Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শনিবার, ৬ জুন, ২০২০ , ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

গড় রেটিং: 2.3/5 (26 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০১-২৯-২০১৪

বিয়ে বাড়িতে ১০টি কাজ কখনোই করবেন না

বিয়ে বাড়িতে ১০টি কাজ কখনোই করবেন না

বিয়ে জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিয়ে দুজন ব্যক্তির বন্ধন হলেও এর আনুষ্ঠানিকতার সঙ্গে জড়িত থাকে দুটি পরিবারের সদস্য, বন্ধু-বান্ধব, শুভাকাঙ্ক্ষী, সহকর্মীদের আবেগ, ভালোবাসা, শুভ কামনা। সারা পিয়াস নিউ ইয়র্কের একজন বিখ্যাত ওয়েডিং প্লানার। তাঁর মতে বিয়েতে আগত অতিথিদের ১০টি কাজ কখনোই করা উচিত নয়।

১.বিয়ের দাওয়াতে যাওয়ার সময়ে হেরফের না করা- বিয়ের পাত্রপাত্রীর পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট সময় দেওয়া হয় আমন্ত্রিত অতিথিদের । এই বিয়েকে নিয়ে বর-কনে উভয়ের নিজস্ব পরিকল্পনা আছে। তাদের সাজগোজ, বিয়ের ভেনুতে উপস্হিত হওয়া । কখনো সময়ের আগে উপস্হিত হলে বর কনের অসুবিধায় পড়তে হতে পারে।

২.ওয়েডিং স্পিস সংক্ষিপ্ত হতে হবে- সব ধর্মীয় বিয়েতেই বর-কনের উদ্দেশে মঙ্গল কামনা করে অতিথিদের মধ্য থেকে কিছু বলতে হয়। সেটা যেন ৫ মিনিটের বেশি না হয়। কোনো পূর্ব প্রস্তুতি ছাড়া ওয়েডিং স্পিস দেওয়া উচিত নয়। লোকজন বিয়েতে কথা বলতে বলতে অসংলগ্ন ও অস্বস্তিকর কথা বলতে শুরু করে। এটা এড়িয়ে চলতে হবে।

৩. কোন অতিথির সাদা পোশাক পরা উচিত নয়- সাধারণত বিয়ের কনে সাদা রংয়ের ওয়েডিং গাউন পরে থাকে, তাই অতিথিদের সাদা বা তার কাছাকাছি রঙের কোনো পোশাক পরা এড়িয়ে চলা উচিত। আমাদের দেশে অতিথিদের খেয়াল রাখতে হবে তাদের পোশাক যেন কনে বা বরের পোশাকের মতো হয়ে না যায়।

৪. খাবার পরিবেশনকারীদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা যাবে না- বিয়ের অনুষ্ঠানে দীর্ঘ সময় কাটাতে হয়। তাই ওয়েটারের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করতে হবে। তাকে টিপ দিতে হবে । সে আপনার ড্রিংকটি সুন্দরভাবে তৈরি করে দেবে। আপনাকে ভালো সার্ভিস দেবে বারম্যান।

৫. বিয়েতে মাতাল হওয়া যাবে না- একটা বিয়েতে মজা করা, হাসি-মশকরার তালে ড্রিংক করতে করতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। এ রকম দৃশ্য আমরা প্রায়ই দেখি।এ রকম মাতাল হওয়া বর-কনের জন্য যন্ত্রণাদায়ক এবং বিরক্তির কারণ হয়। মাতাল হয়ে বিয়ের পরিবেশকে নষ্ট করা যাবে না।

আরও পড়ুন: কথা দিয়ে মন জয় করবেন যেভাবে

৬. খাবার নিয়ে অভিযোগ না করা- বিয়ের খাবার অনেক সময়ই খারাপ হয় কিন্তু সারাহ পিয়াসের মতে এটা চেপে যেতে হবে। বললে বর-কনে লজ্জিত বোধ করবে। বিয়ের সময় দৃষ্টি থাকা উচিত যা কিছু ভালো সেদিকে।

৭. এককভাবে বর কনের উপর আধিপত্য বিস্তার না করা - একটা বিয়েতে যদি ২০০ অতিথিও থাকে সবার সঙ্গে কুশল বিনিময় করতে দুই মিনিট-ই যথেষ্ট। বিয়ের বর-কনেকে পরে ফোন করে বা একটা মধ্যাহ্ন ভোজের মাধ্যমে অভিনন্দন জানাতে পারেন।

৮. বিয়েতে অতিথি হয়ে গিয়ে মাত্রাতিক্ত ক্রেজিপনা না দেখানো- সব বিয়েতেই অবিবাহিত কম বয়সী তরুণীদের আগমন ঘটে। তাই বলে বিয়ের অনুষ্ঠানকেই আপনি আপনার প্রেমের স্থান বানাবেন না। ভদ্রভাবে আপনার আবেগকে সামলে নিন। যদি আপনি মনে মনে কাউকে বিয়ের কথা ভেবেও থাকেন তবে বিয়ের অনুষ্ঠানে আবেগের আতিশয্যে ভাসবেন না।

৯. তালিকাভুক্তি ছাড়া কোনো উপহার না দেওয়া - বিয়ের উপহার হিসেবে যা কিছু দেবেন তা অবশ্যই তালিকায় লেখাবেন। উপহার হিসেবে সবচেয়ে ভালো টাকা বা অর্থ। এ ক্ষেত্রে নতুন দম্পতি হানিমুনে যেতে পারে সেই টাকা দিয়ে। বা তাদের যদি কোনো লোন থাকে তা শোধ করতে পারে।

আরও পড়ুন: মনের চাপ কমাতে বন্ধ রাখুন ফেসবুক

১০. বিয়ে বাড়ি থেকে কোনো কিছু না জানিয়ে না নেওয়া – অনেক অতিথি বিয়ে বাড়ি থেকে শো পিস জাতীয় কিছু নিয়ে আসে-এটা করা যাবে না। দেখা যায় বিয়ে বাড়িতে যে ফুলদানি থাকে সেগুলো ও ওয়েডিং প্ল্যানার ভাড়া করে আনছে। বা ফুলগুলোও কোনো হাসপাতালে দেওয়ার পরিকল্পনা হয়েছে ।

 

 

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে