Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই, ২০১৯ , ১ শ্রাবণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (46 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০১-১০-২০১৪

কক্সবাজারের পর্যটনশিল্পে চরম বিপর্যয়

কক্সবাজারের পর্যটনশিল্পে চরম বিপর্যয়

কক্সবাজার, ১০ জানুয়ারি- রাজনৈতিক সহিংসতা, টানা অবরোধ ও হরতালের কারণে কক্সবাজারে পর্যটনশিল্পে চরম বিপর্যয় নেমে এসেছে। গত এক বছর ধরে অব্যাহত লোকসানের কারণে অর্ধশত হোটেল, রেস্তোরাঁ, গেস্ট হাউস ও পর্যটন স্পট ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে। খবর সময় টেলিভিশনের।

জানা গেছে, পর্যটনের ভর মৌসুম হলেও লাগাতার হরতাল ও সহিংসতার কারণে কক্সবাজার এখন পর্যটকশূন্য। অন্যান্য বছর নববর্ষ বরণ করতে এ পর্যটন শহরে কয়েক লাখ পর্যটকের সমাবেশ হলেও এবারে কোনো পর্যটক আসেননি। ফলে পর্যটন খাতে প্রতিদিন শতকোটি টাকা লোকসান গুণছেন ব্যবসায়ীরা।

কক্সবাজার চেম্বার অ্যান্ড কমার্সের সভাপতি মোহাম্মদ আলী বলেন, গত মৌসুমের শুরু থেকে লাগাতার হরতাল ও সহিংসতার কারণে পর্যটকরা আসতে সাহস পাচ্ছেন না। এতে হোটেল-মোটেল ও গেস্ট হাউসগুলোতে হাহাকার অবস্থা। পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা এখানে হাজার হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করে এখন লোকসান গুনছেন। প্রতিদিন শতকোটি টাকা লোকসান হচ্ছে। সে হিসাবে গত এক বছরে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা লোকসান হয়েছে।

হোটেল সি গার্লের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরুল ইসলাম সিদ্দিকী রুমি জানান, দুটি পর্যটন মৌসুমে কোনো ব্যবসা হয়নি। শিগগিরই দেশের এই রাজনৈতিক সংকট সমাধান হবে বলে মনে হচ্ছে না। ফলে একান্ত বাধ্য হয়ে হোটেলের অর্ধেক কর্মচারী ছাঁটাই করতে হয়েছে।

ভিস্তা বে রিসোর্ট গেস্ট হাউসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল্লাহ হাসান মিঠু জানান, এক মাস আগে তিনি একটি রেস্টুরেন্ট বন্ধ করে দিয়েছেন। এখন শতাধিক শ্রমিক-কর্মচারী ছাটাই করে হোটেলটিও সাময়িক বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তারকা মানের হোটেল ওসান প্যারাডাইসের চেয়ারম্যান এমএন করিম জানিয়েছেন, ব্যাংক ঋণ নিয়ে হোটেল চালু করে এখন পথে বসার উপক্রম হয়েছে। মাস শেষে ঋণের কিস্তি ও কর্মচারীর বেতন পরিশেষে কূল-কিনারা পাচ্ছি না।

কক্সবাজার হোটেল-গেস্ট হাউস মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি ওমর সোলতান জানিয়েছেন, অর্ধশতাধিক আবাসিক হোটেল, রেস্টুরেন্ট, কটেজ ও গেস্ট হাউস বন্ধ হয়ে গেছে। অন্য সব প্রতিষ্ঠানের সিংহভাগ কর্মচারী ছাঁটাই করে নামমাত্র খোলা রাখা হয়েছে। চাকরি হারিয়েছেন ১০ হাজারের বেশি শ্রমিক-কর্মচারী। পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত নিম্ন আয়ের ব্যবসায়ীরাও দিন অতিবাহিত করছেন অনাহারে-অর্ধাহারে।

হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাসেম সিকদার বলেন, পর্যটনশিল্পকে বাঁচাতে হলে সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের জন্য বিশেষ রেয়াত সুবিধা দিতে হবে।

পর্যটন

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে