Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২০ , ১০ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.9/5 (157 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০১-০৮-২০১৪

আটকের আগে সেলিমা রহমান যা বলেছেন

আটকের আগে সেলিমা রহমান যা বলেছেন

ঢাকা, ০৮ জানুয়ারি- মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গুলশানের নিজ বাসভবন থেকে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমানকে আটক করা হয়। আটকের পূর্বে তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে যা বলেছিলেন তা হুবহু পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-

প্রিয় সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা,
আসসালামু আলাইকুম।

বর্তমান আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকার ও মেরুদণ্ডহীন নির্বাচন কমিশন কর্তৃপক্ষ গত ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দেশ-বিদেশে বিতর্কিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন এ দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষ অত্যন্ত ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করায় বিএনপি চেয়ারপার্সন, জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী, ১৮ দলীয় জোট নেতা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে দেশবাসী, ১৮ দলীয় জোটের সব পর্যায়ের নেতা-কর্মী এবং আপনাদের সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

সুপ্রিয় সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা,
৫ জানুয়ারীর প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী আওয়ামী সশস্ত্র সন্ত্রাসী এবং যৌথবাহিনীর সদস্যরা দলীয় বাহিনীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে যে নারকীয় তাণ্ডব ও গুলি চালিয়ে ১৮ দলীয় জোটের ২৪ জন নেতা-কর্মীকে নির্মম ও পৈশাচিকভাবে হত্যা করেছে তা নজীরবিহীন। আওয়ামী সন্ত্রাসী এবং যৌথবাহিনী নামধারী যারা এসব হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তারা কি এ দেশের মানুষ নাকি ভিন গ্রহ থেকে আসা কোনো পাষণ্ড জন্তু তা জাতি জানতে চায়। নির্বাচন অনুষ্ঠানের পর যৌথ বাহিনীর সহযোগিতায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী পাণ্ডারা ঝিনাইদাহ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বিএনপির নেতা-কর্মীদের প্রায় ৪০টি বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। তা ছাড়া হবিগঞ্জ ও নোয়াখালীসহ সারা দেশে বিএনপি ও ১৮ দলীয় জোটের নেতা-কর্মীদের বাড়িঘরে হামলা ও গণগ্রেপ্তার অব্যাহত আছে। বিশষ্টি আইনজীবী, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা, সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি সুপ্রিম কোর্ট বারের বর্তমান সহসভাপতি অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলনও বিএনপির আনন্তর্জাতিক সম্পাদক সাবেক এমপি নাজিমউদ্দিন আলম ও নাজিম উদ্দিন আহমেদ এমপিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ছাড়া সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় বিএনপিসহ ১৮ দলীয় জোটের তিন শতাধিক নেতা-কর্মীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। মুক্তিযুদ্ধের তথাকথিত চেতনা নিয়ে যারা বড় বড় বুলি আওড়ায় তাদের হাতে আজ দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র, গণতান্ত্রিক অধিকার, মত প্রকাশের স্বাধীনতা নামক শব্দগুলোর মৃত্যু ঘটেছে।

বন্ধুরা,
আপনারা জানেন, দেশবাসী জানে, দেশের বিভিন্ন আসনে জাল ভোট প্রদানের প্রকাশ্য হিড়িক এবং কেন্দ্র দখলে পেশিশক্তির উন্মত্ততা দেখে ২৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী ৫ জানুয়ারির পাতানো নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছেন। শুধু তাই নয় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে জালভোট দেওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে তিনজন সহকারি প্রিসাইডিং অফিসারকে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দুই বছর করে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। পাবনায় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর গুণ্ডা ছেলে তার দলবল নিয়ে একাই ৪৫০টি জালভোট প্রদানের খবর, বিভিন্ন জেলায় ৬৪টি ভোটকেন্দ্রে একটিও ভোট কাস্ট না হওয়া এবং সর্বত্র পেশিশক্তি ব্যবহার করে কেন্দ্র দখলের মাধ্যমে জালভোট দেওয়ার কাহিনী, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও ভোট কেন্দ্রে নিয়োজিত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সন্ধ্যায় ব্যালট পেপার দিয়ে বাক্স ভর্তি করার চমকপ্রদ তথ্য গতকাল ফলাও করে প্রতিটি জাতীয় দৈনিকে প্রধান শিরোনাম হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে। ঠাকুরগাঁও জেলায় কোনো নির্বাচনী কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হয়নি। কিন্তু প্রিসাইডিং এবং সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ও আওয়ামী সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা ভোটের বাক্স বাসায় নিয়ে গিয়ে ভর্ত্তি করে তা রিটার্নিং অফিসারের নিকট জমা দেওয়ার খবরও আমরা নিশ্চিত হয়েছি।

গতকাল প্রকাশিত দেশের অধিকাংশ জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত হয়েছে যে, ভোটগ্রহণ চলাকালীন দুপুর ১টা পর্যন্ত শতকরা ৫ শতাংশের বেশি ভোট কাস্ট হয়নি, অথচ দুপুর ২টা থেকে ৪টার মধ্যে ভোটার উপস্থিতি না থাকা সত্ত্বেও ভোটের বাক্স কিভাবে শতকরা ৪০ থেকে ৫০ ভাগে উন্নীত হলো, এ প্রশ্ন সবার। এ যেন আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপকেও হার মানিয়েছে। কুমিল্লা ৬ আসনের তিনটি নির্বাচনী কেন্দ্রের ভোটের ফলাফল দিয়েই প্রকৃত ভোটের ঘটনা জাতির নিকট উপস্থাপন করছি। কেন্দ্র নং-৯৯ ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, ভোটার সংখ্যা ২৫৫৮, নেৌকা প্রতীক পেয়েছে ৫৫, স্বতন্ত্র পেয়েছে ৩ ভোট। কেন্দ্র -ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড গার্লস হাইস্কুল, ভোটার সংখ্যা ৩৫৩৮, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৩১, স্বতন্ত্র পেয়েছে ১ ভোট। কেন্দ্র ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড বয়েজ হাই স্কুল, ভোটার সংখ্যা ৩৬০, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৬, স্বতন্ত্র পেয়েছে ৩ ভোট। কুমিল্লা ৬ আসনের চিত্র দেখলেই বোঝা যায়-যেকোনো রাজনৈতিক দলের প্রভাবমুক্ত হওয়ার কারণে সেখানে যে ভোট হয়েছে তা সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ। ক্যান্টনমেন্ট এলাকার কারণেই সেখানে কোনো রাজনৈতিক দল প্রভাব খাটাতে পারেনি, আর সেই কারণেই সেখানে ভোট হয়েছে প্রভাবহীন। আমরা মনে করি সারা দেশেই এই একই ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু সরকার অন্যান্য এলাকার নির্বাচনের ফলাফলকে কারচুপির মাধ্যমে পাল্টিয়ে দিয়েছে। এই সমস্ত ঘটনায় প্রমানিত হলো বর্তমান নির্বাচন কমিশন একটি সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ ও প্রভাবমুক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠানে কেবল ব্যর্থই হয়নি বরং নির্বাচন কমিশন নিজেদের আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবেই প্রমাণ করেছে। নির্লজ্জ, বিবেকবর্জিত, মিথ্যাবাদী, ক্ষমতালিপ্সু ও অর্থলোলুপ নির্বাচন কমিশনের অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত।

সরকারের কর্তাব্যক্তিরা বলছে-'ভোট সুষ্ঠু হয়েছে, আমরা সন্তুষ্ট, ভোটারের উপস্থিতি ছিল ব্যাপক, ৫০ থেকে ৬০ ভাগ ভোট পড়েছে, নির্বাচন কমিশন বলছে-কয়েকটি কেন্দ্র ছাড়া সারা দেশেই ভোটের পরিস্থিতি সন্তোষজনক।" আমরা বলছি-'৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত বিতর্কিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন গোটা জাতি ও সম্মানিত ভোটারদের সাথে প্রতারণাপূর্ণ তামাশার মাধ্যমে একটি নাটকেরই অবতারণা করা হয়েছে। মিথ্যাচারেরও একটা সীমা পরিসীমা থাকে, কিন্তু ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত আওয়ামী নীলনকশায় দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে সরকারের মন্ত্রী, আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ ও নির্বাচন কমিশন চরম মিথ্যাচারের যে শেষ সীমানা অতিক্রম করেছেন তাতে দেশবাসী হতবাক কিংবা বিস্মিত হয়নি, কারণ ক্ষমতারোহণের পর থেকে ক্রমাগত নির্জলা মিথ্যা বলার জন্যই দেশবাসী ভালোভাবেই বুঝতে পেরেছে বর্তমান আওয়ামী শাসক দল ও বর্তমান নির্বাচন কমিশন একটি মিথ্যাবাদী ও প্রতারণাকারী গোষ্ঠী। মিথ্যাচার ও প্রতারণার জন্য যদি নোবেল পুরস্কারের ব্যবস্থা থাকতে তাহলে বর্তমান শাসকগোষ্ঠী ও তাদের আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশনই নোবেল পুরস্কারের জন্য সর্বাগ্রে মনোনীত হতো।

সারা দেশে ভোটার উপস্থিতি ছিল না, বড়জোর ভোটার উপস্থিতি ছিল ৩ থেকে ৫ শতাংশ।" ৫ জানুয়ারির প্রশ্নবদ্ধি একপেশে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ফলে যে অরাজক ভোট ডাকাতি, কেন্দ্র দখল, জালভোট প্রদানের মহা ঊৎসব, প্রশাসনের প্রকাশ্য সহযোগিতায় ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় যে দৃশ্য গোটা জাতির নিকট উপস্থাপিত হয়েছে তার ফলে বিএনপি চেয়ারপার্সন ও ১৮ দলীয় জোট নেতা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের দাবিতে চলমান আন্দোলন শতভাগ যেৌক্তিক বলে দেশবাসী ও বিশ্ববাসীর নিকট প্রমাণিত হয়েছে। এই সরকারের অধীনে এবং সরকারের আশীর্বাদপুষ্ট বশংবদ নির্বাচন কমিশন দ্বারা কোনো দিনই সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ, বিশ্বাসযোগ্য ও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান করা সম্ভব নয়। তাই অবিলম্বে সরকারের পদত্যাগের মাধ্যমে দেশে একটি স্থিতিশীল ও শান্তিময় পরিবেশ দেখতে চায় গোটা জাতি।

জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কমনওয়েলথ, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যসহ সব বন্ধুপ্রতীম রাষ্ট্র ও সংস্থা ৫ জানুয়ারির প্রহসনের নির্বাচন নিয়ে তাদের নিজ নিজ দেশ, সংস্থা ও জনগণ হতাশাব্যঞ্জক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন এবং অবিলম্বে আলোচনার মাধ্যমে সুষ্টু, অবাধ, নিরপেক্ষ, প্রভাবমুক্ত, সকল দলের অংশগ্রহণমূলক সবার নিকট গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য উদ্যোগী হতে আহ্বান জানিয়েছেন।

নির্বাচনোত্তর সারা দেশে আওয়ামী সন্ত্রাসের যে হোলিখেলা দেশবাসী প্রত্যক্ষ করেছে তাতে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ঘরবাড়ি পোড়ানো, জান-মালের ক্ষতির পাশাপাশি আওয়ামী লীগের নিজেদেরই আত্মবিবাদে গতকাল সাত ব্যক্তির প্রাণহানি ঘটেছে। আমরা হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুরসহ যেকেনো সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা এবং ধর্মীয় ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিতে দেশবাসীকে সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। বিএনপিসহ ১৮ দলীয় জোটের সব পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের উসকানিমূলক যেকোনো পরিস্থিতিতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সুরক্ষার জন্য এলাকাভিত্তিক পাহারার ব্যবস্থা করে তা প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা পালনের জন্য বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে আহ্বান জানাচ্ছি।

বন্ধুরা,
গতকাল প্রদত্ত প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে জাতি সম্পূর্ণরূপে হতাশ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে সন্ত্রাস হিসেবে আখ্যায়িত করে কঠোর হস্তে দমনের যে হুমকি দিয়েছেন তাতে বর্তমান পরিস্থিতিকে আরো জটিল, অসহিঞ্চু ও অস্থিতিশীল করে তুলবে বলে দেশবাসী মনে করে। প্রধানমন্ত্রী তাঁর মন্ত্রী পরিষদের সদস্য ও আওয়ামী নেতাদের হলফনামায় স্বীকৃত অবৈধ উপায়ে অর্জিত তাদের সম্পদের হিসাব সম্পর্কে যে উত্তর দিয়েছেন তাতে জাতি কেবল বিস্মিত হয়নি, দুর্নীতিকে আরো বেশি উৎসাহিত ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে বলে দেশবাসী মনে করে।

সাংবাদিক বন্ধুরা,
বিএনপি চেয়ারপার্সন ও ১৮ দলীয় জোট নেতা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে ৫ জানুয়ারি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারা দেশে যৌথ বাহিনী ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলায় যেসব নেতা-কর্মী গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে শহীদ হয়েছেন তাদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং তাদের পরিবার পরিজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সহমর্মিতা জানাচ্ছি। হাজার হাজার আহত নেতা-কর্মীর আশু সুস্থতা কামনা করছি। পাশাপাশি গ্রেপ্তারকৃত নেতা-কর্মীদের প্রতিও সহমর্মিতা প্রকাশ করছি। এ ছাড়া সরকার কর্তৃক শত বাধা বিপত্তি ও প্রবল চাপের মধ্যে থেকেও ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ আহরণ ও তা জনসম্মুখে প্রকাশ করার যে নির্ভিক সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন সে জন্য সব সাংবাদিক ভাই-বোন ও সংবাদ সংশ্লিট সবাইকে দেশবাসী ও  ১৮ দলীয় জোট নেতা বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

বর্তমান অবৈধ আওয়ামী লীগ সরকারের অবিলম্বে পদত্যাগ ও নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে দেশব্যাপী চলমান অবরোধ কর্মসূচির পাশাপাাশি হরতালকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সমর্থন ও সাফল্যমণ্ডিত করায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে দেশবাসীকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। পাশাপাশি চলমান আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের জন্য বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনসহ ১৮ দলীয় জোটের সব পর্যায়ের নেতা-কর্মীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। গণতন্ত্র এবং জনগণের বিজয় এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।॥

 

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে