Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২০ , ২১ চৈত্র ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.9/5 (44 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)


আপডেট : ০৩-০৯-২০১৪

ঐশীসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

ঐশীসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

ঢাকা, ০৯ মার্চ- পুলিশ কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান এবং তার স্ত্রী স্বপ্না বেগমকে হত্যার ঘটনায় তাদের মেয়ে ঐশী রহমানসহ চারজনকে আসামি করে দুটি অভিযোগপত্র দিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ।

একটি অভিযোগপত্রে ঐশীর সঙ্গে তার বন্ধু জনি ও রনিকে আসামি করা হয়েছে। আর অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় কিশোর আদালতে বিচারের সুপারিশ করে গৃহকর্মী সুমীর বিরুদ্ধে দেয়া হয়েছে আলাদা অভিযোগপত্র।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক আবু আল খায়ের জানান, রোববার সকালে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম  আদালতে এই অভিযোগপত্র জমা দেয়া হয়।

এর আগে গত ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে অভিযোগপত্র চূড়ান্ত করে আবু আল খায়ের বলেছিলেন, “এ পর্যন্ত যতগুলো প্রমাণ পুলিশ হাতে পেয়েছে তাতে প্রতীয়মান হচ্ছে যে ঐশীই তার বাবা-মাকে হত্যা করেছে।”

গত বছরের ১৬ অগাস্ট রাজধানীর চামেলীবাগের একটি ফ্ল্যাটে এসবি পরিদর্শক মাহফুজ ও স্বপ্নার লাশ পায় পুলিশ।

পরে তাদের স্কুলপড়ুয়া মেয়ে ঐশী থানায় আত্মসমর্পণ করেন। এরপর পুলিশ ঐশীদের বাড়ি গৃহকর্মী খাদিজা খাতুন সুমী (১১) এবং বন্ধু মিজানুর রহমান রনি ও আসাদুজ্জামান জনিকে গ্রেপ্তার করে।

ও লেভেলের ছাত্রী ঐশীকে গ্রেপ্তারের পর তার বয়স নিয়ে আলোচনা উঠলে আদালতের নির্দেশে ঢাকা মেডিকেলে পরীক্ষা করে পুলিশ জানায়, ঘটনার সময় তার বয়স ১৯ এর কাছকাছি, আর সুমীর ১১।

ঐশী ও তার বন্ধুরা বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। সুমী রয়েছে গাজীপুরে কিশোরী উন্নয়ন কেন্দ্রে।

পুলিশ বলছে, সুমী খুনের সঙ্গে জড়িত না হলেও ঐশীকে সহায়তা করেছে। আর রনি ও জনি তাদের আশ্রয় দিয়ে সহযোগিতা করেছেন।

গোয়েন্দা কর্মকর্তা খায়ের বলেন, সুমী অপ্রাপ্তবয়স্ক বলে কিশোর আদালতে তার বিচারের সুপারিশ করা হয়েছে।

পুলিশের বিশেষ শাখার কর্মকর্তা মাহফুজ স্ত্রী, দুই সন্তান ও গৃহকর্মীকে নিয়ে চামেলীবাগের ওই ফ্ল্যাটে থাকতেন। যে দিন তাদের লাশ পাওয়া গিয়েছিল, তার আগের দিন বাড়ি থেকে ভাই ও গৃহকর্মীকে নিয়ে বেরিয়ে যান ঐশী।

পরদিন ভাইকে বাড়িতে ফেরত পাঠালেও নিজে আসেননি ঐশী। পরে সুমীকে নিয়ে থানায় ধরা দেন তিনি।

ঐশীর কাছে পাওয়া গয়না এবং বাসায় খুলে রেখে যাওয়া তার রক্তমাখা পোশাকে পাওয়া নমুনার ডিএনএ পরীক্ষায় হত্যাকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

তদন্ত কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, ঐশী তার বাবা-মাকে কফির সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করেছিল, পরে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে।

খায়ের বলেন, “কফির সঙ্গে যে ঘুমের ওষুধ খাওয়া হয়েছিল, তা নিহত দুজনের পাকস্থলী থেকে আলামত হিসেবে সংগ্রহ করা হয়। পরে ওই আলামতের সঙ্গে বাসার মগে পাওয়া কফির রাসায়নিক পরীক্ষায় মিল পাওয়া যায়।”

এছাড়া ঐশী নিজেই ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

আইন-আদালত

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে