Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০ , ১৪ আশ্বিন ১৪২৭

গড় রেটিং: 3.0/5 (10 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৮-০৭-২০২০

ছোট চোরকে ধরতে বড় চোরের অনুমতি নিতে হবে : সোহেল

ছোট চোরকে ধরতে বড় চোরের অনুমতি নিতে হবে : সোহেল

ঢাকা, ০৭ আগস্ট- সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে অভিযানের আগে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতির বিষয়টিকে ‘ছোট চোর ধরতে বড় চোরের সম্মতি’র সঙ্গে তুলনা করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল।

শুক্রবার দুপুরে এক স্মরণ সভায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির এই সভাপতি বলেন, ‌‌‌‌রাতের অন্ধকারে জনগণের ভৌতিক ভোটের বাক্স চুরি করে যারা ক্ষমতায় বসেছেন কত নির্লজ্জ তারা দেখেন, এই করোনার মহামারির সময়েও তারা আইন করেছেন যে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন জেলায় যেসব হসপিটাল আছে, সেখানের চোরগুলোকে ধরতে হলে সেই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিতে হবে। অর্থাৎ ছোট চোরকে ধরতে হলে বড় চোরের অনুমতি নিতে হবে।

নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলন’ নামক সংগঠনের উদ্যোগে সদ্য প্রয়াত জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু ও বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল আউয়াল খানের স্মরণে এই দোয়া ও আলোচনা সভা হয়। আলোচনা সভার পর বিশেষ মোনাজাত করেন উলামা দলের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ মাওলানা নজরুল ইসলাম তালুকদার।

আরও পড়ুন: ‘সিনহার ঘটনা ইস্যু করে সরকার হটানোর দিবাস্বপ্ন দেখছে কেউ কেউ’: কাদের

শফিউল বারী বাবুকে স্মরণ করে বিএনপি যুগ্ম মহাসচিব আরও বলেন, এমনি একটি লুটেরা সরকারের বিরুদ্ধে যে লড়াই অসমাপ্ত রেখে গেছেন শফিউল বারী বাবু, সেই লড়াইকে আমরা যারা তার সহযোদ্ধারা আছি- এক এবং ঐক্যবদ্ধ হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করে এই সরকারের পতন ঘটাবো এবং শফিউল বারী বাবু ও আবদুল আউয়াল খানের অসমাপ্ত লড়াইকে সমাপ্ত করেই আমরা তাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাবো।

শফিউল বারী বাবুর দলের প্রতি আনুগত্যতা বিষয়টি তুলে ধরে হাবিব উন নবী খান সোহেল বলেন, যখন ভালো সময় থাকে তখন ত্যাগীরাও থাকেন, তখন সুবিধাবাদীরাও থাকেন। যখন খারাপ সময় থাকে তখন কিন্তু সবাই কিন্তু সবাই থাকে না। তখন অনেকেরই গায়ে অসুখ হয়, অনেকেই অসুস্থতায় পড়ে যান, অনেকেরই ছেলে সন্তানের নানা রকম সমস্যা হয়, অনেকে আবার বিদেশ চলে যান।

তিনি আরও বলেন, অনেকেই আবার দলের দুঃসময়ে, নেত্রীর দুঃসময়ে, আমাদের নেতার দুঃসময়ে উনারা যখন জেলে থাকেন, অনেকে সেটিংয়ে যান। সেটিং গেলে ভালো থাকা যায়, বিপদ থাকে না। কিন্তু শফিউল বারী বাবুরা সেটিংয়ে যেতে পারেন না। কারণ তারা দলের প্রতি কমিটেড। যারা আমাদের শহীদ জিয়ার পরিবারকে পবিত্র আমানত হিসেবে গ্রহণ করেছে, যারা শহীদ জিয়ার পরিবারকে বাংলাদেশের সম্পদ বলে মনে করে, যারা মনে করে আমরা পেলাম কি পেলাম না, সেটি বড় নয়। যদি আমাদের নেত্রী ভালো থাকেন, যদি আমাদের নেতা ভালো থাকেন তাহলে আমরাও ভালো থাকব। তাদের জন্যে শফিউল বারী বাবুর চলে যাওয়াটা অনেক বড় ক্ষতি হয়ে গেছে।

স্মরণ সভায় আরও বক্তব্য দেন, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, কেন্দ্রীয় নেতা মীর সরফত আলী সপু, কামরুজ্জামান রতন, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, আবদুল মালেক, আবদুস সালাম আজাদ, শহিদুল ইসলাম বাবুল, ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন প্রমুখ।

সূত্র : আমাদের সময়
এম এন  / ০৭ আগস্ট

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে