Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০ , ১২ আশ্বিন ১৪২৭

গড় রেটিং: 3.0/5 (10 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৭-২৫-২০২০

ভুয়া স্বাক্ষরে প্যাথলজি রিপোর্ট, ডায়াগনস্টিক সেন্টার মালিকসহ চারজনের কারাদণ্ড

ভুয়া স্বাক্ষরে প্যাথলজি রিপোর্ট, ডায়াগনস্টিক সেন্টার মালিকসহ চারজনের কারাদণ্ড

বরিশাল, ২৫ জুলাই- বরিশাল নগরীতে চিকিৎসকের ভুয়া স্বাক্ষরে প্যাথলজি রিপোর্ট দেওয়ায় দি মুন মেডিকেল সার্ভিসেস নামের একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিকসহ চারজনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।

শনিবার দুপুর ২টার দিকে নগরীর আগরপুর রোডে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিয়াউর রহমান এই দণ্ডাদেশ দেন। এতে বরিশাল সিভিল সার্জন কর্তৃপক্ষ সহযোগিতা করে।

আরও পড়ুন: ঈদে বিপুল পরিমাণ জাল টাকা গরুর হাটে ছাড়ার পরিকল্পনা ছিল তার

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, ডায়াগনস্টিক সেন্টারটির মালিক মো. শাহীন হোসেন, দালাল শ্যামল মজুমদার, তাদের সহযোগী ইব্রাহিম রানা ও শ্যাম সাহা। এদের মধ্যে শাহীন ও শ্যামলকে ছয়মাস এবং অপর দুইজনকে তিনমাস করে বিনাশ্রম করাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতে নেতৃত্ব দেওয়া বরিশাল জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিয়াউর রহমান বিষয়টির সতত্যা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘অভিযানকালে দেখা যায়, শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের টেকনোলজিস্ট মো. মুজিবুর রহমান ও ডা. জাকির হোসেন খন্দকারের স্বাক্ষরে শনিবার রোগীদের প্যাথলজি রিপোর্ট প্রদান করা হয়েছে। অথচ দুইজনের কেউ আজ ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আসেননি। যাদের স্বাক্ষরে প্যাথালজি রিপোর্ট তৈরি করে হয়েছে তাদের সাথে মুঠোফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হয়। তারা মুন মেডিকেল সার্ভিসেস’র সাথে সম্পৃক্ত নন জানিয়ে প্যাথলজি রিপোর্টে স্বাক্ষর করার বিষয়টি অস্বীকার করেন।’

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরও বলেন, ‘তা ছাড়া দেখা যায় ডায়াগনস্টিক সেন্টারে মেয়াদ উত্তীর্ণ রিঅ্যাজেন্ট ব্যবহার করে মনগড়া রিপোর্ট তৈরি করা হচ্ছে। বাস্তবে সেখানে সনদধারী কোনো টেকনোলজিস্ট নেই। এ ছাড়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারের লাইসেন্সের মেয়াদও তিনবছর পূর্বে শেষ হয়েছে। নবায়নের জন্য কোনো আবেদনও করা হয়নি। পরে ওই চারজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়ে ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি সিলগালা করা হয়।’

এর আগেও দি মুন মেডিকেল সার্ভিসেস নামের ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জেলা প্রশাসন। সেসময় অর্থদণ্ড করে মালিক পক্ষকে সতর্ক করা হলেও দালাল নির্ভর প্রতিষ্ঠানটি রোগীদের চিকিৎসার নামে প্রতারণা করে আসছিল।

সূত্র : আমাদের সময়

বরিশাল

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে