Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই, ২০১৯ , ১ শ্রাবণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (36 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৩-২৭-২০১৪

পোপকে হোয়াইট হাউজে আমন্ত্রণ ওবামার

পোপকে হোয়াইট হাউজে আমন্ত্রণ ওবামার

ওয়াশিংটন, ২৭ মার্চ- ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের সর্বোচ্চ ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিসের সঙ্গে সাক্ষাত করে তাকে হোয়াইট হাউজে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।

বৃহস্পতিবার ইতালির ভ্যাটিকানসিটিতে প্রায় একঘণ্টা ধরে বিশ্বের শীর্ষ এই দুই ব্যক্তির মধ্যে একান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

ওবামা ও তার প্রতিনিধি দলকে অভিবাদন জানাতে নিজ আসন থেকে সামনে এগিয়ে আসেন পোপ ফ্রান্সিস। গির্জার কর্মকর্তারাও এই সময় সামনে এগিয়ে আসেন।

এসময় পোপের ‘একজন একনিষ্ঠ ভক্ত’ বলে নিজের পরিচয় দেন ওবামা।

“এটা আমার জন্য বড়ই সস্মানের, আমি আপনার ভীষণ ভক্ত। আমাকে গ্রহণ করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।”

সাক্ষাতের প্রথম পর্বে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতেই সামনা সামনি বসে আলাপ করেন ওবামা ও পোপ। তাদের দুজনকে এসময় বেশ হাস্যরস করতে দেখা যায়।

ওবামা হোয়াইট হাউজের বিভিন্ন ফল ও শস্যের বীজ প্রতীকী উপহার হিসেবে পোপের হাতে তুলে দেন। এসময় পোপকে হোয়াইট হাউজে আমন্ত্রণ জানান তিনি।

“আপনার যদি সময় যদি সুযোগ হয় তাহলে হোয়াইট হাউজ ঘুরে যাবেন, বাগানটি দেখে যাবেন।”

পোপও জাবাবে বলেন, অবশ্যই! অবশ্যই!!

পোপ ওবামাকে দুটি স্মারক মেডেল ও নিজের লেখা একটি বই উপহার দেন। পোপের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে গত বছর ‘দ্যা জয় অব দ্যা গসপল’ বইটি লিখেন তিনি।

ওবামা পোপকে বলেন, আমি যখন গভীর চিন্তগ্রস্ত হয়ে যাব তখন ওভাল অফিসে বসে বইটি পড়বো। এটা আমাকে শক্তি সাহস দেবে এবং প্রশান্তি যোগাবে।

জবাবে পোপও বলেন, “আমিও আশা করছি তাই।”

পরে তাদের মধ্যে প্রায় একঘণ্টার একান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বলে রয়টার্স জানায়। তবে সেই বৈঠক সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি।

দ্বিতীয় বারের মতো নির্বাচিত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্বপালন করা ওবামার পূর্বপুরুষরা ছিলেন মুসলিম। তবে শিশুকাল থেকে খ্রিস্টান সমাজে বড় হওয়া যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম এই কৃষ্ণাঙ্গ নেতা নিজেকে যিশুর একনিষ্ঠ অনুসারী হিসেবেই পরিচয় দিয়ে থাকেন।

সাক্ষাতের বিষয়ে সাংবাদিকদেরকে বিস্তারিত বলা না হলেও ভ্যাটিকান সফর উপলক্ষ্যে আগেই ইতালিয়ান একটি সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেন ওবামা। এ সময় ধনী দরিদ্রের বৈষম্য দূর করার পক্ষে পোপের অবস্থানের প্রসংশা করেন তিনি।

ভ্যাটিকানসিটির ভেতর ওবামা পোপের দোভাষীকে বলেন, “পোপের মহত্ব এতো বেশি যে তিনি একমাত্র ব্যক্তি যিনি আমার চেয়ে বেশি প্রটোকল পেয়ে থাকেন।”

“বিশ্বায়ন ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনের ফলে বিশ্বে ধনী দরিদ্রের যেই বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে তাকে নতুন করে ঘোচানো নিয়ে পোপের আহ্বানের ফলে তার বিশ্বব্যাপী তার গ্রহণযোগ্যতা নতুন উচ্চতা পেয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রেও গত কয়েক দশক ধরে সাধারণ পরিবার ও উচ্চবিত্তদের আয়ের মধ্যে বড় ধরনের পার্থক্য দেখছি। এটা শুধু যুক্তরাষ্ট্রের সমস্যা নয় বরং বিশ্বব্যাপী সব দেশেই এই সমস্যাটি রয়েছে। এবং এটা কেবল অর্থনৈতিক সমস্যাও নয়।”

উত্তর আমেরিকা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে