Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২০ , ১৫ আশ্বিন ১৪২৭

গড় রেটিং: 3.0/5 (10 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৮-০৪-২০২০

সুপ্রিমকোর্টে স্বাভাবিক বিচারকাজের বিষয়ে সিদ্ধান্ত বৃহস্পতিবার

সুপ্রিমকোর্টে স্বাভাবিক বিচারকাজের বিষয়ে সিদ্ধান্ত বৃহস্পতিবার

ঢাকা, ০৪ আগস্ট - করোনাভাইরাস মহামারী পরিস্থিতির মধ্যে দেশের সর্বোচ্চ আদালত স্বাভাবিক বিচারকাজে ফিরবে কিনা, তা জানা যাবে বৃহস্পতিবার।

এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে ওইদিন ফুলকোর্ট সভা ডেকেছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিদের নিয়ে বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তিনি এ সভা করবেন।

বৃহস্পতিবারের সভার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন সোমবার একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।

সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “উপর্যুক্ত বিষয়ে নির্দেশিত হয়ে জানানো যাচ্ছে যে, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিদের অংশগ্রহণে আগামী ৬ জুলাই বিকেল ৩টায় ফুলকোর্ট সভা অনুষ্ঠিত হবে।”

আরও পড়ুন: টিকটক ‘অপু ভাই’ কারাগারে, রিমান্ড নামঞ্জুর

সভার আলোচ্যসূচিতে প্রথমেই রাখা হয়েছে শারীরিক উপস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকাজ পরিচালনার বিষয়টি।

এছাড়া সুপ্রিম কোর্টে বার্ষিক অবকাশকালীন ছুটির বিষয়েও আলোচনা হবে ওই সভায়। স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে অবিলম্বে নিয়মিত আদালত চালু করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রধান বিচারপতির কাছে গত ৮ জুলাই প্রস্তাব করে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি।

একই সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের বাৎসরিক ছুটিসহ সব আদালতের ডিসেম্বরের ছুটি বাতিলের দাবিও জানানো হয়। ২৬ জুলাই প্রধান বিচারপতির কাছে আবারও সেই প্রস্তাব পাঠায় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি।

এর মধ্যে গত ৩০ জুলাই অধস্তন আদালতে শারীরিক উপস্থিতির মাধ্যমে স্বাভাবিক বিচারকাজ পরিচালনার সিদ্ধান্ত আসে প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে। সেদিন সুপ্রিম কোর্ট এক বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানায়, বুধবার থেকে স্বাভাবিক বিচার প্রক্রিয়া চলবে দেশের অধস্তন আদালত। নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সরকার গত ২৬ মার্চ থেকে সারা দেশে ছুটি ঘোষণা করে।

এরপর সর্বোচ্চ আদালতসহ দেশের সব আদালতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট। সরকারের সাধারণ ছুটির সাথে আদালতের সাধারণ ছুটিও কয়েক দফা বাড়ানো হয়।

সর্বশেষ গত ১৬ মে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে সাধারণ ছুটির মেয়াদ ৩০ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়। এমন পরিস্থিতিতে ‘ভার্চুয়াল আদালতে’ শুনানির জন্য গত ৯ মে সরকার ‘আদালত কর্তৃক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার’ অধ্যাদেশ জারি করে। পরদিন সর্বোচ্চ আদালতের উভয় বিভাগের বিচারপতিদের নিয়ে ভিডিও কনফারেন্সে ‘ফুলকোর্ট’ সভা করেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।

ফুলকোর্ট সভার পর ওইদিনই অধস্তন আদালতে ভার্চুয়াল জামিন শুনানির নির্দেশ আসে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন থেকে। তার জন্য তিনটি বিশেষ প্র্যাকটিস নির্দেশনাও জারি করে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।  তার মধ্যে আপিল বিভাগ পরিচালনার জন্য্ ১৩ দফা, হাই কোর্ট পরিচালনার জন্য ১৫ দফা ও অধস্তন আদালত পরিচালনার জন্য ২১ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এই ‘প্র্যাকটিস নির্দেশনা’র আলোকে ১১ মে থেকে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে দেশের অধস্তন ও ১২ মে থেকে উচ্চ আদালতে বিচারকাজ শুরু হয়। সরকার ৩০ মে পর সাধারণ ছুটি আর না বাড়ালেও ভার্চুয়াল উপস্থিতির মাধ্যমে চলছে দেশের অধস্তন আদালতের বিচারকাজ।

সুপ্রিম কোর্টের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী চার মাসেরও বেশি সময় পর আগামী বুধবার থেকে স্বাভাবিক বিচারকাজে ফিরছে অধস্তন আদালত।

সূত্র : বিডিনিউজ
এন এইচ, ০৪ আগস্ট

আইন-আদালত

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে