Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২০ , ৭ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (8 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০১-১৪-২০১২

বান্দরবানে শনিবার সকালে একটি যাত্রীবাহী বাস গভীর খাদে

বান্দরবানে শনিবার সকালে একটি যাত্রীবাহী বাস গভীর খাদে
বান্দরবানে শনিবার সকালে একটি যাত্রীবাহী বাস গভীর খাদে পড়ে বহু হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। বেলা ১২টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ১৩ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো ৩৫ জন। মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

  জানা যায়, থানছি উপজেলা সদর থেকে পাহাড়িকা পরিবহণ নামের একটি যাত্রীবাহী বাস (চট্র মেট্রো ভ-১১-০২৭৩) বান্দরবান সদরে আসার পথে সকাল সাড়ে আটটার দিকে মেরনুন পাড়ার কাছে শিলের ঝিড়ি এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাহাড়ী গভীর খাদে পড়ে গেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

আহতদের উদ্ধার করে বান্দরবান সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। ঘটনার খবর পেয়ে বান্দরবান শহর হতে দমকল বাহিনীর দুটি ইউনিট, দুটি অ্যাম্বুলেন্স, সেনাবাহিনীর সদস্য, বিজিবি, পুলিশ রেডক্রিসেন্ট’র সদস্যরা গিয়ে হতাহতদের উদ্ধার করছে। এছাড়া স্থানীয়রাও অংশ নিয়েছে উদ্ধার অভিযানে। দুর্ঘটনাস্থল গভীর খাদ হওয়ায় হতাহতদের উদ্ধারে বেগ পেতে হচ্ছে।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বাসটি প্রায় ৫০০ ফুট গভীর খাদে পড়ে পাথরে আটকে যায়। বাসটি পাহাড়ী পথ বেয়ে উপরে উঠার সময় হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাহাড়ী খাদে পড়ে যায়। বাসটিতে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করা হয়েছিল বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা অভিযোগ করেছেন। থানছি থেকে ছেড়ে এসে বলিপাড়ায় বাসটিতে অতিরিক্তি যাত্রী উঠানো হয় বলে তারা জানান।

 

নিহতদের মধ্যে যাদের নাম পাওয়া গেছে তারা হলেন, সাবেক ইউপি সদস্য ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা উহ্লাচিং মার্মা, তার মেয়ে কিকিলু মার্মা, থানছি হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মী চিংসাঅং, এনজিও সংস্থা কারিতাসের মাঠকর্মী বিন্ট চাকমা, শ্রীকান্ত ত্রিপুরা, ফ্রান্সসিস ত্রিপুরা ও গাড়ির চালক সুভাষ দাশ।

  নিহতদের মধ্যে চারজন পর্যটকও রয়েছেন। তবে তাদের নাম এখনো পাওয়া যায়নি।

 

জেলা প্রশাসক মিজানুর রহমান ও পুলিশ সুপার কামরুল আহসান বার্তা২৪ ডটনেটকে জানান, খবর পাওয়ার পরই নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও স্থানীয়রা মিলে উদ্ধার কাজ শুরু করেছে। ঘটনাস্থল পাহাড়ি খাদ হওয়ায় উদ্ধার অভিযান চালাতে গিয়ে সমস্যা হচ্ছে।

 

থানছি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহ্ আহম্মদ বার্তা২৪ ডটনেটকে জানান, এ পর্যন্ত গভীর খাদ থেকে দুজন মহিলাসহ ১৩ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গাড়ির নিচে আরো লাশ থাকতে পারে। তল্লাশি অভিযান এখনও চলছে। বাসটিতে ৪৫ থেকে ৫০ জনের মতো যাত্রী ছিলেন বলে তিনি জানান।

 

জেলা প্রশাসক জানান, নিহতদের প্রত্যেককে পাঁচ হাজার টাকা ও ৫০০ কেজি চাল দেয়া হবে ত্রাণ বিভাগ থেকে।

 ঘটনাস্থলে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লাসহ প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনীর ঊর্ধতন কর্মকর্তা রয়েছেন।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে