Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই, ২০১৯ , ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.9/5 (52 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১০-০২-২০১১

টেন্ডুলকারকে কাঁপতে দেখেছেন আফ্রিদি!

টেন্ডুলকারকে কাঁপতে দেখেছেন আফ্রিদি!
নিভেই গিয়েছিল প্রায়। ছাইচাপা সেই বিতর্কের আগুনটা উসকে দিলেন শহীদ আফ্রিদি। ঢাললেন ঘি। বললেন, শোয়েব আখতারের পেসের সামনে শচীন টেন্ডুলকারের পা কাঁপতে দেখেছেন তিনি নিজেই!
আত্মজীবনী কন্ট্রোভার্সিয়ালি ইয়োরস-এর প্রকাশনা উপলক্ষে কদিন আগে ভারতে এসে এই বিতর্কের জন্ম দিয়েছিলেন শোয়েব নিজেই। টেন্ডুলকার তাঁর পেসের সামনে কাঁপতেন?এমন মন্তব্য নিয়ে শোরগোল শুরু হলে শোয়েব একটা ব্যাখ্যাও দেন। জানান, বইয়ে তিনি কেবল একটা সিরিজের কথাই উল্লেখ করেছেন, যে সিরিজে ?টেনিস এলবো?র কারণে তাঁর পেসের সামনে অস্বস্তিতে ছিলেন টেন্ডুলকার।
শোয়েবের এই ব্যাখ্যাতেও কাজ হয়নি। শেষে বিতর্কের মুখে ভারত থেকে বইয়ের মোড়ক উন্মোচন আর প্রচারণার সব আয়োজন বন্ধ করে দিতে হয়েছে শোয়েবকে। এর পর এ নিয়ে গত কিছুদিন সবাই নীরব থাকার পর মুখ খুললেন আফ্রিদি। এক্সপ্রেস ট্রিবিউনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাবেক পাকিস্তান অধিনায়ক বলেছেন, ?শোয়েব তো সত্যি কথাই বলেছে। টেন্ডুলকার ওকে আসলেই ভয় পেয়েছিল। ফিল্ডিং করার সময় আমি নিজে দেখেছি টেন্ডুলকারের পা কাঁপছে।?
প্রত্যেক ব্যাটসম্যানেরই এমন সময় আসে, যখন সে আত্মবিশ্বাসের সংকটে ভোগে। সেই সময়টায় এ রকম অনুভূতি হয় সবারই। এই ব্যাখ্যা দিয়ে ওয়ানডের দ্রুততম সেঞ্চুরির মালিক বলেছেন, ?এমন সময়ও আসে যখন ব্যাটসম্যান চাপ অনুভব করে। এমনকি সাঈদ আজমলের (পাকিস্তানের অফ স্পিনার) মুখোমুখি হওয়ার সময়ও এমনটা হয়।?
শোয়েবের পাশে এসে দাঁড়ালেও তাঁর সব কথাতেই কিন্তু সায় দেননি আফ্রিদি। যেমন ২০১১ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটিতে তখনকার অধিনায়ক আফ্রিদির কারণে দলে সুযোগ পাননি বলে লিখেছেন শোয়েব। কিন্তু আফ্রিদির দাবি, ?শোয়েবের বরং এটা মনে রাখা উচিত, ওর হয়ে আমি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও ম্যানেজারের কাছে ক্ষমা চেয়ে ওকে জাতীয় দলে ফিরিয়ে এনেছিলাম। ও যদি মিথ্যা না-ই বলে থাকে তো আমার সামনে এসে আমার চোখে চোখ রেখে বলুক। ও কিন্তু বলতে পারবে না।?
আফ্রিদি নিজেও এখন জাতীয় দলের বাইরে। একরকম অভিমান করেই অবসর নিয়ে ফেলেছেন। তাঁর জাতীয় দল থেকে সরে দাঁড়ানোর পেছনে ওয়াকার ইউনুসও ছিলেন একটা কারণ। সেই ওয়াকার নিজে কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন জিম্বাবুয়ে সফরের পর। এখন তো আফ্রিদি চাইলেই ফিরে আসতে পারেন।
এক্সপ্রেস ট্রিবিউনকে আফ্রিদি বলেছেন, ?ফিরে আসার জন্য সমর্থক আর বন্ধুদের তরফ থেকে আমার ওপর অনেক চাপ আছে। তবে পরিস্থিতির আরও উন্নতি হওয়ার অপেক্ষাই করছি। কমপক্ষে আরও এক মাস সময় নেব বিষয়টি ভেবে দেখার জন্য।? জাতীয় দলে না থাকলেও ফর্ম আর ফিটনেস ধরে রাখতে কিন্তু আলসেমি করছেন না, ?আমি কঠোর অনুশীলন করে যাচ্ছি। ব্যাটে-বলে আরও উন্নতি করার চেষ্টা করছি।?
এদিকে আফ্রিদিকে ফিরে আসার অনুরোধ জানিয়েছেন তাঁর জায়গায় দলের ভার নেওয়া মিসবাহ-উল-হকও। ?আমাকে যদি জিজ্ঞেস করেন, আমি বলব, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এখনো কয়েক বছর খেলে যেতে পারে আফ্রিদি। তবে ওর সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার ওর ওপরেই। আমি শুধু ওকে সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনার অনুরোধই জানাতে পারি??বলেছেন মিসবাহ।

ফুটবল

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে