Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০ , ৯ আশ্বিন ১৪২৭

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৮-০৯-২০২০

আইসিওএম'র বাংলাদেশ কমিটির চেয়ারপারসন হলেন সুফি মোস্তাফিজ

আইসিওএম'র বাংলাদেশ কমিটির চেয়ারপারসন হলেন সুফি মোস্তাফিজ

ঢাকা, ০৯ আগস্ট- ইন্টারন্যাশনাল কাউন্সিল অব মিউজিয়ামস এর বাংলাদেশের জাতীয় কমিটির চেয়ারপারসন নির্বাচিত হয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. সুফি মোস্তাফিজুর রহমান।

ইন্টারন্যাশনাল কাউন্সিল অব মিউজিয়ামস বিশ্বব্যাপী একটি প্রতিষ্ঠান। ১৯৪৬ সালে এ প্রতিষ্ঠানটি গঠিত হয়। বিশ্বের ১৪১টি দেশ এ প্রতিষ্ঠানের সদস্য। ইউনেস্কোর এ প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বব্যাপী জাদুঘরবিদদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, বিশ্ব ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি রক্ষা এবং গবেষণায় মূখ্য ভূমিকা পালন করে।

সুফি মোস্তাফিজুর রহমান এই সফলতায় অভিনন্দন জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম।

এ বিষয়ে সুফি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এটা আমার জন্যে খুবই গর্বের ব্যাপার। বিশ্বের ১৪১টি দেশ এই সংগঠনের সদস্য। আমার লিডারশিপে আমি চেষ্টা করব বাংলাদেশের জাদুঘরগুলোতে একটা বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসতে। আমাদের জাদুঘরগুলোতে বহু ঘাটতি রয়েছে। আমার চেষ্টা থাকবে কীভাবে জাদুঘরগুলোকে গবেষণা কর্মকাণ্ডের সঙ্গে দৃঢ়ভাবে যুক্ত করা যায়। 

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ ও সহযোগিতার সম্পর্ক স্থাপন করা যায়। আমার একার পক্ষে এটা সম্ভব নয়। যদি আমার সহকর্মীরা এবং বাংলাদেশ সরকার আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করে, তাহলেই একটা ভালো পরিবর্তন সম্ভব।

রবিবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ থেকে পাঠানো এক অভিনন্দন বার্তায় উপাচার্য ফারাজানা ইসলাম বলেন, অধ্যাপক ড. সুফি মোস্তাফিজুর রহমানের ইন্টারন্যাশনাল কাউন্সিল অব মিউজিয়ামস এর বাংলাদেশের জাতীয় কমিটির চেয়ারপারসন নির্বাচিত হওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য সম্মান ও গৌরবের। 

উপাচার্য আশা প্রকাশ করেন যে, অধ্যাপক ড. সুফি মোস্তাফিজুর রহমান তার দায়িত্ব পালনকালে নিজের সুনাম বৃদ্ধির পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম প্রসারেও ভূমিকা রাখবেন।

ড. সুফি মোস্তাফিজুর রহমান বাংলাদেশের প্রত্নসম্পদ আবিষ্কারে বিরাট ভূমিকা রেখেছেন। তার নেতৃত্বে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থীরা নরসিংদীর বেলাব ও শিবপুর উপজেলায় অবস্থিত উয়ারী ও বটেশ্বর নামের দুটি গ্রামব্যাপী একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান আবিস্কার করেন। ধারণা করা হয় এটি মাটির নিচে অবস্থিত একটি দুর্গ-নগরী।

সূত্র : দেশ রূপান্তর
এম এন  / ০৯ আগস্ট

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে