Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ , ৩১ ভাদ্র ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (37 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০১-১০-২০১৪

তৈরি পোশাকের রপ্তানি বেড়েছে ১৯.৯৬ শতাংশ

তৈরি পোশাকের রপ্তানি বেড়েছে ১৯.৯৬ শতাংশ

ঢাকা, ১০ জানুয়ারি- রাজনৈতিক অস্থিরতা সত্ত্বেও তৈরি পোশাক রপ্তানি বাড়ছে। চলতি ২০১৩-১৪ অর্থবছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) এক হাজার ১৯৩ কোটি ২২ লাখ মার্কিন ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে। দেশীয় মুদ্রায় যা ৯৫ হাজার ৪৪০ কোটি টাকা (এক ডলার=৮০ টাকা হিসাবে)।

পোশাকশিল্পের এই রপ্তানি আলোচ্য সময়ে এক হাজার ১২৭ কোটি ডলারের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫ দশমিক ৯৬ এবং গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ১৯ দশমিক ৯৬ শতাংশ বেশি। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে এই শিল্পের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ২১, চার মাসে ১৮ দশমিক ৯৬ ও পাঁচ মাসে ২০ দশমিক ৭৪ শতাংশ ছিল।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) গতকাল বৃহস্পতিবার প্রকাশিত রপ্তানির হালনাগাদ পরিসংখ্যান থেকে পোশাকশিল্পের ভালো প্রবৃদ্ধি হওয়ায় বিষয়টি জানা যায়। এ কারণেই দেশের মোট পণ্য রপ্তানির চিত্র ইতিবাচক ধারায় অব্যাহত আছে। যদিও পোশাকের পাশাপাশি চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাদুকা ও সিরামিক পণ্য ছাড়া অন্য খাতগুলোতে প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়নি।

আলোচ্য সময়ে মোট রপ্তানি আয় হয়েছে এক হাজার ৪৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার, যা এক হাজার ৪২৪ কোটি ৬৫ লাখ ডলারের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে তিন শতাংশ বেশি। একই সঙ্গে তা গত অর্থবছরের প্রথমার্ধের চেয়ে ১৬ দশমিক ৪৭ শতাংশ বেশি।

চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধে পোশাকশিল্প থেকেই সর্বোচ্চ এক হাজার ১৯৩ কোটি ডলার রপ্তানি আয় হয়েছে। এর মধ্যে ওভেন পোশাক থেকে সর্বোচ্চ ৫৯৮ কোটি ডলার আয় হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১১ শতাংশ ও গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ২০ দশমিক ৩৭ শতাংশ বেশি।

অন্যদিকে নিট পোশাক খাত থেকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫৯৪ কোটি ডলার রপ্তানি আয় হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০ শতাংশ ও গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ২০ দশমিক ৩৭ শতাংশ বেশি।

এদিকে তৈরি পোশাক রপ্তানি বাড়লেও পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি আয় গত কয়েক মাসের মতোই নিম্নমুখী আছে। আলোচ্য সময়ে এই খাত থেকে ৪১ কোটি ৬৪ লাখ ডলার রপ্তানি আয় হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৩ দশমিক ৩৭ ও গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ১৭ শতাংশ কম। এর মধ্যে কাঁচা পাট পাঁচ কোটি ৯০ লাখ, পাটের সুতা ২৪ কোটি ৮২ লাখ ডলার ও পাটের ব্যাগে আট কোটি ৬১ লাখ ডলার আয় হয়েছে।

এ ছাড়া হিমায়িত খাদ্যে ৩৭ কোটি ৭৪ লাখ, হোম টেক্সটাইলে ৩৫ কোটি, কৃষিজাত পণ্যে ২৬ কোটি, চামড়ায় ২৩ কোটি ৯৪ লাখ, চামড়াজাত পণ্যে নয় কোটি ৪৯ লাখ, প্লাস্টিক পণ্যে তিন কোটি, টেরিটাওয়ালে তিন কোটি ৮০ লাখ, প্রকৌশলপণ্যে ১৭ কোটি, বাইসাইকেলে চার কোটি, পাদুকায় ২৮ কোটি ও সিরামিক পণ্যে দুই কোটি ৪৩ লাখ ডলার রপ্তানি আয় হয়েছে।

টানা ১১ মাস লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থতার পর গত জুলাই মাসে দেশের রপ্তানি আয় ইতিবাচক ধারায় ফেরে। তবে আগস্ট মাসেই তা পুরোনো চিত্রে ফিরে যায়। অবশ্য পরের মাস থেকে আবার লক্ষ্যমাত্রা ও প্রবৃদ্ধি অর্জিত হতে থাকে।

তবে বিকেএমইএর সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম সম্প্রতি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ‘দু-তিন মাস পর থেকেই আমরা রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা থেকে পিছিয়ে যেতে শুরু করব। এমন পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে কমপক্ষে এক বছর আমাদের সংগ্রাম করতে হবে।’ তিনি বলেন, রাজনৈতিক অস্বস্তিকর পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা না গেলে রপ্তানি আয়ের ধস ঠেকানো যাবে না।

ব্যবসা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে