Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ১৯ জুলাই, ২০১৯ , ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.2/5 (52 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০১-০৭-২০১২

বাংলাদেশকে অগ্রাধিকারভুক্ত দেশের মর্যাদা দিতে আগ্রহী ভারত

বাংলাদেশকে অগ্রাধিকারভুক্ত দেশের মর্যাদা দিতে আগ্রহী ভারত
নয়া দিল্লি, ৬ জানুয়ারি: দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশকে ‘অগ্রাধিকারভুক্ত দেশের মর্যাদা’ দিতে আগ্রহী ভারত। শুক্রবার দিল্লিতে এক সম্মেলনে এ কথা জানালে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পালানিয়াপান চিদাম্বরম। খবর প্রেস ট্রাস্ট অফ ইনডিয়ার।

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় অঞ্চলের ব্যবসা বিষয়ক এক শীর্ষ সম্মেলনে বক্তৃতাকালে চিদাম্বরম বলেন, ‘‘প্রাকৃতিক সম্পদ বিশেষত গ্যাস সম্পদের আশীর্বাদে ভরপুর বাংলাদেশ, আর ভারতের আছে প্রচুর শিল্পোদ্যোক্তা ও পুঁজি।’’

পি চিদাম্বরম জানান, ভারত চায় দু’দেশের মধ্যে পুঁজির চলাচল নিশ্চিত হোক।

তিনি বলেন, ‘‘বাংলাদেশ ও ভারত হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করলে এ অঞ্চল দুনিয়ার ব্যবসাকেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে।’’

চিদাম্বরম বলেন, “একত্রে কাজ করলে দু’দেশের সীমান্তে ব্যাপক ব্যবসা-বাণিজ্য সম্ভব। আমি মনে করি, ব্যবসায়ীদের প্রতি বাংলাদেশ ও ভারতের নজর দেয়া গুরুত্বপূর্ণ এবং এমন একটি বাজার সৃষ্টি করা প্রয়োজন যেখানে পণ্য ও সেবার উৎপাদন, বাণিজ্য ও বিনিময় হবে।”

“আর সে কারণেই আমরা বাংলাদেশকে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেশের মর্যাদা দিতে চাই, যাতে দু’দেশের সীমান্তে ট্যারিফ ফ্রি বাণিজ্য ব্যবস্থা গড়ে ওঠতে পারে”- বলেন চিদাম্বরম।

তিনি বলেন, “বাংলাদেশকে বিষয়টি আমাদের বোঝাতে হবে।”

ভারতীয় বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, “ভারতের অর্থনীতি যেহেতু বাংলাদেশের অর্থনীতি থেকে অনেক বড় সেহেতু নয়া দিল্লিরই উচিত বাংলাদেশী পণ্য ও সেবা প্রবেশের অধিকার দেয়া।”

তিনি বলেন, “ঢাকা-নয়া দিল্লি বাণিজ্য শুরু করার দায়িত্ব ভারতেরই।”
 
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসা করে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে এখন সবচেয়ে ভালো সম্পর্ক বিরাজ করছে।”

চিদাম্বরম বলেন, “আমি শেখ হাসিনার রাষ্ট্র পরিচালনার দক্ষতা ও প্রজ্ঞার প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক এখন এতো ঘনিষ্ঠ, যা ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতার সময়।”
 
তিনি বলেন, “ভারত ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের সঙ্গে বেশ কিছু চুক্তি করেছে। সীমান্ত ও ছিটমহল চুক্তি তার মধ্যে অন্যতম।” ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্য বিশেষ করে, আসাম, ত্রিপুরা, মেঘালয় এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীদের সহযোগিতার কারণেই তা সম্ভব হয়েছে বলে জানান তিনি।

চিদাম্বরম বলেন, “দু’দেশের মধ্যে আরো দু’একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু অমীমাংসিত রয়ে গেছে। ২০১২ সালের মধ্যে এগুলো নিষ্পত্তি করা সম্ভব।”

মিয়ানমারের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “দেশটির সঙ্গে এক সময় ভারতের সম্পর্ক ছিল খুব জটিল। কিন্তু মিয়ানমারে নতুন সরকার আসার পর অনেক পরিবর্তন হয়েছে। দেশটি এখন অধিক খোলামেলা ও সমস্যা সমাধানে অধিক আগ্রহী।”
 
“মিয়ানমার যদি সঠিক পথে চলে, আমি বিশ্বাস করি দেশটি তা করবে, তাহলে দুই/তিন বছরের মধ্যে ভারতের সঙ্গে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়ে ওঠবে।”

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে