Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২০ , ৭ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.5/5 (27 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০১-১৪-২০১২

আল্লাহু আকবার ধ্বনিতে মুখরিত তুরাগ তীর

আল্লাহু আকবার ধ্বনিতে মুখরিত তুরাগ তীর
রাজধানী ঢাকার তুরাগ নদীর তীরে শুরু হয়েছে মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম জমায়েত- বিশ্ব ইজতেমা। গতকাল ইজতেমার প্রথম দিনে দেশী-বিদেশী লাখো মুসল্লি সমবেত হয়ে জামাতের সঙ্গে আদায় করেন পবিত্র জুমার নামাজ। নামাজের পরে ইহকাল ও পরকালের শান্তি ও মুসলিম বিশ্বের কল্যাণ কামনায় দীর্ঘ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে ভোরে বাদ ফজর থেকে শুরু হয় ইজতেমার মূল আনুষ্ঠানিকতা। কনকনে শীত উপেক্ষা করে সকাল থেকেই তুরাগ তীরে মুসল্লিদের ঢল নামে। সময় যত গড়ায় মুসল্লিদের ভিড় ততই বাড়তে থাকে। দুই পর্বে অনুষ্ঠিত ইজতেমার প্রথম পর্বের প্রথম জুমার নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করতে রাজধানী ঢাকা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে দলে দলে আসতে থাকেন নানা বয়সের ধর্মপ্রাণ মুসলমান। দুপুরের আগেই তুরাগের বিশাল প্রান্তর প্রায় ৫ কিলোমিটার এলাকা কানায় কানায় পরিণত হয় জনসমুদ্রে। বিশাল জামাতে জুমার নামাজ আদায় করতে দীর্ঘপথ পায়ে হেঁটেও এসেছেন অনেকে। তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না প্রায় ১৬০ একর জমিতে তৈরি বিশাল ছাউনির নিচে। পাকা রাস্তায় খবরের কাগজ, পলিথিন বিছিয়ে এমনকি বালির ওপর সিজদা করেও নামাজ পড়তে দেখা গেছে অনেককে। নামাজের কাতার বিস্তৃত হয় নদীর তীর, সড়ক-মহাসড়ক, ব্রিজের উপর এমনকি যানবাহনের উপরও। বিশ্ব ইজতেমায় শুধু বাংলাদেশই নয়, বিশ্বের ৭০টিরও বেশি দেশের মুসলিম নাগরিক অংশ নিয়েছেন। তাদের সংখ্যা প্রায় ১৭,০০০। তাদের সবার সমবেত কণ্ঠে আল্লাহু আকবার ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে তুরাগ তীর। সেখানে এখন বিরাজ করছে অন্যরকম দৃশ্য। হেদায়াত, আল্লাহর নৈকট্যলাভ ও পাপ মোচনের প্রত্যাশায় তারা জিকিরে জিকিরে পার করছেন সময়। চলছে বয়ান। দেশী-বিদেশী অতিথিরা পর্যায়ক্রমে মুসল্লিদের উদ্দেশে বয়ান পেশ করছেন শুক্রবার ভোর থেকেই। বাংলা ছাড়াও উর্দু ও ইংরেজি ভাষায় বয়ান করা হয়।
এদিকে গতকাল পর্যন্ত ইজতেমায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। তারা হৃদরোগসহ বিভিন্ন কারণে মারা যান। তাদের বেশির ভাগই হাসপাতালে নেয়ার পর মৃত্যুবরণ করেন। তারা হলেন- সিরাজগঞ্জের বেলকুচি থানার মামুদ গ্রামের হাবিবুর রহমান (৭০), চট্টগ্রামের সাতকানিয়া থানার কাগরিয়া গ্রামের নজীব উল্যাহ (৬০), ফেনীর মো. মোস্তফা (৬০), মাদারীপুরের রতন সরকার (৫০), হবিগঞ্জের আবদুল গফুর খান (৫৫) ও কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থানার বাহমাদ্দি গ্রামের আলিম উদ্দিন সরকার (৭০)। বৃহস্পতিবার ভোরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে নরসিংদীর রায়পুরা থানার বালুয়াকান্দি গ্রামের আবদুল জলিল (৫৫) মারা গেছেন। শুক্রবার বাদ ফজর ও বাদ জুমা তাদের জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অপরদিকে অপরিচ্ছন্ন ও ভেজাল খাবার খেয়ে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে হাসপাতালেও ভর্তি করা হয়েছে। মাঠের আশপাশে খাবারের মান ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। টঙ্গী হাসপাতালের রয়েছে বেহাল অবস্থা। পানির কারণে ডায়রিয়ার রোগীরা মারাত্মক দুর্ভোগে রয়েছেন। এই হাসপাতালে শুক্রবার বিকাল ৪টা পর্যন্ত ৭৮জন মুসল্লি ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা নিয়েছেন। এদের মধ্যে শ্বাসকষ্ট ও হৃদরোগজনিত ১২জনকে ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে এবং ১৫জন টঙ্গী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন বলে জানিয়েছেন ওই হাসপাতালের চিকিৎসক মো. মামুন-উর-রশিদ। এছাড়া ইজতেমা স্থলের পার্শ্ববর্তী ফ্রি-মেডিকেল ক্যাম্পে কয়েক হাজার মুসল্লি প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। ইজতেমা মাঠ ও আশপাশের এলাকা থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত ১৫জনকে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকায় আটক করেছে।
ইজতেমা ময়দান জুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা: র‌্যাব-১-এর উপ-পরিচালক মেজর মো. নিশাদুল ইসলাম খান জানান, এবার র‌্যাব সদস্যের সংখ্যা গতবারের চেয়ে বেশি। ৫ সেক্টরে ভাগ হয়ে তারা পুরো ইজতেমা ও আশপাশের এলাকাগুলোর নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব পালন করছেন। দু’পর্বের ইজতেমার ৬দিন র‌্যাবের হেলিকপ্টার টহল দেবে। খিত্তায় খিত্তায় সাদা পোশাকে র‌্যাব সদস্যরা অবস্থান করছেন। আছে কন্ট্রোল রুম ও পেট্রোল ডিউটি। র‌্যাব ৫টি সেক্টরে তিনস্তরে নিরাপত্তা দিচ্ছে। ইজতেমা মাঠের প্রবেশ পথে ও আশেপাশে অর্ধশতাধিক সিসি টিভিতে সার্বিক কার্যক্রমের চিত্র ধারণ করছে। ইজতেমা শুরুর দিন গতকাল থেকেই হেলিকপ্টার টহল দিচ্ছে। তুরাগ নদীতে নৌ-টহল দল কাজ শুরু করেছে। মাঠে প্রবেশ পথে মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে সন্দেহজনক ব্যক্তির দেহ তল্লাশি করা হচ্ছে। মাঠের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে স্থাপিত অস্থায়ী টাওয়ার থেকে র‌্যাব সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করছে। র‌্যাবের বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দলও মাঠে কাজ করছে। গাজীপুরের পুলিশ সুপার আবদুল বাতেন জানান, ইজতেমা মাঠের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য র‌্যাব-পুলিশসহ এবার সাড়ে ১২ হাজার নিরাপত্তাকর্মী কাজ করছে। পুলিশ ও র‌্যাব বেশ কিছু সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বিক নিরাপত্তা মনিটরিং করা হচ্ছে। র‌্যাব ও গাজীপুর জেলা পুলিশের অন্তত ১৫টি পর্যবেক্ষণ টাওয়ার থেকে ইজতেমা মাঠ পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ইজতেমা মাঠে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বসানো হয়েছে ৬০টি সিসি ক্যামেরা। র‌্যারের বোমা বিশেষজ্ঞ দলসহ প্রায় ১২শ’ র‌্যাব সদস্য এখানে দায়িত্ব পালন করছেন। মাঠের উত্তর পাশে স্থাপিত র‌্যাবের কন্ট্রোল রুম থেকে ক্যামেরার মাধ্যমে পুরো এলাকা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
ভেজালবিরোধী অভিযান: ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের জন্য হোটেল-রেস্তোরাঁর খাবারের মান ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত ৩টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। ভেজাল খাদ্য বিক্রি করার অপরাধসহ বিভিন্ন অপরাধে ৩টি মামলা করে মোট ১১,০০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
ধুলাবালিতে দুর্ভোগ: লাখ লাখ মানুষের পদধূলি আর অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে ধুলায় ছেয়ে গেছে ইজতেমা এলাকা আর টঙ্গীর রাস্তাঘাট। পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় অজু-গোসলের পানিতে বিভিন্ন স্থানে কাদা সৃষ্টি হয়েছে। বালি আর কাদায় চরম দুর্ভোগে পড়ছেন অনেকে। ভাসমান ও অস্থায়ী হোটেল-রেস্তোরাঁয় ধুলাবালি মেশানো খাবার খেয়ে পেটের পীড়ায় ভুগছেন অনেকে। আবার অনেকে আক্রান্ত হয়েছেন ডায়রিয়ায়।
বিদেশী মুসল্লি: ইজতেমার প্রথম পর্বের প্রথম দিন মিশর, ওমান, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, অস্ট্রেলিয়া, ব্রুনাই, কানাডা, কম্বোডিয়া, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, জার্মানি, ইরান, জাপান, মাদাগাস্কার, মালি, মোজাম্বিক, নাইজেরিয়া, পানামা, সেনেগাল, দ. আফ্রিকা, তাঞ্জানিয়া, ত্রিনিদাদ, রাশিয়া, আমেরিকা, জিম্বাবুয়ে, বেলজিয়াম, ক্যামেরুন, চীন, কমোরেস, ফিজি, ফ্রান্স, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, কেনিয়া, মালয়েশিয়া, মিয়ানমার, নিউজিল্যান্ড, নরওয়ে, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, শ্রীলঙ্কা, সুইডেন, থাইল্যান্ড, তার্কি, যুক্তরাজ্য, জাম্বিয়া, কোরিয়া, আলজিরিয়া, ডিজিবুতি, ইথিওপিয়া, ইরাক, ফিলিস্তিন, কুয়েত, মরক্কো, কাতার, সোমালিয়া, সিরিয়া, তিউনিসিয়া, ইয়েমেন, পাকিস্তান, বাহরাইন, ইরিত্রিয়া, জর্দান, মৌরিতানিয়া, ভারত, সুদান, দুবাইসহ বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রের প্রায় ১৭ হাজার মুসল্লি ইজতেমায় অংশ নিয়েছেন।
৩০ হাজার বিদেশীর জন্য বিশেষ কামরা: বিভিন্ন ভাষাভাষী ও মহাদেশ অনুসারে ইজতেমা ময়দানে বিদেশী মেহমানদের জন্য মোট ৩টি ট্যান্ট নির্মাণ করা হয়েছে। সেখানে তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জিম্মাদার জানিয়েছেন। বিশ্ব ইজতেমা বিশাল প্যান্ডেলের উত্তর-পশ্চিম পাশে বিদেশী মুুসল্লিদের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে ৩০ হাজার মুসল্লির ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন বিশেষ কামরা। এবারের ইজতেমায় আরবি, উর্দু এবং ইংরেজি এ তিনটি ভাষাভাষীদের জন্য বিদেশী নিবাসকে ভাগ করা হয়েছে আলাদা তিনটি ভাগে। মূল বয়ান মঞ্চে  মুরব্বিদের বয়ানের পরপরই এসব ভাষায় তরজমা করা হবে বিদেশী নিবাসে। ইজতেমায় বয়ানও করবেন নানা দেশের বিশ্ব তাবলীগ জামাতের শূরাসদস্য ও শীর্ষ মুরব্বিগণ। বিদেশী মেহমানদের জন্য প্রায় দেড় হাজার নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক দিন-রাত কাজ করছেন। ইজতেমার তিন দিনে এদেশের মুরব্বিসহ ভারত, পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় মুরব্বি ও আলেমগণ বয়ান করবেন। নিয়ম অনুযায়ী ইজতেমায় বয়ানকারীদের নাম ঘোষণা হয় না। তবে তাদের মধ্যে রয়েছেন উল্লেখযোগ্য ভারতের মাওলানা যেবারুল হাসান, মাওলানা মুহাম্মদ সা’দ, মাওলানা আহমদ লাট, পাকিস্তানের মাওলানা হাজী আবদুল ওয়াহাব, মাওলানা আহমদ বাতলাহ, এদেশের হাফেজ যোবায়ের, মাওলানা জমিরুদ্দিন ও মাওলানা ওমর ফারুক।
বিদেশীদের মজাদার খাবার আইটেম: তাবলীগের বিদেশী মেহমানদের থাকা, খাওয়া, অজু-গোসলের জন্য আয়োজকদের রয়েছে বিশেষ প্রস্তুতি। খাবারের জন্য প্রতিদিনই থাকছে মজাদার সব আইটেম। বিদেশী মেহমানদের থাকা, খাওয়া ও রান্না-বান্নার কাজ তদারক করার জন্য তাবলীগের নিজস্ব জিম্মাদার নিয়োগ করা হয়েছে। জিম্মাদারগণ জানান, বিভিন্ন দেশ থেকে আগত মুসল্লিদের চাহিদানুপাতে খাবার সরবরাহ করা হয়। তাদের খাবার তালিকায় তন্দুরি রুটি, সাদা ভাত, পোলাও, জয়তুন, সবজি, খাসি এবং গরুর গোশ্‌ত দেয়া হবে। খাবার তালিকায় সিমের বীচির ডাল, টক দই, মধু এবং পনির রয়েছে। এছাড়া সকালের নাস্তার জন্য ডিম ও পোলাওয়ের মিশ্রণে তৈরি নাসিমনসহ মজাদার আইটেমও থাকবে। প্রশাসনের কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, এবার বিশ্বের প্রায় শতাধিক দেশ থেকে ৩০,০০০ জামাত ইজতেমায় আসবে।
দুর্ভোগে মুসল্লিরা: বিশ্ব ইজতেমা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্নের জন্য ইজতেমার আয়োজক ও কর্তৃপক্ষ ব্যাপক পদক্ষেপ নিলেও মুসল্লিগণ নানা ক্ষেত্রে দুর্ভোগে পড়ছেন। বৃহত্তর জুমার নামাজের সময় অজু ও গোসলের পানির সঙ্কট দেখা দেয়। পানির সঙ্কটকে পুঁজি করে প্রতি বদনা অজুর পানি বিক্রি হয়েছে ৫ টাকা করে। যানবাহনের নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থাও ভেঙ্গে পড়ে।
দিনে চারবার বয়ান: প্রতিদিন চার ওয়াক্ত নামাজ শেষে বয়ান করা হয় বিশ্ব ইজতেমার উঁচু বয়ান মঞ্চ থেকে। এশার নামাদের পর বয়ান হয় না। প্রচার করা হয় না বয়ানকারী আলেম ওলামাদের নাম-পরিচয়। এজন্য কোন রকম আনুষ্ঠানিকতার আয়োজন থাকে না। ইজতেমায় আগত মেহমানদের জন্য বিভিন্ন ভাষার মূল বয়ান তাৎক্ষণিক বাংলা, ইংরেজি, আরবি, তামিল, চীনসহ বেশ ক’টি ভাষায় অনুবাদের ব্যবস্থা রয়েছে। মূল মঞ্চে বাংলা ভাষায় তরজমা চলতে থাকলেও খিত্তায় খিত্তায় আলাদা ভাষায় তরজমা হয়। প্রতিদিন এশার নামাজের পর মুরব্বিদের মাশয়ারার মাধ্যমে তাদের পরের দিনের করণীয় ও কে কখন বয়ান করবেন তা নির্ধারণ করা হয়।
যৌতুকহীন বিয়ে: শনিবার বাদ আছর বিশ্ব ইজতেমা মাঠের বয়ান মঞ্চে যৌতুকহীন বিয়ের আয়োজন করা হবে। হযরত ফাতেমা (রাঃ) ও হযরত আলীর (রাঃ) বিয়ের দেনমোহর অনুসারে বিনা যৌতুকে সম্পন্ন হবে বিয়ে। বর, তাদের অভিভাবক এবং কনের অভিভাবকদের উপস্থিতিতে এসব বিয়ে পড়ানো হবে। বিয়ের পর রেওয়াজ অনুযায়ী উপস্থিত দম্পতিদের স্বজন ও মুসল্লিদের মধ্যে খোরমা খেজুর বিতরণের কথা রয়েছে।
কাল আখেরি মোনাজাত: আজ ইজতেমার দ্বিতীয় দিন। আগামীকাল রোববার আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে ৪৭তম বিশ্ব ইজতেমার ১ম পর্বের আনুষ্ঠানিকতা। এরপর ২০শে জানুয়ারি ২য় পর্ব শুরু হয়ে  শেষ হবে ২২শে জানুয়ারি। ইজতেমার জিম্মাদার আবদুল কুদ্দুস জানান, মাঠে তাবলীগের মুসল্লিদের স্থান সঙ্কুলান না হওয়ায় এবং মোনাজাতে অংশ নিতে এবং তাবলিগী কাজের অসুবিধার কথা চিন্তা করেই গত বছর থেকে দু’দফায় ইজতেমার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে