Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২০ , ৪ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.9/5 (7 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০১-০৩-২০১২

পর্নোগ্রাফি: সর্বোচ্চ সাজা ১০ বছর

পর্নোগ্রাফি: সর্বোচ্চ সাজা ১০ বছর
ঢাকা, জানুয়ারি ০২ - পর্নোগ্রাফি তৈরি, সংরক্ষণ, পরিবহন ও বাজারজাতকরণ নিষিদ্ধ করে সর্বোচ্চ ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ডের বিধান রেখে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।

এছাড়া কক্সবাজারের সোনাদিয়ায় গভীর সমুদ্রবন্দর স্থাপনে ‘সোনাদিয়া গভীর সমুদ্রবন্দর কর্তৃপক্ষ আইন ২০১১’ এর খসড়াও নীতিগত অনুমোদন পেয়েছে।

সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এ বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের বিস্তারিত জানান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন

আজাদ বলেন, “পর্নোগ্রাফি একটি সামাজিক ব্যাধির মতো সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে পড়েছে। এ থেকে যুব সমাজ এবং নিরীহ নারীদের সম্ভ্রম রক্ষা করতে এ ধরনের তৎপরতা প্রতিরোধ ও নির্মূলের জন্য নতুন এ আইন তৈরি করা হয়েছে।”

তিনি জানান, এ আইন পাস হলে পর্নোগ্রাফি উৎপাদন বা তৈরি, সংরক্ষণ, পরিবহন ও বাজারজাতকরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হবে। আইন ভাঙলে বা তাতে সহযোগিতা করলে সর্বোচ্চ ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান করার কথা বলা হয়েছে আইনের খসড়ায়।

এ আইনের আওতায় বিচার হবে বিশেষ আদালত বা ট্রাইব্যুনালে।

এছাড়া পর্নোগ্রাফির বিষয়ে মিথ্যা তথ্য দেওয়া এবং মিথ্যা মামলার জন্যও শাস্তির বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে খসড়ায়। এসব অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

সোনাদিয়া গভীর সমূদ্রবন্দর কর্তৃপক্ষ আইন

প্রেস সচিব জানান, জাপানি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান প্যাসিফিক কনসালট্যান্ট ইন্টারন্যাশনাল (পিসিআই) বঙ্গোপসাগরের নয়টি স্থানের ওপর সম্ভাব্যতা জরিপ চালিয়ে কক্সবাজারের সোনাদিয়াকে গভীর সমুদ্রবন্দর স্থাপনের উপযুক্ত স্থান হিসেবে সুপারিশ করেছে। এর ভিত্তিতেই তৈরি করা হয়েছে এ আইনের খসড়া।

এতে বলা হয়, সোনাদিয়ায় গভীর সমুদ্রবন্দর স্থাপিত হলে বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের হলদিয়া ও কলকাতা বন্দরসহ ওই দেশের উত্তরাঞ্চলের সাতটি রাজ্যের আমদানি-রপ্তানি সহজ ও সুবিধাজনক হবে। মিয়ানমার ও চীনের ইউনান প্রদেশের পণ্য পরিবহনেও এই বন্দর ভূমিকা রাখতে পারবে।

“৯৬ জেটির এ বন্দর হলে বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় এলাকার ৪০ কোটি মানুষের চাহিদা মিটবে।”

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব বলেন, আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া শেষ করে আগামী বছর থেকে এ বন্দরের নির্মাণ কাজ শুরু করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ধাপে ধাপে ২০৫৫ সাল পর্যন্ত নির্মাণ কাজ চলবে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬০ হাজার কোটি টাকা।

এর আগে আশির দশকে দেশি-বিদেশি কয়েকটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে গভীর সমুদ্রবন্দর স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই করে। আর ২০০৬ সালের ১২ জুলাই প্যাসিফিক কনসালট্যান্ট ইন্টারন্যাশনালকে (পিসিআই) এ কাজের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়।

আজাদ জানান, চলতি বছর জাতীয় সংসদের প্রথম বৈঠকে রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান যে ভাষণ দেবেন তার সংক্ষিপ্ত ও বিস্তারিত খসড়া মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদন করা হয়েছে। সংক্ষিপ্ত ভাষণটি রাষ্ট্রপতি নিজে পাঠ করবেন এবং বিস্তারিত ভাষণটি সংসদে টেবিলে উপস্থাপন করা হবে।

এছাড়া ‘বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১১’ এর খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন এবং ‘সার্ক কনভেনশন অন কো-অপারেশন অন এনভায়রনমেন্ট’ এবং ‘চার্টার অব দ্য এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি’ অনুসমর্থনের প্রস্তাবও অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে