Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২০ , ৯ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.4/5 (9 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০১-০৩-২০১২

টঙ্গীতে নিজস্ব কারখানা করবে কোকা-কোলা

টঙ্গীতে নিজস্ব কারখানা করবে কোকা-কোলা
ঢাকা, জানুয়ারি ০২ - বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো নিজস্ব কারখানা খুলতে যাচ্ছে বিশ্বখ্যাত কোমল পানীয় উৎপাদক সংস্থা কোকা-কোলা।

বিনিয়োগ বোর্ডের চেয়ারম্যান এস এ সামাদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, ২০১৩ সালের মধ্যে ৫ কোটি ডলার বিনিয়োগের জন্য কোকা-কোলা এরই মধ্যে বিনিয়োগ বোর্ডে নিবন্ধন করেছে।

বর্তমানে আবুল মোমেন লি. ও প্রাণ গ্র“প কোকা-কোলার সঙ্গে চুক্তির ভিত্তিতে বাংলাদেশে এ পানীয় বোতলজাত করছে।

বিনিয়োগ বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, কোকা-কোলা বাংলাদেশে নিজস্ব কারখানা বসালে ৩৭৬ কোটি টাকার বিদেশি মূলধন আসবে। স্থানীয় উৎস থেকে তারা আরও ৩৭ কোটি ৫০ লাখ চলতি মূলধন সংগ্রহ করবে।

২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে এ কারখানা উৎপাদনে আসবে। টঙ্গীর এ কারখানা থেকে কোকা-কোলা, ¯প্রাইট, ফান্টা, জুস ও বোতলজাত খাবার পানি উৎপাদন করা হবে।

এ কারখানা থেকে বছরে ৯০০ কোটি টাকার ২২ কোটি ২০ লাখ বোতল পানীয় উৎপাদন করবে কোকা-কোলা।

বাংলাদেশে ব্যবসা বিস্তারের জন্য ২০০৯ সালে ৫ কোটি ১০ লাখ ডলার বিনিয়োগ করার একটি প্রস্তাব দেয় কোকা-কোলা। এরপর ২০১০ সালে আরেকটি প্রস্তাবে তারা বাংলাদেশে একটি আধুনিক কারখানা গড়ে তোলার আগ্রহের কথা জানায়।

দ্বিতীয় প্রস্তাবে বলা হয়, তারা নিজস্ব মালিকানাধীন একটি স্থানীয় সহযোগী প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবে, যার মাধ্যমে বাংলাদেশে পানীয় উৎপাদন কারখানা করা হবে।

জমি কেনা, কারখানা গড়ে তোলা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় অনুমোদন, নিবন্ধন ও অনুমতি সংগ্রহ করে বাংলাদেশে কারখানা স্থাপনের জন্য তিন বছর সময় লাগবে উল্লেখ করে প্রস্তাবে বলা হয়, সহযোগী প্রতিষ্ঠানের পুরো মূলধন কোকাকোলার বিদেশি উৎস থেকে যোগানো হবে।

বাংলাদেশে বোতলজাত কোকা-কোলা প্রথম আসে পাকিস্তান আমলে। পাকিস্তানি মালিকানাধীন তাবানি বেভারেজের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে ১৯৬৫ সালে পূর্ব পাকিস্তানে ব্যবসা শুরু করে কোকা-কোলা। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর তাবানি বেভারেজ চলে আসে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের মালিকানায়। ২০০৮ পর্যন্ত তারাই বাংলাদেশে কোকা-কোলার ব্যবসা চালায়।

বহুজাতিক কোম্পানি কোকা-কোলা তাবানির কাছে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পানীয়ের ঘনিভূত উপাদান বিক্রি করতো। তাবানি তা থেকে কোমল পানীয় উৎপাদন ও বোতলজাত করে তা বাজারে ছাড়তো।

১৯৭৮ সালে তাবানিকে উৎপাদন ক্ষমতা বাড়াতে বলে কোকা-কোলা। কিন্তু তাবানি তা না পারায় কোকা-কোলা কর্তৃপক্ষ আবুল মোনেম গ্র“পের সঙ্গে চুক্তি করে। এতে ঢাকা ও রাজশাহীতে কোকা-কোলার বিভিন্ন পণ্য বাজারজাত করার স্বত্ব পায় তাবানি। চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে বাজারজাত করার স্বত্ব যায় মোনেম গ্র“পের কাছে।

সে সময় কোম্পানি দুটি কেবল কাচের বোতলে পানীয় বাজারজাত করতো। ২০০১ সালে আব্দুল মোনেম প্লাস্টিকের (পেট) বোতলে কোকা-কোলা ব্র্যান্ডের বিভিন্ন পানীয় বাজারে আনে।

তাবানি বেভারেজ কোকা-কোলার শর্ত অনুযায়ী কারখানার মানোন্নয়ন এবং বর্জ্য পরিশোধনাগার (ইটিপি) তৈরি করতে না পারায় ২০০৮ সালে তাদের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে কোকা-কোলা।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে