Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২০ , ৮ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (34 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)


আপডেট : ০৩-২৯-২০১৪

প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় পিছিয়ে পড়ছে বাংলাদেশ

প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় পিছিয়ে পড়ছে বাংলাদেশ

ঢাকা, ২৯ মার্চ- দেশের শিল্প খাত ঝুঁকিতে পড়ায় সব ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ছে বাংলাদেশ। কূটনৈতিক দুর্বলতার কারণে বিদেশে শ্রমশক্তি রফতানিতে ভাটা পড়েছে। আবার দেশের শ্রমশক্তিতে যুক্ত হওয়া নতুন শ্রমিকদের কর্মসংস্থান তৈরিতেও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্র, উচ্চ সুদ হার ও প্রয়োজনীয় ভৌত অবকাঠামোর অভাবে এগোচ্ছে না দেশের অর্থনীতি। তারই প্রমাণ মিলেছে বিশ্ব প্রতিযোগিতা সক্ষমতার সূচকেও। শুধু তাই নয়, বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণে মিয়ানমারের চেয়েও পিছিয়ে পড়ছে বাংলাদেশ।

গত এক বছরেরও বেশি সময় শিল্প-কলকারখানাসহ ছোট-বড় সব ধরনের প্রতিষ্ঠানে কাজের সুযোগ কমে এসেছে। এর বিরূপ প্রভাব পড়েছে কর্মসংস্থানে। আর অর্থনীতির বিভিন্ন খাত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বেড়ে যাচ্ছে বেকারত্ব। বিশেষ করে গত বছরের ফেব্র“য়ারি থেকে রাজনৈতিক অস্থিরতা প্রকট হওয়ায় এ সময়ে নতুন কর্মসংস্থান হয়নি, বরং চাকরিচ্যুত হয়েছেন বিপুলসংখ্যক শ্রমিক। এদিকে জাতিসংঘের বাণিজ্য উন্নয়ন সংস্থা আংকটাডের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনেও বলা হয়েছে, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি (জিডিপি) গত এক দশকে বাড়লেও সে অনুযায়ী কর্মসংস্থান হয়নি। সংস্থাটির মতে, জিডিপির প্রবৃদ্ধি অর্জনে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে ভালো অবস্থানে থাকলেও এর সুফল আসেনি। আর কর্মসংস্থান না বাড়ায় পিছিয়ে পড়ছে দেশ। সুইজারল্যান্ডের জেনেভাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ) পরিচালিত সর্বশেষ জরিপের তথ্য মতে, বাংলাদেশ তার প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছে। আবার আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে লজিস্টিকস কিংবা সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের অবস্থার অবনতি হয়েছে। বিশ্বের ১৬০টি দেশের ওপর বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ জরিপে এ বিষয়ক সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান দাঁড়িয়েছে ১০৮তম। এর আগে এ জরিপে বাংলাদেশ ছিল ৭৯ নম্বরে। বিশ্বব্যাংক সম্প্রতি বিশ্ব অর্থনীতিতে বাণিজ্য লজিস্টিকস নামে এক প্রকাশনায় জরিপের ফল প্রকাশ করে। বাণিজ্যের ক্ষেত্রে কাস্টমস সেবা, অবকাঠামো, আন্তর্জাতিক শিপমেন্ট ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিবেচনায় নিয়ে দেশভিত্তিক অবস্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। আবার এনার্জি আর্কিটেকচার পারফরম্যান্স সূচকেও দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। আর বিশ্বের ১২৪টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১১৪তম। শুধু তাই নয়, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা এমনকি নেপালের চেয়েও পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সদ্যপ্রকাশিত ‘দ্য গ্লোবাল এনার্জি আর্কিটেকচার পারফরম্যান্স ইনডেক্স রিপোর্ট ২০১৪তে এ চিত্র উঠে এসেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বালানি খাতে গত পাঁচ বছরে নানা অর্জনের কথা বলা হলেও বাস্তব অবস্থা ভিন্ন। গ্যাসের উৎপাদন ও সরবরাহ বৃদ্ধিসহ নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারে সরকারের নানা উদ্যোগ সফল হয়নি। গ্যাসের বিকল্প হিসেবে কয়লা খাতেও কোনো অগ্রগতি নেই। বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়লেও দীর্ঘমেয়াদি কোনো সমাধান বাংলাদেশের সামনে নেই। এজন্য বিশ্ব সূচকে বাংলাদেশ রয়ে গেছে পেছনের সারিতেই। এ প্রসঙ্গে রফতানিকারকদের সংগঠন এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইএবি) সভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদী বলেন, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, গ্যাস, বিদ্যুৎ সঙ্কট, ব্যাংকের উচ্চ সুদের কারণে অবকাঠামো ব্যয় অনেক বেড়ে গেছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের সক্ষমতা কমে আসায় বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় আমাদের পণ্য পিছিয়ে পড়ছে। তিনি আরও বলেন, দেশের ব্যবসায়ীদের সক্ষমতা বাড়াতে হলে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়াতে হবে, ব্যাংক সুদের হার এক অঙ্কে নামিয়ে আনতে হবে, সরকার ও বিরোধী দল মিলে রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে হবে।

বিশ্বব্যাংকের প্রকাশিত লজিস্টিকস পারফরম্যান্স ইনডেক্স বা এলপিআই ২০১৪ নামে ওই সূচকে এক নম্বরে রয়েছে জার্মানি। জার্মানির স্কোর ৪ দশমিক ১২, যার অর্ধেক স্কোর (২.৫৬) বাংলাদেশের। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে এলপিআইতে বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে ভারত, পাকিস্তান, নেপাল ও শ্রীলংকা। বিশ্বব্যাংক দু’বছর পরপর এ জরিপ করে। ২০১০ সালের জরিপে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৭৯ নম্বরে। বিশ্বব্যাংক ২০০৭ সাল থেকে এ জরিপ করে আসছে। এ পর্যন্ত করা সব কটি জরিপ মিলিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান দাঁড়িয়েছে ৯৫তম। বিশ্বব্যাংকের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাস্টমস ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান ১৬০টি দেশের মধ্যে ১৩৮তম। অন্যদিকে বাণিজ্য ও পরিবহনকেন্দ্রিক অবকাঠামোর মানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৮তম। প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে আন্তর্জাতিক শিপমেন্ট কতটা সহজ তার সূচকে বাংলাদেশ তার গড় অবস্থান ৮০তম। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পণ্য পৌঁছানোর সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ৭৫তম। আর কনসাইনমেন্টের অবস্থান জানা ও যাচাই করার সক্ষমতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান ১২২তম। অন্যদিকে এনার্জি আর্কিটেকচার পারফরম্যান্স সূচকে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে ভারতের অবস্থান ৬৯তম, শ্রীলংকা ৭০তম, পাকিস্তান ৯৬তম ও নেপাল ১০৩তম। দশমিক ৩৮ স্কোর নিয়ে ১১৪তম অবস্থানে বাংলাদেশ। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন বাস্কেটে বিবেচনা করা হয়েছে জ্বালানি ব্যবহারের দক্ষতা তথা প্রতি ইউনিট জ্বালানি ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি, জ্বালানি তেল আমদানি-রফতানি, জ্বালানি তেলে ভর্তুকি ও এর মাধ্যমে অপচয়ে উৎসাহ প্রদান এবং শিল্প খাতে বিদ্যুতের দাম। পরিবেশগত স্থায়িত্ব বাস্কেটে বিবেচনা করা হয়েছে মোট জ্বালানিতে বিকল্প ও পারমাণবিক জ্বালানির অংশ, জ্বালানি খাত থেকে নাইট্রাস অক্সাইড ও মিথেন গ্যাস নির্গমন, বাতাসে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর গ্যাসের উপস্থিতি এবং ব্যক্তিগত গাড়িতে গড় জ্বালানি ব্যবহারের পরিমাণ। সূচকগুলোর প্রায় সব উপাদানেই বাংলাদেশ বেশ দুর্বল অবস্থানে রয়েছে। ফলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন বাস্কেট, পরিবেশগত স্থায়িত্ব বাস্কেট এবং জ্বালানি প্রাপ্যতা ও নিরাপত্তা বাস্কেট এ তিন উপসূচকে বাংলাদেশের অবস্থান অনেক নিচের দিকে। এ তিন উপসূচকে বাংলাদেশের স্কোর যথাক্রমে দশমিক ৩৯, দশমিক ৩৯ ও দশমিক ৩৭।

এদিকে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ও বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, প্রায় ৫০ শতাংশ কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী কৃষির উপখাত শস্যে প্রবৃদ্ধি শূন্যের কোঠায়। বেসরকারি বিনিয়োগ ও রেমিটেন্সেও প্রবৃদ্ধি ঋণাÍক হয়ে পড়েছে। এছাড়া বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ নেই বললেই চলে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ বোর্ডের (বিওআই) সূত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের তুলনায় ২০১৩ সালে দেশে স্থানীয় উদ্যোক্তাদের মধ্য থেকে বিনিয়োগ নিবন্ধন কমেছে ১৫ দশমিক ১৫ শতাংশ। এর মধ্যে জানুয়ারি মাসের তুলনায় শুধু ফেব্র“য়ারিতেই বিনিয়োগ কমেছে ৩ হাজার কোটি টাকা। আর ৫ মাসের ব্যবধানে দেশী-বিদেশী বিনিয়োগ কমেছে ১৪ হাজার কোটি টাকা। আবার বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের ৬ ফেব্র“য়ারি শেষে একবছরে ব্যাংক খাতে ঋণ বিতরণে প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে মাত্র ৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ। ঋণ বিতরণে গতি না থাকায় ব্যাংকে অলস টাকার পাহাড় জমেছে। অন্যদিকে কমে গেছে রেমিটেন্স প্রবাহ। আগের মাসের ধারাবাহিকতায় নতুন বছরের ফেব্র“য়ারি মাসেও রেমিটেন্স কম এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাবে, চলতি বছরের ফেব্র“য়ারি মাসে বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স এসেছে ১১৬ কোটি ৪১ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার। জানুয়ারিতে এসেছিল ১২৬ কোটি ৬ লাখ ৬০ হাজার ডলার। একইভাবে বৈদেশিক সাহায্য প্রবাহেও দেখা দিয়েছে ধীরগতি। বৈশ্বিক আর্থিক মন্দার কারণে বিদেশের শ্রমবাজার এখন সংকুচিত। বিকল্প শ্রমবাজারও সৃষ্টি হচ্ছে না। সম্ভাবনাময় বাজার উপসাগরীয় অঞ্চলে শ্রমিক পাঠানো যাচ্ছে না। আবার সরকারিভাবে বিদেশে শ্রমিক পাঠানোর উদ্যোগও কার্যকর হচ্ছে না। সব মিলিয়ে দেশের অর্থনীতি সামনে না এগিয়ে পেছনের দিকে যাচ্ছে। এদিকে চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা কমিয়েছে সরকার। ২০১৩-১৪ অর্থবছরের বাজেটে গৃহীত জিডিপির লক্ষ্যমাত্রা ৭ দশমিক ২ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৬ দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে অর্থনীতিবিদ ড. মাহবুবউল্লাহ যুগান্তরকে বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, আইনশৃঙ্খলার অবনতি, ব্যাংকিং খাতে লুটপাট, অর্থ আত্মসাৎ এবং দুর্নীতি ও লুটপাটের কারণে অর্থনীতি তলানিতে এসে ঠেকেছে। এসব সমস্যা দূর করতে না পারলে দেশে বিনিয়োগের পরিবেশ ফিরে আসবে না। তিনি বলেন, বিশ্বের প্রতিটি দেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশ সম্পর্কে বিনিয়োগকারীদের ধারণা দেয়ার জন্যই বিভিন্ন ধরনের প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়ে থাকে। ওই সব প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করেই ব্যবসায়ীরা কোথায় বিনিয়োগ করবেন, সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশের অবনমন হওয়ায় বিদেশ থেকে বিনিয়োগ প্রবাহ আরও কমে যাবে বলে মনে করেন তিনি। এদিকে সম্প্রতি প্রকাশিত ফরেন ডিরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট (এফডিআই) ইন্টেলিজেন্স রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১২ সালে মিয়ানমারে বিদেশী বিনিয়োগে প্রকল্প বাড়ার হার প্রায় ৪৫০ শতাংশ। একই সময়ে বাংলাদেশে এ প্রবৃদ্ধি ৬৭ শতাংশ। গ্লোবাল গ্রিনফিল্ড ইনভেস্টমেন্ট ট্রেন্ডস শীর্ষক ওই প্রতিবেদন বলছে, ২০১১ সালে মিয়ানমারে বিদেশী বিনিয়োগের প্রকল্প ছিল মাত্র ১০টি। ২০১২ সালেই তা বেড়ে হয় ৫৪টি। পাশাপাশি মূলধনী বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও অনেক এগিয়েছে দেশটি। পরিমাণের দিক দিয়েও মিয়ানমারে বিদেশী বিনিয়োগ বাড়ছে দ্রুতগতিতে। ২০১২ সালে দেশটিতে বিদেশী বিনিয়োগ হয়েছে ২২৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার। আগের বছর এর পরিমাণ ছিল ২২০ কোটি ডলার। অন্যদিকে ২০১২ সালে বাংলাদেশে বিদেশী বিনিয়োগ এসেছে ১২৯ কোটি ও ২০১১ সালে ১১৩ কোটি ডলার। ২০০৮, ২০০৯ ও ২০১০ এ তিন বছর মিয়ানমারে বিদেশী বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ৮৬, ৯৭ ও ১২৮ কোটি ডলার। একই সময়ে বাংলাদেশে এর পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ১০৮, ৭০ ও ৯১ কোটি ডলার। এ প্রসঙ্গে ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি সৈয়দ এরশাদুল ইসলাম বলেন, মিয়ানমারের চেয়ে পিছিয়ে পড়াকে আমাদের দুর্ভাগ্যই বলতে হবে।

ব্যবসা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে