Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ২১ জুলাই, ২০১৯ , ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (21 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০১-১১-২০১২

প্রস্তুত আগরতলা

প্রস্তুত আগরতলা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানাতে প্রস্তুত ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলা। ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে যোগ দিতে বুধবার ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী।
শেখ হাসিনার দুই দিনের এই সফরকে কেন্দ্র করে সব ধরনের আয়োজন শেষ করেছে ত্রিপুরা সরকার। আগরতলায় নেওয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
বৃহস্পতিবার সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শেখ হাসিনাকে সম্মানসূচক ডি লিট (ডক্টর অব লিটারেচার) ডিগ্রি দেবে। ভারতের উপ-রাষ্ট্রপতি হামিদ আনসারিও সমাবর্তনে যোগ দিতে দিল্লি থেকে আগরতলা আসবেন।

গত সেপ্টেম্বরে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের ঢাকা সফরের সময় ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার ও গভর্নর ডি ওয়াই পাতিল আনুষ্ঠানিকভাবে শেখ হাসিনাকে এই সমাবর্তনে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ পৌঁছে দেন।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ত্রিপুরা সফর দুই দেশের জনগণকে আরও কাছাকাছি আনার পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক বন্ধনকে আরো শক্তিশালী করবে বলেই মনে করে ভারত সরকার।

স্থানীয় আসাম রাইফেলস ময়দানে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনাকে গণসম্বর্ধনা দেওয়া হবে। হাসিনার এ সফরকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়বে বলেও আশা করছে ত্রিপুরার মানুষ।

শেখ হাসিনা ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীসহ উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা এবং ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ত্রিপুরা সফরের পরিকল্পনা করলেও ১৯৭৫ এ তিনি সপরিবারে নিহত হওয়ায় তা আর হয়নি। মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের ৪০ বছরের মাথায় বঙ্গবন্ধুর কন্যা এবার ত্রিপুরা সফরে যাচ্ছেন।

মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর অন্যতম সামরিক ঘাঁটি হিসেবেই শুধু নয়, ওই সময় দেড় লাখেরও বেশি বাংলাদেশি শরণার্থীকে আশ্রয় দেয় রাজ্যটি। সেখানে ১৬টি ক্যাম্পে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল মুক্তিযোদ্ধাদের।

ত্রিপুরার সঙ্গে ৮৫৭ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে বাংলাদেশে। সাংস্কৃতিক দিক দিয়েও দুই অঞ্চলের অধিবাসীদের সাদৃশ্য আছে।

২০১০ সালে এক সফরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিপু মনি রাজ্যটির দক্ষিণাঞ্চলীয় চোট্টাখোলায় স্বাধীনতা আন্দোলন স্মৃতি পার্কের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ওই পার্কে বঙ্গবন্ধুর একটি মূর্তি স্থাপন করা হবে।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে