Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০ , ১৪ আশ্বিন ১৪২৭

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৭-২৭-২০২০

বগুড়ায় অনুমোদন ছাড়াই চলছে ২০০ ক্লিনিক

বগুড়ায় অনুমোদন ছাড়াই চলছে ২০০ ক্লিনিক

বগুড়া, ২৭ জুলাই- লাভজনক ব্যবসা হওয়ায় বগুড়া শহর ও উপজেলা পর্যায়ে যত্রতত্র গড়ে উঠেছে অসংখ্য বেসরকারি ক্লিনিক, হাসপাতাল ও ডায়াগনোস্টিক সেন্টার। যত্রতত্র গড়ে ওঠা এসব বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বেশিরভাগেরই কোন অনুমোদন নেই। আবার কোন কোন প্রতিষ্ঠান চলছে মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্স দিয়ে। নিবন্ধন (লাইসেন্স) ছাড়াই চলেছে ২ শতাধিক ক্লিনিক ও ডায়াগনোস্টিক সেন্টার। আর সরকারিভাবে অনুমোদিত হয়ে আছে ১৯৪টি।

বগুড়া সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানানো হয়েছে, বগুড়া জেলায় নামে বেনামে পাঁচ শতাধিক বেসরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। জেলায় তালিকাভুক্ত বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনোস্টিক সেন্টার রয়েছে ১৯৪টি। এর মধ্যে ৭২ টি অনলাইনে নিবন্ধিত। বাকিগুলো চলছে অনিয়ম করে। আবার কিছু হাসপাতাল ডায়াগনোস্টিক সেন্টারের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০১৯ সালের ৩০ জুন। তারপরেও এই সব বেসরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান দাঁড়িয়ে আছে।

আর করোনাভাইরাসের আগে দেদারসে ব্যবসা চালিয়ে গেলেও এখন করোনার সময় ডাক্তার পাওয়া যাচ্ছে না এসব প্রতিষ্ঠানে। রোগীদের ঘুরতে হচ্ছে আর পোহাতে হচ্ছে দুর্ভোগ। নিবন্ধন ছাড়া যেসব ক্লিনিক চলছে তাদের বড় অংশই দালালের মাধ্যমে রোগী ধরে থাকে। অনুমোদনহীন এসব ক্লিনিক ও ডায়গনোস্টিক সেন্টোরে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসার নামে অর্থ হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে। চিকিৎসার নামে চলছে অরাজকতা।

আরও পড়ুন:  বগুড়ায় ত্রাণের চাল আত্মসাতের ঘটনায় আওয়ামী লীগ নেতা বহিষ্কার 

বিভিন্ন টেস্টের নামে হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে বিপুল অর্থ। এসব নামে বেনামে গড়ে ওঠা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে অনেক সময় রোগীও মারা যাচ্ছে। ২০১৯ সালের ২৫ অক্টোবর ও একই বছরের ৯ এপ্রিল শহরের দুটি নামী ক্লিনিকে টনসিল অপারেশন করাতে গিয়ে দুটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

পৃথক দুই শিশুর মৃত্যুর পর পরিবার থেকে মামলা না করায় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ সে যাত্রায় বেঁচে যান। ২৫ অক্টোবর ঠনঠনিয়ায় ডক্টরস ক্লিনিকে টনসিল অপারেশন করাতে গিয়ে তাওহিদ হোসেন ইয়া বাবু (১০) নামের শিশু মারা যায়। ওইদিন শিশু মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত দুই চিকিৎসককে আটক করার পর মামলা না থাকায় বগুড়া সদর থানা পুলিশ তাদের ছেড়ে দেয়।

৯ এপ্রিল শহরের মালেকা নার্সিং হোমে হুমায়ারা নামে ৬ বছরের এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় শহরজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় হলেও ক্লিনিকগুলো এখনো রয়েছে আগেরমতই বহাল। ক্লিনিকগুলোতে রোগী ও রোগীর স্বজনরা হয়রানির শিকার হলেও প্রতিকার না থাকায় মুখ বুজে থাকতে হচ্ছে। চিকিৎসাসেবার নাম করে কিছু ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ রোগীকে ঘিরে বাণিজ্য করে যাচ্ছেন। বগুড়া জেলায় এসব কেউ দেখে না। যে কারণে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবার নামে অনেকেই রোগীকে ঘিরে বাণিজ্য করে চলেছে। আবার করোনাভাইরাসের কালে এসব প্রতিষ্ঠানে ঠিকমত মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। 

সূত্র: বিডি প্রতিদিন

আর/০৮:১৪/২৭ জুলাই

বগুড়া

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে