Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২০ , ১১ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (36 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০১-০৯-২০১২

ঢাকায় ১২ মার্চ বিএনপির মহাসমাবেশ

ঢাকায় ১২ মার্চ বিএনপির মহাসমাবেশ
চট্টগ্রাম, জানুয়ারি ০৯ - বর্তমান সরকারকে ‘বিদায় করতে’ আগামী ১২ মার্চ রাজধানীতে মহাসমাবেশের ঘোষণা দিয়েছেন বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা জিয়া।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবিতে চট্টগ্রাম রোডমার্চের শেষে সোমবার বিকেলে পলোগ্রাউন্ড মাঠের জনসভায় তিনি এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

বিকাল ৩টা ৫০ এ তিনি বিএনপি চেয়ারপার্সন জনসভা মঞ্চে পৌঁছালে নেতা-কর্মী-সমর্থকরা করতালি দিয়ে তাকে অভিনন্দন জানান। তিনি বক্তৃতা শুরু করেন বিকাল পৌনে ৫টায়।

খালেদা জিয়া বলেন, “আওয়ামী লীগ সরকার তিন বছরে দেশের মানুষের জন্য কিছু করতে পারে নাই। নির্বাচনের সময় যে ওয়াদা দিয়েছিল তা তারা রক্ষা করে নাই।

বিগত চার দলীয় জোট সরকারের সময়ে দেশের দারিদ্র্য কমেছিল মন্তব্য করে খালেদা বলেন, “তাদের মুখে উন্নয়নের কথা শোভা পায় না।”

ঢাকায় মহাসমাবেশ ছাড়াও ২৯ জানুয়ারি সব বিভাগীয় শহরে গণমিছিল কর্মসূচি ঘোষণা করেন তিনি।

দুপুর সোয়া সাড়ে ১২টার দিকে মহানগর সভাপতি আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে জনসভার কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। চারদলীয় জোটের শরিক জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী এক্যজোট, জাতীয় পার্টি, এলডিপি, কল্যাণ পার্টিসহ শরিক বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীরাও এতে উপস্থিত হন।

খালেদা জিয়ার পরপরই সমাবেশ মঞ্চে ওঠেন চট্টগ্রামের মেয়র মনজুর আলম, যিনি বিএনপির সমর্থন নিয়ে বিগত সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিজয়ী হন।

চট্টগ্রামের পলোগ্রাউণ্ড মাঠে বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা জিয়ার এটিই প্রথম জনসভা। ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ১৯৯৮ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই মাঠে জনসভা করেছিলেন।

জনসভায় যোগ দিতে সকাল থেকেই ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে পলোগ্রাউন্ডে জড়ো হতে শুরু করেন চার দলের নেতাকর্মীরা। পুরো শহর আগেই সাজানো হয় তোরণ ও ডিজিটাল ব্যানার দিয়ে। যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তার পাঁচ জামায়াত নেতার মুক্তির দাবি সম্বলিত ফেস্টুন, ব্যানার নিয়ে মঞ্চের সামনের দিকে স্থান দখল করে দলটির কর্মীরা।

দুপুুর ১টার মধ্যে পলোগ্রাউন্ড কানায় কানায় পূর্ণ হলে খালেদার বক্তব্য শুনতে আসা সমর্থকরা সড়কে অবস্থান নেয়। খালেদা জিয়া মঞ্চে ওঠার পরও খণ্ড খণ্ড মিছিল ঢুকতে থাকে মাঠে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমেদ, এম কে আনোয়ার, আ স ম হান্নান শাহ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, সহসভাপতি আবদুল্লাহ আল নোমান, ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকা, এম মোরশেদ খান, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সভাপতি গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা সভাপতি জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, কারাবন্দি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর স্ত্রী ফরহাদ কাদের চৌধুরী প্রমুখ, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপি সভাপতি অলি আহমেদ, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, খেলাফত মজলিশের চেয়ারম্যান মাওলানা মুহাম্মদ ইসহাক, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যার আন্দালিব রহমান পার্থ, ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব আবদুল লতিফ নেজামী, জামায়াতে ইসলামী ভারপ্রাপ্ত আমির মকবুল আহমেদ, চট্টগ্রাম মহানগর আমীর সাংসদ মাওলানা শামসুল ইসলাম, কর্ম পরিষদের সদস্য আবদুল্লাহ মো. তাহের, মিয়া গোলাম পরোয়ার, মোহাম্মদ শাহজাহান, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সভাপতি মফিউল আলম প্রধান ও সমমনা দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা মূল মঞ্চে উপস্থিত রয়েছেন।

রোববার সকালে ঢাকা থেকে রোড মার্চ শুরু করে রাত সাড়ে ১১টায় চট্টগ্রাম পৌঁছান বিরোধী দলীয় নেতা। চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে রাত কাটান তিনি।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনে দাবিতে জনমত গড়ে তুলতে এর আগে সিলেট, চাঁপাই নবাবগঞ্জ ও খুলনা অভিমুখে রোডমার্চ করেন খালেদা জিয়া। ছয় বিভাগে রোড মার্চ করার সিদ্ধান্ত থাকলেও পরে রংপুর ও বরিশাল রোড মার্চ বাতিল করা হয়।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে