Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২০ , ৭ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.4/5 (25 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০১-২১-২০১৪

ফুটপাতে রাত কাটালেন মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল

ফুটপাতে রাত কাটালেন মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল

নয়াদিল্লি, ২১ জানুয়ারি- ফের আন্দোলনের ঢেউ রাজধানীর রাজপথে৷প্রণেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল৷ কদিন আগেও দুর্নীতির বিরুদ্ধে একই ভাবে আন্দোলন চালিয়েছেন তিনি৷ কিন্তু এখন তাঁর প্রোফাইলে যোগ হয়েছে নতুন পালক৷ তিনি এখন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী৷তবে দাবি পূরণে চেনা ছক থেকে তিনি যে এখনও বেরননি তা আরও একবার প্রমাণ করে দিলেন আম আদমির কাণ্ডারী৷প্রমাণ করলেন তিনি এখনও আম আদমি৷দিল্লি পুলিশের নিয়ন্ত্রণ ভার রাজ্য সরকারের হাতে তুলে দেওয়া ও তিন পুলিুশকর্মীকে বরখাস্ত করার দাবিতে আন্দোলনে নেমে ফুটপাতে শুয়ে রাত কাটালেন তিনি৷
মুখ্যমন্ত্রীর শরীর অনেক দিন ধরেই ভালো নেই৷সর্দি-কাশি আর জ্বরে আক্রান্ত তিনি৷তাসত্ত্বেও নিজের অবস্থান থেকে একচুলও সরে আসেননি কেজরি৷কম্বল জড়িয়ে শুয়ে থাকলেন রেলভবন লাগোয়া ফুটপাতে৷ মধ্যরাত পর্যন্ত জেগে ছিলেন তিনি৷তার পর দু’চোখের পাতা এক করলেও, ফের কাক ডাকার আগে উঠে পড়েন কেজরিওয়াল৷ভোরের আলো ফোটার আগেই আক্রমণ শানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুশীল কুমার শিণ্ডেকে৷তিনি বলেন, ‘দিল্লিতে যখন একের পর এক অপরাধ হচ্ছে, মহিলারা নিরাপত্তার অভাবে ভুগছেন,তখন কী ভাবে নিশ্চিন্তে ঘুমচ্ছেন শিণ্ডে? আমরা ওঁকে ঘুমাতে দেব না৷’ শিণ্ডের বিরুদ্ধে একনায়কতন্ত্র চালানোর অভিযোগও আনেন মুখ্যমন্ত্রী৷ বলেন, দিল্লির পথে তাঁর সঙ্গে রাত কাটানো সাধারণ মানুষগুলোকে ন্যূনতম পরিষেবাও দেননি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী৷ এখানে একটা শৌচাগারও নেই৷ গতকাল রেলভবনের একটা শৌচালয় ব্যবহার করতে দেওয়া হলেও, আজ তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে৷গত ২৪ ঘ্ণ্টা ধরে বিক্ষোভ মঞ্চে তাঁর সঙ্গে রয়েছেন ছয় মন্ত্রী-সহ ২০০ জন কর্মীসমর্থক৷ অথচ, ভিতরে জল-খাবার আনার অনুমতিটুকুও দিচ্ছেনা পুলিশ প্রশাসন৷সকাল খারাপ আবহাওয়া উপেক্ষা করে আন্দোলনে যোগ দিতে আসছেন শয়ে শয়ে মানুষ৷এদিকে, মঙ্গলবার সকাল পৌনে আটটা নাগাদ রেল ভবনের সামনে ব্যারিকেড ভাঙতে যান স্বয়ং দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল।এই মুহূর্তে রাইসিনা রোডে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন তিনি। ২৬ জানুয়ারির মধ্যে দিল্লি পুলিসের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের হাত থেকে দিল্লি সরকারের হাতে তুলে না দিলে প্রজাতন্ত্র দিবসের পর লক্ষ মানুষ দিল্লির রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানাবেন বলে হুমকি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। অন্যদিকে, সকাল থেকেই নিরাপত্তার ঘেরাটোপে ঘিরে ফেলা হয়েছে রাজধানী। পুলিসের পাশাপাশি রয়েছে আধাসামরিক বাহিনী। নিয়ে আসা হয়েছে জল কামান।
এদিকে, আপের সমালোচনায় সামিল কংগ্রেস-বিজেপে৷ ক্ষমতায় এসে কাজ না করে অরবিন্দ  তামাশা করছেন বলে তোপ দাগেন তারা৷

দক্ষিণ এশিয়া

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে