Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ , ১২ আশ্বিন ১৪২৭

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৭-২৯-২০২০

মুহূর্তেই পদ্মায় বিলীন হলো প্রাথমিক বিদ্যালয়

মুহূর্তেই পদ্মায় বিলীন হলো প্রাথমিক বিদ্যালয়

শরীয়তপুর, ২৯ জুলাই - এক বছর থেমে থেকে পদ্মা আবার আগ্রাসী রূপ ধারণ করেছে। পদ্মার প্রবল স্রোতে জেলার নড়িয়া উপজেলার চরাত্রা ইউনিয়নের ৮১ নং বসাকেরচ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি দ্বিতল ভবন আজ বুধবার দুপুর ২টায় মুহূর্তেই বিলীন হয়ে গেছে পদ্মা নদীতে।

এছাড়াও ৪টি মসজিদ ও একটি নুরানি মাদ্রাসাসহ জাজিরা ও নড়িয়া উপজেলার ৪৯৮টি বসত বাড়ি পদ্মার ভাঙনে বিলীন হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, স্রোতের গতি আরও বৃদ্ধি পেলে ভাঙন আরও ভয়াবহ হতে পারে।

উজানের পানি নামতে শুরু করার পর থেকেই পদ্মা বেষ্টিত জাজিরা ও নড়িয়া উপজেলার নদী তীরবর্তী এলাকায় ভাঙন দেখা দেয়। আজ দুপুর ২টার দিকে নড়িয়া উপজেলার চরাত্রা ইউনিয়নের বসাকেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একতলা একটি পাকা ভবন বিলীন হয়ে গেছে পদ্মা নদীতে। ত্রিশ গজ দূরত্বে থাকা দ্বিতল অন্য স্কুল ভবনটিও যেকোনো সময় গ্রাস করবে পদ্মা।

জানা যায়, পদ্মার দুর্গম চরাঞ্চলের শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতে ১৯৪২ সালে স্কুলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় ভবনটিও নদীগর্ভে বিলীন হলে অনিশ্চিত হয়ে পড়বে ৩৭৫ জন কোমলমতি শিশুর শিক্ষা জীবন। বিলীন হওয়া ভবনটি ২০১৬ সালে নির্মাণ ৩২ লাখ টাকা ব্যয়ে করা হয়েছিল। এদিকে স্রোতের তোড়ে আজ চরাত্রা ইউনিয়নের বসাকের চরের ৫০টি বসত বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এ ছাড়াও এ যাবত জাজিরা উপজেলার কুন্ডেরচর, বড়কান্দি ও নাওডোবা ইউনিয়নের ৪০৩ টি ও নড়িয়া উপজেলার চরাত্রা ইউনিয়নের ৪৫ টি বসত বাড়ি পদ্মায় বিলীন হয়েছে।

আরও পড়ুন: পদ্মা সেতু প্রকল্প রক্ষা বাঁধের ৭০ মিটার পদ্মায় বিলীন

নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার জয়ন্তী রুপা রায় বলেন, পদ্মার প্রবল স্রোতে আজ চরাত্রা ইউনিয়নের বসাকেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একতলা একটি পাকা ভবন পদ্মাগর্ভে বিলীন হয়েছে। ৩০ গজ দূরত্বে থাকা অন্য দ্বিতল ভবনটিও রয়েছে ভাঙন ঝুঁকিতে। এছাড়াও আজ বসাকেরচরের ৫০টি বসত বাড়ি নদীগর্ভে চলে গেছে। ভাঙন কবলিতদের তালিকা প্রস্তুত করে তাদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের বলেন, পদ্মার স্রোত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে স্কুল ভবনটি রক্ষার জন্য জিও ব্যাগ ডাম্পিং করেও শেষ রক্ষা হলো না। তবে ঝুঁকির বিষয়টি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে অবহিত করা ছিল। বর্ষা মৌসুম চলে যাওয়ার পর ওই সকল শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা চালু রাখার জন্য ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে নির্দেশ ও পরামর্শ দেয়া হয়েছে। ভাঙন কবলিত পরিবারগুলোর তালিকা প্রস্তুত কাজ চলছে। ওই সব পরিবারগুলোকে ঘর নির্মাণের জন্য ঢেউটিন ও নগদ টাকা দেয়ার বিষয়টিও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সূত্র : আরটিভি
এন এইচ, ২৯ জুলাই

শরীয়তপুর

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে