Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০ , ১০ আশ্বিন ১৪২৭

গড় রেটিং: 2.6/5 (28 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৩-০৯-২০১৪

লাইক শিকারিদের আহার ব্যাধি

লাইক শিকারিদের আহার ব্যাধি

একদিকে মা বকছেন, ‘নাওয়া নেই, খাওয়া নেই ফেসবুক আর ফেসবুক!’ কিন্তু মেয়ের সে দিকে যেন কোনো খেয়ালই নেই। অনেকেই নাওয়া-খাওয়া ভুলে এভাবেই হয়তো ফেসবুক ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে তুলেছেন।

এ প্রসঙ্গে মার্কিন গবেষকেরা বলছেন, অতিরিক্ত সময় ধরে ফেসবুক ব্যবহারের কু-প্রভাব পড়ছে খাদ্যাভ্যাসের ওপর। সময়ের খাবার সময়ে খাওয়া হচ্ছে না, তৈরি হচ্ছে খাবারে অনীহা, বিশৃঙ্খলা।
গবেষকেরা দাবি করছেন, ফেসবুক ব্যবহারের কারণে যাঁদের ঠিকমতো খেতে মনে থাকছে না তাঁদের মধ্যে তৈরি হতে পারে ‘আহার-ব্যাধি’ বা ইটিং ডিসঅর্ডার।

গবেষকেরা জানিয়েছেন, সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ব্যবহার ও খাদ্যাভ্যাস নিয়ে সাম্প্রতিক এক গবেষণায় তাঁরা দেখেছেন প্রতিবার লগইন করার পর ২০ মিনিট ফেসবুকে থাকলে নারীদের ওজন যেমন বাড়ে তেমনি উদ্বিগ্নতাও বাড়তে পারে। যাঁরা দিনে একাধিকবার ফেসবুক ব্যবহার করেন এবং সব মিলিয়ে এক ঘণ্টারও বেশি ফেসবুকে কাটান তাঁরা সব ফেসবুক পোস্ট নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।

গবেষকেরা বলছেন, ঘন ঘন যাঁরা ফেসবুকে যান তাঁদের ক্ষেত্রে ছবি, ভিডিও প্রভৃতি বিষয় শেয়ার করার বেশি প্রবণতা দেখা যায়। অতিরিক্ত ফেসবুক ব্যবহারকারীদের আরেকটি বড় সমস্যা হচ্ছে খাবারে অনীহা।

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক পামেলা কে কিল সম্প্রতি ৯৯০ জন কলেজের নারী শিক্ষার্থীকে নিয়ে গবেষণা করেন। গবেষক পামেলা দেখেছেন যে, যাঁরা যতো বেশি সময় ফেসবুকে কাটান তাঁরা তত বেশি খাবারের সময়ের তালগোল পাকিয়ে ফেলেন।

যে নারী ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার পর ‘লাইক’ পাওয়ার বিষয়টিকে বেশি গুরুত্ব দেন, নিজেদের ছবি বেশি করে আন-ট্যাগ করেন এবং অন্যদের পোস্ট করা ছবির সঙ্গে নিজের ছবি মেলাতে ব্যস্ত থাকেন তাঁরাই বেশি করে আহার ব্যাধিতে পড়েন।

গবেষক পামেলা কিল বলেন, ফেসবুক বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগের মাজাদার মাধ্যম হলেও এটি নারীদের ক্ষেত্রে নতুন। এখানে দীর্ঘক্ষণ তাদের সময় কাটানোর ফলে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। ‘ইটিং ডিজঅর্ডারস’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে গবেষণা সংক্রান্ত নিবন্ধ।

এর আগেও গবেষকেরা আলাদা গবেষণায় দাবি করেছিলেন সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট অতিরিক্ত ব্যবহারে খাবারে অনীহা তৈরি হয়, খাদ্যগ্রহণে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। সাম্প্রতিক এই গবেষণায় প্রমাণ হয়েছে সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট মানুষের জীবনে প্রভাব ফেলে।

গবেষকেরা দাবি করেছেন. যাঁরা ফেসবুকে লাইক শিকারি ও মন্তব্য প্রত্যাশী হয়ে ওঠেন খাবারে অনিয়মের প্রবণতা তাঁদের বেলাতেই সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে