Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ , ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.9/5 (47 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০১-২৪-২০১৪

নাবালিকাকে ফুঁসলিয়ে ধর্ষণ ও বিয়ে, গ্রেফতার অভিযুক্তরা

নাবালিকাকে ফুঁসলিয়ে ধর্ষণ ও বিয়ে, গ্রেফতার অভিযুক্তরা

বসিরহাট, ২৪ জানুয়ারি-  দুটি পৃথক জায়গায় নাবালিকাকে ফুঁসলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ ও বিয়ে করায় এক যুবককে গ্রেফতার করল বসিরহাট থানার পুলিশ৷ ধৃতের নাম প্রশান্ত দে৷ বুধবার সে হাবড়ার মন্দিরে এক নাবালিকাকে বিয়ে করে৷ নাবালিকার নাম সুস্মিতা রায়৷ নবম শ্রেণির এই ছাত্রীর বাড়ি বসিরহাটের সবুজপল্লিতে৷ অন্যদিকে, আর এক নাবালিকাকে ‘ধর্ষণ'-এর অভিযোগ উঠল অশোকনগরে৷ অভিযোগ, মঙ্গলবার তাকে ফুঁসলিয়ে বাড়ি নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে এক যুবক৷ তার বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়ায়৷

মাসখানেক আগে দিদির বাড়িতে গিয়ে সুস্মিতার সঙ্গে আলাপ হয় তার৷ ক্রমশ সম্পর্ক গড়ায় প্রেমের দিকে৷ টিউশন পড়ার নাম করে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল সুস্মিতা৷ প্রশান্তর সঙ্গে সে হাবড়ায় চলে যায়৷ মন্দিরে বিয়েও করে৷ ছাত্রীর বাবা নারায়ণ রায় বসিরহাট থানায় মেয়েকে অপহরণের অভিযোগ দায়ের করেন৷ তাঁর মেয়েকে ফুঁসলে নিয়ে গিয়ে প্রশান্ত বিয়ে করেছে বলে অভিযোগ৷  বুধবারই গ্রেফতার হয় যুবক৷ সুস্মিতাকে তার বাবার হাতে তুলে দেওয়া হয়৷ শুক্রবার প্রশান্তকে আদালতে তোলে পুলিশ৷ স্হানীয়দের বক্তব্য, মেয়েটি স্বেচ্ছায় যুবকের সঙ্গে গিয়েছিল৷ কিন্তু আইন অনুযায়ী কোনও মেয়েকেই আঠারো বছরের কম বয়সে বিয়ে করা যায় না৷

অশোক নগরের ঘটনায় যদিও তত্ক্ষণাত্‍ কোনও অভিযোগ দায়ের করা হয়নি৷ অভিযোগের পর পুলিশ দ্রূত ওই নাবালিকার এক বান্ধবী-সহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে৷ দুই বান্ধবী মিলে আলাদাভাবে দুই যুবকের সঙ্গে একটি বাড়িতে দীর্ঘক্ষণ ছিল৷ তাই এটি ধর্ষণ না সহবাস তা নিয়ে ধন্দে পুলিশও৷

বৃহস্পতিবার ওই ছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে তপেন মজুমদার নামে এক যুবকের বিরু‌দ্ধে অশোকনগর থানায় অভিযোগ করা হয়৷ তপেনকে দ্রূত গ্রেফতার করে পুলিশ৷ জেরার পরে ওই ছাত্রীর আরও এক বন্ধু এবং বান্ধবীকে গ্রেফতার করে পুলিশ৷ গতকালই অভিযুক্তদের বারাসাত কোর্টে তোলা হয়েছে৷ তিনদিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত৷ আদালতের নির্দেশে আজ, শুক্রবার ছাত্রীর গোপন জবানবন্দি নেওয়া হবে৷ পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ছাত্রীর মেডিক্যাল রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই ধর্ষণের বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারবে পুলিশ৷ কারণ, ঘটনার দু'দিন পর কেন অভিযোগ করা হল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে৷

স্হানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য থেকেও ছাত্রীর সঙ্গে অভিযুক্ত ব্যক্তির ‘সম্পর্ক' নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে৷ কেউ কেউ জানিয়েছেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক বন্ধু এবং বান্ধবীকে নিয়ে তপেনের বাড়িতে যায় ওই ছাত্রী৷ অনেক রাত পর্যন্ত সেখানে ছিল তারা৷ পরে বাড়ির লোকের চাপে তপেনের সঙ্গে সম্পর্কের কথা স্বীকার করে ছাত্রী৷ কিন্তু ঘটনার সঙ্গে সঙ্গেই পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ জানানো হল না কেন তা নিয়ে ধন্দে পুলিশ৷ যদিও এ বিষয়ে তদন্ত শেষের আগে মন্তব্য করতে নারাজ পুলিশ আধিকারিকরা৷ কোনও স্বাভাবিক ‘সম্পর্ক'-কেও ‘ধর্ষণ' বলে চালানো হচ্ছে কি না সে নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে৷ তাই তদন্তে ফাঁক রাখতে চাইছে না জেলা পুলিশ৷

 

অপরাধ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে