Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২০ , ৭ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.8/5 (37 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০১-২১-২০১৪

ব্যারিকেড ভাঙলো আপ, পুলিশের লাঠিচার্জ

ব্যারিকেড ভাঙলো আপ, পুলিশের লাঠিচার্জ

নয়াদিল্লি, ২১ জানুয়ারি- আপ এর সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের হাতাহাতিতে খন্ডযুদ্ধের চেহারা নিল ধর্নাস্থল l ব্যারিকেড ভাঙাকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও আপের সমর্থকদের ধ্বস্তাধ্বস্তি শুরু হয়ে যায় l পরিস্থিতি সামাল দিতে লাঠি চার্জ করতে হয় পুলিশকে l লাঠিচার্জের পাল্টা হিসেবে আপের সমর্থকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি করে l এদিকে আপ নেতা কেজরিওয়াল ধর্না চালিয়ে যাওয়ার অবস্থানেই অনড় রয়েছেন l এমনকি যন্তরমন্তরে ধর্না স্তানান্তরের প্রস্তাবেও নারাজ তিনি l
অন্যদিকে, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর দাবি মানা হবে না জানিয়ে দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুশীলকুমার শিন্ডে৷ দিল্লি পুলিশের পাঁচ কর্মীকে সাসপেন্ড করার যে দাবি অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও তাঁর মন্ত্রীরা তুলেছেন তা কেন্দ্র মানবে না কোনওমতেই৷ দিল্লিতে কেজরিওয়ালের ধরনার দ্বিতীয় দিনেই এ-কথা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী৷ তবে তাতে একচুল টলানো গেল না বিদ্রোহী মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে৷

বিদ্রোহী তকমাটি গায়ে লাগাতে যে কেজরির বিন্দুমাত্র অসুবিধা নেই তা বোঝা গেল আজ সকালে কেজরির পদক্ষেপেই৷ কেন্দ্রের বিরু‌দ্ধে দাবি জোরদার করতে আজ দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী নির্দ্বিধায় সরকারি কর্মীদের বলেন, অফিস কামাই করে ধরনায় যোগ দিতে৷ কাজ আগে না মুখ্যমন্ত্রী আগে–এই দোলাচলে ভুগে অবশেষে গুটিগুটি পায়ে হাজির হন ধরনাস্থলে৷ জায়গাটা দিল্লির রেলভবনের সামনেই৷ দিল্লি পুলিশের পাঁচ কর্মীর সাসপেনশনের দাবিতে এখানেই গতকাল দুপূর থেকে ধরনা শুরু করেন মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল, তাঁর মন্ত্রীরা এবং আম আদমি পার্টির প্রায় ২০০ সমর্থক৷ আজ সেই ধরনা ২৪ ঘণ্টা পার করে প্রবেশ করল দ্বিতীয় দিনে৷ কিন্তু, এটুকু সময়ের মধ্যেই দিল্লির আপ-মুগ্ধতা বিলকুল উড়ে গিয়েছে৷ উল্টে দিল্লিবাসীদের প্রতিক্রিয়ায় স্পষ্ট, আপ-এর হুজ্জোতিতে তিতিবিরক্ত তাঁরা৷ সকাল থেকে সরকারি দফতরগুলির অধিকাংশ বিভাগই ছিল ফাঁকা, ফলে বিভিন্ন্ দফতরে জরুরি কাজের প্রয়োজনে আসা সাধারণ মানুষকে চূড়ান্ত ভোগান্তির শিকার হতে হয়৷ আপ সমর্থকরা বন্ধ করে দেয়, পাঁচটি মেট্রোস্টেশনও৷ খোদ সরকারের বিদ্রোহে অচল হয়ে পড়ে অর্ধেক বাস-অটোও৷ ফলে অফিস, রেলস্টেশন, বাস টার্মিনাল-সর্বত্রই তৈরি হয় বিশৃঙ্খলা৷ সামনেই ২৬ জানুয়ারি৷ দিল্লিতে প্রস্তুতি তুঙ্গে৷
এদিন সাধারণতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানও ভেস্তে দেওয়ার হুমকি দেন কেজরিওয়াল৷

সকাল থেকেই মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মতো রেলভবনের সামনে হাজিরা দিতে শুরু করেন সরকারি দফতরের কর্মীরা৷ দিল্লি পুলিশ ভিতরে অবশ্য ঢুকতে দেয়নি সরকারি কর্মীদের৷ এদিকে, নির্দেশ অমান্য করে ফিরে যাওয়ারও উপায় নেই৷ বাধ্য হয়ে ঠান্ডার মধ্যে সকাল থেকে টানা দাঁড়িয়ে থেকেছেন সরকারি কর্মীরা৷ যত বেলা বেড়েছে ভিড় জমেছে ধরনার ঘেরাটোপের বাইরে৷ তাতে অবশ্য কেজরির একেবারে লাভ হয়নি–তা নয়৷ বরং রাজনীতিকদের মতো, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী এই ভিড় দেখিয়েই চাপ সৃষ্টি করছেন কেন্দ্র এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুশীলকুমার শিন্ডের উপর৷

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আক্রমণ করে কেজরি বলেন, "উনি কে দিল্লিকে নিয়ন্ত্রণ করার? দিল্লি পুলিশকে নিয়ন্ত্রণ করার? শিন্ডে কি নিজেকে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ভাবছেন? দিল্লিতে কোনও সমস্যা হলে কি মানুষ ওঁর কাছে যাবে না আমার কাছে? উনি কেন নিয়ন্ত্রণ করবেন দিল্লি পুলিশকে? দিল্লি পুলিশ থাকবে দিল্লি সরকারের অধীনে৷"
আম আদমি পার্টির এই ধরনা-বিক্ষোভকে অনেকেই লোক-দেখানো কেন্দ্র বিরোধিতা হিসাবে দেখছেন৷

দক্ষিণ এশিয়া

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে