Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ , ১৩ আশ্বিন ১৪২৭

গড় রেটিং: 3.3/5 (4 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৮-০৮-২০২০

লেবানন দুর্নীতি-বিস্ফোরণে ব্যর্থ রাষ্ট্র হওয়ার পথে

লেবানন দুর্নীতি-বিস্ফোরণে ব্যর্থ রাষ্ট্র হওয়ার পথে

বৈরুত, ০৯ আগস্ট - গত ৪ আগস্ট বৈরুতকে ছিন্নভিন্ন করা ভয়াবহ বিস্ফোরণ যেকোনও দেশের জন্যই দুঃস্বেপ্নের চেয়েও ভয়ঙ্কর। ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে বৈরুত বন্দরে ২ হাজার ৭৫০ টন অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের অনুপযুক্ত মজুত থেকে এ বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই ধ্বংসযজ্ঞে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১৩৭ জন, আহত পাঁচ হাজারেরও বেশি। বিস্ফোরণের প্রভাবে শহরের ভবনগুলো ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এমনকি লেবানিজ রাজধানীর দূরবর্তী এলাকার বাড়িঘরের জানালাও ভেঙে চৌচির হয়ে গেছে।

তবে ছাই থেকে পুনর্জন্ম নিতে জানে বৈরুত। বলা হয়- পাঁচ হাজার বছরের ইতিহাসে শহরটি অন্তত সাতবার ধ্বংস ও পুনর্নির্মিত হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক বিপর্যয় প্রাচীন শহরটিকে অতীতের যেকোনও যুদ্ধ, আগ্রাসন বা ভূমিকম্পের তাণ্ডবের চেয়েও বেশি তাড়া করছে। কারণ কোনও বহিরাগত শক্তি বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়, বরং এবারের বিপদটি এনেছে লেবাননের নিজস্ব শাসকগোষ্ঠীই।

আরও পড়ুন: বৈরুতে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ: প্রতিবাদে কাঁদুনে গ্যাস, গুলি, আগুন

বৈরুত বন্দরের বিস্ফোরণ কীভাবে বা কেন ঘটল তা এখনও পরিষ্কার নয়। তবে এতে কোনও সন্দেহ নেই যে, গত মঙ্গলবারের এ ঘটনা কোনও সাধারণ দুর্ঘটনা নয়। এটি ছিল লেবাননের রাষ্ট্রযন্ত্রের দুর্নীতি, অক্ষমতা এবং অবহেলার অন্তর্নিহিত সংস্কৃতির সবশেষ ভয়াবহ পরিণতি।

বৈরুত বন্দরটি বাস্তবিকভাবে কোনও ধরনের সরকারি তদারকি ছাড়াই চলে। এটি যৌথভাবে পরিচালনা করে শুল্ক কর্তৃপক্ষ এবং বৈরুত বন্দর কর্তৃপক্ষ। প্রথমটি প্রেসিডেন্ট মিশেল আউনের অনুগতদের নিয়ন্ত্রণে এবং পরেরটি সাবেক প্রধানমন্ত্রী সাদ হারিরির অনুগত আমলারা পরিচালনা করেন। এ দু’টি কর্তৃপক্ষই কাগজে-কলমে লেবানিজ সরকারের তত্ত্বাবধানে রয়েছে, তবে বাস্তবে তারা দেশটির অন্যান্য কর্তৃপক্ষ ও সংস্থার মতো কোনও সরকারি গোষ্ঠী বা সংসদীয় কমিটির আওতায় নেই। তারা শুধু তাদের রক্ষাকারী সাম্প্রদায়িক নেতা বা গোষ্ঠীর কাছেই জবাবদিহি করে।

সরকারি অবহেলা ও দুর্নীতির তদন্তে লেবাননের অতীত রেকর্ড বলছে, এই ট্র্যাজেডিতে অবদান রাখা দেশটির সর্বোচ্চ পর্যায়ের অনেকেই কখনও বিচারের মুখোমুখি হবেন না। এটা বড় সমস্যা, কারণ এর ফলে সরকারের ওপর জনসাধারণের আস্থা কমে যায়। সাম্প্রতিক বিস্ফোরণটি লেবাননের দীর্ঘদিন ধরে চাপে থাকা অর্থনীতি, ভঙ্গুর রাজনৈতিক অবস্থা এবং আন্তর্জাতিক অবস্থানেও মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে।

সূত্র : জাগো নিউজ
এন এইচ, ০৯ আগস্ট

মধ্যপ্রাচ্য

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে