঝুঁকি নিয়েই বিভিন্ন পণ্যবাহী ছোট যান ও পথচারীরা সেতুটি দিয়ে চলাচল করছে।
সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা গেছে, বেহাল ওই সরু সেতুটি দিয়ে কোনো রকমে ছোট যানবাহন চলাচল করছে। সেতুটির স্তম্ভসহ বিভিন্ন অংশ ক্ষয় হয়ে ভেতরের রড বেরিয়ে গেছে। দীঘি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আকতার উদ্দিন আহমেদ বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ ওই সেতুটির পাশে নতুন আরেকটি সেতু নির্মাণের বিষয়ে ২০১৩ সালের ২৬ আগস্ট উপজেলা পরিষদের মাসিক উন্নয়ন সভায় রেজুলেশন করা হয়েছে। এলজিইডি সেতুটি নির্মাণের উদ্যোগ নিলে ২০ গ্রামের মানুষের দাবি পূরণ হবে।
এলজিইডির সদর উপজেলা প্রকৌশলী মফিজ উদ্দিন বলেন, রেজুলেশন হওয়ার পর সরেজমিনে তিনি সেতুটি দেখতে যান। ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি যেকোনো সময় ধসে পড়তে পারে। ওই সেতুর পাশে নতুন একটি সেতু নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন।

 

 

মানিকগঞ্জ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে