Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শনিবার, ২০ জুলাই, ২০১৯ , ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.6/5 (49 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০১-২৪-২০১৪

সুলতানার সফলতার গল্প

সুফিয়া আক্তার নিপা


সুলতানার সফলতার গল্প

বর্তমান সময়ে অনেক নারীই তার পেশাজীবনকে গৎবাঁধা নিয়মের বলয়ের মধ্যে আবদ্ধ রাখছেন না। এখন আর নারীদের পেশা মানে শিক্ষক, ডাক্তার বা ব্যাংকার এমন সেকেলে চিন্তা ধারায় নেই। পেশাজীবনে নানা প্রতিযোগিতা আর প্রতিকূলতার মধ্যেও সময়ের সাথে সাথে সব পেশাতেই নারীরা সফলতার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন। তেমনই একজন সফল নারী আবিদা সুলতানা।

বর্তমানে আবিদা লালবাগ থানার অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার হিসেবে কর্মরত আছেন। প্রতিবেদকের সাথে একান্ত আলাপকালে আবিদা সুলতানা তার পেশাজীবনের দীর্ঘ পথচলার নানা কথা তুলে ধরেছেন। এ নিয়ে প্রতিবেদক সুফিয়া আক্তার নিপা'র করা প্রতিবেদনে থাকছে এর বিস্তারিত-

আবিদা সুলতানার বেড়ে ওঠা মা, বাবা এবং তার তিন বোনের মাঝেই। পরিবারে ভাই না থাকার কারণে বাবা মার কাছে অনেক স্বাধীনতা এবং সুযোগ পেয়েছেন তিনি। আবিদা সুলতানা বলেন, ”আমার বাবা মা আমাদের ছোটবেলা থেকেই আত্মনির্ভরশীল হতে শিখিয়েছেন।“

সফল এ নারী বাবা মার উৎসাহে বরাবরই ভাবতেন জীবনে ভিন্ন কিছু করবেন। যার মাধ্যমে তিনি দেশ, সমাজের মঙ্গল করতে পারবেন। চোখে এক অসাধারণ দৃঢ়তা নিয়ে তিনি বললেন, “সবসময় ভাবতাম আমি কখনো ডেস্ক জব করব না, এমন কিছু করব যার মাধ্যমে সমাজে পরিবর্তন আনতে পারব।“

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি আবিদা সুলতানা বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি)-এর সাথে ছিলেন সংশ্লিষ্ট। এ পেশায় আসায় তার বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিএনসিসি-এর শিক্ষকরা অনেক উৎসাহ দিয়েছেন। সুলতানার চোখে এ পেশায় আসার প্রথম স্বপ্নটি দেখায় তার শিক্ষকেরাই। সেই স্বপ্ন নিয়েই একদিন বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে পুলিশে যোগদান করেন তিনি। তারপর শুরু হয় এ পথচলা। দীর্ঘ দশ বছর যাবৎ এ পেশায় সফলতার সাথে পার করছেন তিনি।

নারীরাও যে চ্যালেঞ্জ নিয়ে তার পেশাজীবনে সফল হতে পারে এ ভাবনাকে বাস্তবায়ন করতেই একদিন এ পেশায় এসেছিলেন আবিদা। একসময় তিনি এ পেশায় নারীদের অবস্থানের পরিবর্তনের আশা নিয়ে পুলিশে যোগ দেন। তার কথা, ”আমি যখন এ পেশায় আসি তখন এখানে মেয়েদের অংশগ্রহণ ছিল খুবই কম। আর এখন দেখেন এ পেশায় মেয়েদের অংশগ্রহণ অনেক বেড়েছে। শুধু তাই নয়, নারীরা এ পেশায় সফলও হচ্ছেন।”

পেশাজীবনের পাশাপাশি দুই মেয়ে এবং স্বামীর সাথে অবসর সময়টুকু কাটান তিনি। সুলতানা বলেন, ”যদিও আমাদের এ পেশায় অবসরের সুযোগ খুব কম, তারপরও যখন সুযোগ পাই তখন আমার পরিবার-পরিজনদের সাথে সময় কাটাই।“
নারীদের এ পেশায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ”নারীরা এ সকল পেশায় এগিয়ে এলে নারী-পুরুষ দু'পক্ষ মিলে সমাজের নানা অচল অবস্থার পরিবর্তন আনা সম্ভব।“

সাক্ষাৎকার

আরও সাক্ষাৎকার

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে