Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২০ , ৯ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০১-০৮-২০১৪

সময় হলেই জামায়াতের সঙ্গ ত্যাগ করবে বিএনপি

সময় হলেই জামায়াতের সঙ্গ ত্যাগ করবে বিএনপি

ঢাকা, ০৮ জানুয়ারি- দীর্ঘ দিনের রাজনৈতিক মিত্র জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গ ত্যাগ করার ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রধান বিরোধী দল বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

১৯৯৮ সালের চারদলীয় জোটে জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে সরকার গঠন এবং বর্তমান আন্দোলনের প্রধান সঙ্গী হিসেবে থাকলেও অদূর ভবিষ্যতে এ দলটির সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক ত্যাগ করার আভাস দিয়েছেন তিনি।

সোমবার মার্কিন দৈনিক নিউইয়র্ক টাইমসের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে খালেদা জিয়া এমন ইঙ্গিত দেন।

কবে জামায়াতের সঙ্গ ত্যাগ করবেন- এমন প্রশ্নে খালেদা জিয়া বলেন, ‘জামায়াতের সঙ্গে আমাদের কোনো স্থায়ী জোট নেই। এই মুহূর্তে আমি পারছি না, কিন্তু যখন সময় আসবে তখন দেখা যাবে।’

নির্বাচন পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিএনপিকে ‘সহিংসতা’ এবং ‘জঙ্গি’ জামায়াতকে ছেড়ে সংলাপে আসার আহ্বান জানান। তিনি আরো বলেন, ‘যতদিন না বিএনপির কাঁধে জামায়াত থাকবে ততদিন কোনো গঠনমূলক আলোচনা সম্ভব নয়।’

সোমবার বিবিসি বাংলাকে দেয়া আরেক সাক্ষাৎকারে বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কথার উত্তরে বলেন, ‘তিনি (প্রধানমন্ত্রী) নির্দেশনা দিতে পারেন না। তিনিও জামায়াতের সঙ্গে ছিলেন। তিনি জামায়াতের সঙ্গে ক্ষমতা ভাগের কথাও ভেবেছিলেন। আমরা তার নির্দেশনা অনুযায়ী পার্টি চালাবো না। আমরা একটি স্বাধীন পার্টি। সুতরাং আমরা আমাদের পার্টি নিজেদের পন্থাতেই চালাবো।’

এই বিষয় নিয়ে বিএনপির অন্য নেতাদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা হলে কেউই কথা বলেননি। যদিও যুদ্ধাপরাধ ইস্যু এবং সাম্প্রতিক সহিংসতার পর বিএনপির কিছু নীতিনির্ধারক জামায়াতকে নিজেদের মিত্র ভাবতে সাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। তারা জানান, জামায়াতকে দল থেকে বাদ দেয়ার ব্যাপারে কিছু অনানুষ্ঠানিক আলোচনা হয়েছে। কিন্তু তারা কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেননি।

খালেদা জিয়া আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমটিকে আরো বলেন, ‘আমরা আলোচনার জন্য প্রস্তুত, কিন্তু তাদেরকে প্রথমে অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে হবে। সিনিয়র নেতারা কারাগারে রয়েছেন। অনেক কর্মীও কারাগারে। অন্য সিনিয়র নেতারা আত্মগোপনে। সরকারকেই পরিবেশ স্বাভাবিক করতে হবে।’

উল্লেখ্য, যুদ্ধাপরাধী দল ও দলীয় গঠনতন্ত্র সংবিধান বিরোধী হওয়ায় রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন উচ্চ আদালত। বিষয়টির এখনো আইনি সুরাহা হয়নি। কিন্তু অনেকে বলছেন, এটা একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। সুতরাং ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ চাইলেই জামায়াতকে আইন করে নিষিদ্ধ করতে পারে। কিন্তু এ প্রসঙ্গটি সব সময়ই এড়িয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা।

 

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে