Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ , ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.9/5 (142 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০১-০৮-২০১৪

আওয়ামী লীগের ভোটই পায়নি আওয়ামী লীগ!

আলম দিদার


আওয়ামী লীগের ভোটই পায়নি আওয়ামী লীগ!

ঢাকা, ০৮ জানুয়ারি- নবম সংসদ নির্বাচনে রংপুর-৬ আসনে মোট ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৯১ ভোটের মধ্যে নৌকা প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৭২ হাজার ৮৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছিলেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। তবে এবার দশম সংসদ নির্বাচনে ওই আসনে ২ লাখ ৬২ হাজার ৭৩৫ ভোটের মধ্যে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৬৯৯ ভোট পেয়ে ফের নির্বাচিত হয়েছেন শেখ হাসিনা।

তবে গতবার তিনি বিএনপির প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিশাল ভোটের ব্যবধানে জয় পান আর এবার জয় পান জাপা প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচন করে। তবে নবম সংসদ নির্বাচনের চেয়ে দশম সংসদ নির্বাচনে তার ভোটের শতকরা হার ও অংকের হিসাবে দু’টির সূচকই নিম্নমুখী।

গতবার ওই আসনে ভোটের হার শতকরা ৭৮ ভাগ হলেও এবার ভোটের হার নেমে দাঁড়িয়েছে ৬৯ দশমিক ৬১ ভাগ। আর এবার মোট ভোটারের সংখ্যা ২৩ হাজার ৮৪৪ বাড়লেও গতবারের চেয়ে তার ভোটপ্রাপ্তির সংখ্যাও কমেছে। নবম সংসদ নির্বাচনের চেয়ে তার প্রাপ্ত ভোটের চেয়ে তিনি ২৩ হাজার ৩৮৮ ভোট কম পেয়েছেন।  

শুধু রংপুর-৬ আসনে নয়, ভোটের সামগ্রিক হার কমেছে সারাদেশে। নবম সংসদ নির্বাচনে সারাদেশে ৩শ আসনে ভোটের হার শতকরা ৮৭ দশমিক ১৩ ভাগ হলেও ১৪৭ আসনে এবার ভোটের হার ছিল শতকরা ৩৯ দশমিক ৬৬ ভাগ। যদিও নির্বাচন কমিশন ঘোষিত এ সংখ্যা নিয়েও শুরু হয়েছে বিতর্ক। নির্বাচনী পর্যবেক্ষক সংস্থা ‘ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপ’ এর দাবি দশম সংসদ নির্বাচনে ভোট পড়েছে শতকরা ৩০ দশমিক ১০ শতাংশ।

তবে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত সোমবার গণভবনে নির্বাচনোত্তর এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনে এতো কম সংখ্যক ভোট প্রদানেও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘জনগণ যে ভোট দিয়েছেন তাতেই খুশি হয়েছি। তাতে আমরা সন্তুষ্ট।’  

পরিসংখ্যান বলছে, নবম সংসদ নির্বাচনে ৩শ আসনের মধ্যে ২৬৬ আসনে প্রার্থী দিয়ে ২৩০টি আসনে জয় লাভ করে আওয়ামী লীগ। ৮ কোটি ১০ লাখ ভোটারের মধ্যে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা পেয়েছিলেন ৩ কোটি ৩৬ লাখ ৩৪ হাজার ৬২৯ ভোট। মোট ভোটের হার যেখানে ছিল শতকরা ৮৭ দশমকি ১৩ ভাগ সেখানে আওয়ামী লীগ একাই পেয়েছিল শতকরা ৪৮ দশমিক ০৪ ভাগ।

আর দশম সংসদ নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছে শতকরা ৩৯ দশমিক ৬৬ ভাগ। সে হিসাবে আওয়ামী লীগ গত নির্বাচনে বিএনপির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে যে পরিমাণ ভোট পেয়েছিল, এবার বিএনপিসহ সংখ্যাগরিষ্ট দলবিহীন নির্বাচন করেও তাদের নিজের ভোটের হারকেও টপকাতে পারেনি।

এমনকি গতবার যেসব কেন্দ্রে ভোট পেয়েছিল এবং বেশ কিছু কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিল সেরকম ৪২টি কেন্দ্রে কোনো ভোটই পড়েনি। আবার এসব আসনের বেশ কয়েকটিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জয়ীও হন। ওইসব এলাকায় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কমিটি বিদ্যমান থাকার পাশাপাশি ভোটগ্রহণের যাবতীয় প্রস্তুতিও ছিল নির্বাচন কমিশনের।

তাহলে প্রশ্ন উঠেছে, এসব কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের ভোটার গেল কই? নবম সংসদ নির্বাচনের চেয়ে দশম সংসদ নির্বাচনে ভোট প্রদানের সূচক নিম্নমুখী হওয়ায় একটি প্রশ্নই সামনে আসছে- তাহলে আওয়ামী লীগকে ভোট দেয়নি আওয়ামী লীগই!

গতবার ২৩০ আসনে নিয়ে ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্টতা অর্জনকারী আওয়ামী লীগ এবার স্থগিত ৮ আসন ছাড়া ১৪৭টি আসনের মধ্যে ১০৫টিতে জয় লাভ করেছে। এছাড়া ওই ৩৯ দশমিক ৬৬ ভাগ ভোটের মধ্যে রয়েছে জাতীয় পার্টির ১৩ জন, জাসদের ২ জন, ওয়ার্কার্স পার্টির ২ জন, তরিকতের ১ জন, বিএনএফের ১ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ১৩ জন। আর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ১৫৩ আসনের কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা না থাকায় এসব আসনে ভোটই হয়নি।

ফলে বাকি ১৪৭ আসনে ভোট পড়েছে ৩৯ দশমিক ৬৬ ভাগ। সংখ্যা হিসাবে এ নির্বাচনে ভোট দিয়েছে ১ কোটি ৭০ লাখ ২৮ হাজার ভোটার। এসব আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা ৪ কোটি ৩৯ লাখ ৩৮ হাজার ৭৫৪ জন।

নির্বাচনের ফলাফল পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে মোট ভোটার ৯ কোটি ১৯ লাখ ৬৫ হাজার ৯৭৭ জন। ১৫৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় ওইসব আসনে ৪ কোটি ৮০ লাখ ভোটারের কেন্দ্রে যাওয়ার প্রয়োজন হয়নি। এছাড়া ভোট হওয়া ১৪৭টি আসনে ৪ কোটি ৩৯ লাখ ৩৮ হাজার ৭৫৪ ভোটারের মধ্যে স্থগিত হওয়া কেন্দ্রগুলোর ভোটসংখ্যা বাদেই ভোট দিয়েছেন প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ ২৯ হাজার ভোটার। প্রায় আড়াই কোটি ভোটার ভোট দেয়া থেকে বিরত ছিলেন। সব মিলিয়ে ৭ কোটির বেশি ভোটারের সমর্থন ছাড়াই দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার ভোট হওয়া ১৪৭ আসনে ৪ কোটি ৩৯ লাখ ৩৮ হাজার ৭৫৪ ভোটারের মধ্যে স্থগিত হওয়া কেন্দ্রগুলোর ভোটসংখ্যা বাদেই এ নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ ২৯ হাজার ভোটার। যা ১৪৭ আসনের মোট ভোটের শতকরা ৩৯ দশমিক ৬৬ ভাগ। তবে স্থগিত কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা হলে এই হার আরো বাড়বে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

নবম সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিল ৩৮টি রাজনৈতিক দল। আর এবার অংশগ্রহণ করেছে ১৪টি। তবে এর মধ্যে জাপা, বিএনএফ, জেপি (মঞ্জু) ও ইসলামী ফ্রন্ট ছাড়া অংশগ্রহণকারী অন্যদলগুলো নৌকা প্রতীক নিয়েই নির্বাচন করে।

নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থা ইলেকশন ওয়াকিং গ্রুপের প্রতিবেদন অনুযায়ী দশম সংসদ নির্বাচনে ২০০১ সালের নির্বাচনে ভোট প্রদানের হার ছিল ৭৪ দশমিক ৩৭ শতাংশ এবং ২০০৮ সালে ছিল ৮৭ দশমিক ১৩ শতাংশ, তবে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৩০ দশমিক ১০ শতাংশে।

সংস্থাটি আরো বলছে, ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের দিন সকাল ১০টায় ভোট প্রদানের হার ছিল ৫ দশমিক ৯ শতাংশ। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরবর্তী আড়াই ঘণ্টায় অর্থাৎ সাড়ে ১২টায় ভোট প্রদানের হার তিনগুণ বেড়ে হয় ১৭ দশমিক ৯ শতাংশ। সাড়ে তিন ঘণ্টা পর অর্থাৎ বিকেল ৪টায় ভোটগ্রহণের শেষ সময়ে ভোটের হার পাঁচগুণরেও বেশি হয়ে দাঁড়ায় ৩০ দশমিক ১০ শতাংশে।

রাজনীতি বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের তাত্ত্বিক কোনো দাঁড়িপাল্লা নেই কারো কাছে। প্রধান বিরোধী দল অংশ না নিলে ওই নির্বাচন যেমন গ্রহণযোগ্য নয় তা বলা যায় কি না তা নিয়ে সরকার পক্ষ থেকে যেমন এটির স্বপক্ষে যুক্তি রয়েছে, তেমনি বিরোধী দলের পক্ষ থেকে এ নির্বাচনের বিরোধী বক্তব্য রয়েছে। ১৯৯৬ সালের ভোটারবিহীন নির্বাচন নিয়ে বিএনপি নেত্রী যে যুক্তি দিয়েছিলেন তেমনি ২০১৩ সালের ভোটারবিহীন নির্বাচনেও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী একই যুক্তি দিচ্ছেন।

নির্বাচনকালীন সরকারের যোগাযোগমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মঙ্গলবার বিকেলে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হয়নি একথা বলা যাবে না। তবে নির্বাচন সর্বগ্রাহ্য হয়নি। বিরোধী দল এ নির্বাচনকে সীমাবদ্ধতায় এনে দিয়েছে।’

সংখ্যাগরিষ্ট রাজনৈতিক দলের মধ্যে দিয়ে সরকার এককভাবে নির্বাচন করলেও নির্বাচনে উপস্থিতির এমন চিত্রই এই নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক ও রাজনীতি বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, ‘গত নির্বাচনে যেখানে ৮৭ ভাগের বেশি ভোট পড়েছিল। সেখানে এবার এই সংখ্যা ৪০ ভাগেরও কম। এমনকি গতবার আওয়ামী লীগ একাই প্রায় ৪৮ ভাগের বেশি ভোট  পেলেও এবার মোট ভোটের সংখ্যাই ওই ঘর পার করতে পারেনি। এরমধ্যে দিয়ে বুঝা যাচ্ছে, দেশের সংখ্যাগরিষ্ট মানুষ এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেনি। সরকার নির্বাচন দিয়ে সাংবিধানিক বাধ্যকতা রক্ষা করলেও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে পারেনি।’

এই রাজনীতি বিশ্লেষক বলেন, ‘ভোটের দিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত যে পরিমাণ ভোট প্রদানের হার ছিল, দুপুরের পর থেকে বিকেলের মধ্যে নির্বাচন কমিশন সেটিকে যে পরিমাণ দেখিয়েছে তাতে অবিশ্বাস্য মনে হয়েছে। মাঠের বাস্তব চিত্র দেখে মনে হচ্ছে না শতকরা ৪০ ভাগ ভোট পড়েছে। অনেক আওয়ামী লীগ সমর্থকই এবার ভোট দিতে যায়নি বলে মনে হয়।’

তবে আওয়ামী লীগের ভোটারই আওয়ামী লীগকে ভোট দেয়নি এমন কথা মানতে নারাজ সাবেক নির্বাচন কমিশনার ও রাজনীতি বিশ্লেষক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম শাখাওয়াত হোসেন।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের রাজনীতিতে মোট ভোটারের শতকরা ৭০ ভাগ ভোটার প্রধান দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির। এরমধ্যে হয়তো ৩ থেকে ৫ ভাগ বেশি হবে আওয়ামী লীগের। আর এবার যে ৪০ ভাগ ভোট পড়েছে বলে নির্বাচন কমিশন দাবি করছে তার মধ্যে সবাই যে আওয়ামী লীগের ভোটার তা ঠিক নয়।’

তিনি বলেন, ‘গত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ যে ৪৮ ভাগ ভোট পেয়েছিল তাদের মধ্যে সবাই আওয়ামী লীগের ভোটার নয়। এরমধ্যে দুদল্যমান ভোটারও ছিল অন্যতম। এবার তারা নির্বাচনে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ থেকে বিরত ছিলেন। এছাড়া বিরোধী দলের নির্বাচন প্রতিরোধের ঘোষণায় সারাদেশের ভোট কেন্দ্রগুলোতে সহিংসতার ঘটনাও ভোটার উপস্থিতিতে একটা নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।’

সাবেক নির্বাচন কমিশনারও প্রশ্ন তোলেন যেসব কেন্দ্রে একটিও ভোট পড়েনি সেখানকার আওয়ামী লীগের ভূমিকা নিয়ে। তিনি বলেন, ‘তাহলে কি ওইসব এলাকায় কোনো আওয়ামী লীগের ভোটার ছিল না? এসব বিষয়ে তদন্ত করলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে। কেন কোনো ভোটার ৪২টি কেন্দ্রে একটিও ভোট দিতে যায়নি।’

নির্বাচন ফলাফল যাই হোক, সামগ্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অগ্রহণযোগ্য বলে মনে করেন সুশাসনের জন্য নাগরিক ‘সুজন’ এর সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার।

তিনি বলেন, ‘ভোটকেন্দ্রে আগুন, ব্যালট বাক্স ছিনতাই, সহিংসতা ও প্রাণহানীর মধ্যে ১৪৭ আসনে যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে সেদিক থেকে নির্বাচন বলা গেলেও এর গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। রোববারের নির্বাচনে নিয়মরক্ষা হলেও সংসদীয় গণতন্ত্রে এটি কিছু যোগ করেনি। ভোটের হিসাবে নির্বাচন কমিশন শতকরা যতভাগ ভোটের হারই দেখানোর চেষ্টা করুক না কেন দেশের সংখ্যাগরিষ্ট জনগণ এই নির্বাচনে ভোট প্রদান থেকে বিরত ছিলেন তা স্পষ্ট। তাই এই নির্বাচনের ওপর খুশিতে সরকারি দল গা ভাসিয়ে না দিয়ে আরেকটি নির্বাচন দিয়ে মূলধারার রাজনৈতিক দলগুলো, বিশেষ করে প্রধান প্রধান দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করবে এটাই হবে প্রধান কাজ।’

তিনি আরো বলেন, ‘নির্বাচনে অনেক এলাকায় খোদ আওয়ামী লীগের সমর্থকরাই ভোট দিতে যায়নি। যার বড় প্রমাণ দেশের বিভিন্নস্থানে ৪২টি কেন্দ্রে কোনো ভোটই পড়েনি। তার মানে কি এসব এলাকায়  আওয়ামী লীগের কোনো ভোটার ছিল না? এছাড়া এবার তরুণ যেসব ভোটাররা আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছিল তারা এবার ভোট দিতে যায়নি। এই অংশটি ভোটের অংকের হিসাব এলোমেলো করে দিয়েছে। ভোটের হার দেখেই সরকারকে খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়া উচিৎ।’

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে