Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২০ , ২৫ চৈত্র ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.8/5 (18 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)


আপডেট : ০৩-২৪-২০১৪

আইনের অস্পষ্টতার মধ্যেই শুরু হচ্ছে জামায়াতে ইসলামীর বিচার

আইনের অস্পষ্টতার মধ্যেই শুরু হচ্ছে জামায়াতে ইসলামীর বিচার

ঢাকা, ২৪ মার্চ- আইনের অস্পষ্টতার মাঝেই মুক্তিযুদ্ধকালে ‘অপরাধী সংগঠন’ হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে আগামীকাল ২৫ মার্চ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে যাচ্ছে মানবতা-বিরোধী অপরাধ তদন্ত সংস্থা। কিন্তু অভিযোগ প্রমাণিত হলে শাস্তি কী- সে ব্যাপারে কোনোপ্রকার দিকনির্দেশনা এখন পর্যন্ত আসেনি।

গত বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লাকে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। ১৭ ফেব্রুয়ারি ট্রাইব্যুনালের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান রেখে সংশ্লিষ্ট আইনের সংশোধনী সংসদে পাস হয়। ওই সময় আইনের ৩ ধারা সংশোধন করে ব্যক্তির পাশাপাশি সংগঠনেরও বিচারের বিধান করা হয়। কিন্তু ২০ ধারায় দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তির সাজার পাশাপাশি সংগঠনের সাজা কী হবে, তা উল্লেখ করা হয়নি। আইনে সংগঠনের বিচারের বিধান যুক্ত হওয়ার পর গত বছরের ১৮ আগস্ট জামায়াতের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে তদন্ত সংস্থা। এরই মধ্যে ১ আগস্ট জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন হাইকোর্ট।

অবশ্য আইনের অস্পষ্টতার কথা মানতে নারাজ রাষ্ট্রপক্ষ। তারা বলছেন, আইন সংশোধনের প্রয়োজন নেই। কারণ, আইনের ২০(২) ধারায় বলা হয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত সাপেক্ষে ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড বা অপরাধের গভীরতা বিবেচনায় ওই ধরনের যেকোনো সাজা দিতে পারবেন। এই বিধান অনুসারে, সংগঠন দোষী সাব্যস্ত হলে সেটিকে নিষিদ্ধ করা বা সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা বা যেকোনো সাজা ট্রাইব্যুনাল দিতে পারেন। ১৮৯৭ সালের জেনারেল ক্লজেজ অ্যাক্টে ‘ব্যক্তি’র (পারসন) সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, কোম্পানি, অ্যাসোসিয়েশন বা ব্যক্তিগোষ্ঠীও ‘ব্যক্তি’ বিবেচিত হবে। সে ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনালের আইনে ২০ ধারায় উল্লেখিত ‘ব্যক্তির’ মধ্যে সংগঠনও পড়বে। আর ট্রাইব্যুনালের যেকোনো সাজা দেওয়ার ক্ষমতা আইনেই আছে।

আইন-আদালত

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে