Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০ , ১২ আশ্বিন ১৪২৭

গড় রেটিং: 2.8/5 (18 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৭-২৪-২০২০

শুরু বাংলা জয়ের তোড়জোড়, মুকুল রায়কে ছাড়াই দিল্লিতে বিজেপির প্রস্তুতি বৈঠক

শুরু বাংলা জয়ের তোড়জোড়, মুকুল রায়কে ছাড়াই দিল্লিতে বিজেপির প্রস্তুতি বৈঠক

কলকাতা, ২৪ জুলাই - ২০২১-এ বাংলা দখলে মরিয়া বিজেপি। তাই আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে গেরুয়া শিবিরে তুঙ্গে তৎপরতা। সেই মর্মে বৃহস্পতিবার একুশের বিধানসভা নির্বাচন প্রস্তুতি নিয়ে রাজ্য নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না বিজেপি নেতা মুকুল রায়। আর এতেই শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। প্রশ্ন উঠছে, তবে কি মুকুলে মোহ ভঙ্গ হয়েছে গেরুয়া শিবিরের?

বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে দিল্লিতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে ৩ দিনের বৈঠক চলছে রাজ্য বিজেপি নেতাদের। তারই মধ্যে বৃহস্পতিবার আসরে উপস্থিত ছিলেন না মুকুল রায়। সূত্রের খবর, শুক্রবার তিনি কলকাতা ফিরে আসছেন। এদিকে, স্বাভাবিকভাবেই মুকুলের অনুপস্থিতি চোখ এড়ায়নি কারোরই। ফলে শুরু হয়েছে তীব্র জল্পনা। তবে বিষয়টিকে তেমন গুরুত্ব দিতে নারাজ বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর কথায়, “গতকাল বৈঠকে ছিলেন মুকুল রায়। করোনার জন্য উনি কয়েকদিন একটু দূরত্ব বজায় রাখছেন। কালই বলেছেন, আজ আসতে পারবেন না। সম্ভবত তিনি কলকাতা চলে যাচ্ছেন।” তবে দিলীপ ঘোষ বিষয়টিকে উড়িয়ে দিলেও বিষয়টা কি শুধু করোনা কেন্দ্রিক না এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে তা নিয়ে যথারীতি আলোচনা শুরু হয়েছে।

জানা গিয়েছে, বৈঠকে রাজ্য নেতৃত্বের কাজকর্ম নিয়ে উষ্মাপ্রকাশ করেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। বৈঠকে উত্তরবঙ্গের বিষয়ে কথা হয়। এহেন অবস্থায় বুধবার কৈলাস বিজয়বর্গীয়দের সামনে একটি রিপোর্ট পেশ করেন শিবপ্রকাশ। সেখানে বলা হয়, এই মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন হলে ১৯০টির বেশি আসনে জয়লাভ করবে বিজেপি। ওই দাবি সমর্থন করেন দিলীপ ঘোষও। কিন্তু মুকুল রায় এই রিপোর্টের খুব একটা যৌক্তিকতা দেখেননি। তাই কিছুটা মতানৈক্যের দরুণ বৈঠকে যাননি তিনি। উপরন্তু কলকাতা ফিরে আসছেন তিনি। অন্যদিকে, এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়। যদিও শোভন ছোটপাধ্যায়ের বৈঠকে যোগ দেওয়ার খবর আবার ছিল না দিলীপ ঘোষের কাছে। বিজেপি রাজ্য সভাপতির কথায়, “শোভনের এই মিটিংয়ে থাকার কথা নয়। কে ডেকেছে জানি না! আমার সঙ্গে কোনও কথা হয়নি।” সব মিলিয়ে, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগেই বিজেপির অন্দরে ফাটল ফের একবার স্পষ্ট হয়েছে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

আরও পড়ুন : ১৫ অগাস্টের মধ্যে ভারতে COVID-19 অ্যাকটিভ কেস ১০ লাখ হবে, জানাচ্ছেন গবেষকরা

উল্লেখ্য, একদিকে যেমন নির্বাচন নিয়ে তৎপর বিজেপি, তেমনি পশ্চিমবঙ্গে ঘুঁটি সাজাচ্ছে রাজ্যের শাসকদল। একুশের বিধানসভা লড়াইয়ের আগে সাংগঠনিক স্তরে বড়সড় রদবদল করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। কার্যত ঢেলে সাজানো হচ্ছে সংগঠনকে। মাওবাদী সন্দেহে দীর্ঘকাল জেলবন্দি থাকার পর গত বছর মুক্ত হওয়া ছত্রধর মাহাতোকে (Chhatradhar Mahato) সরাসরি নিয়ে আসা হয়েছে তৃণমূলের রাজ্য কমিটিতে। দেওয়া হয়েছে সম্পাদকের পদ। এই সংযোজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশ। পাকাপোক্ত পরিকল্পনা করেই তাঁকে রাজনীতি মূল স্রোতে আনলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তেমনটাই মনে করা হচ্ছে। এছাড়া রাজ্য কমিটির নতুন সদস্য হলেন অমিত মিত্র, সৌগত রায়, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, সুকুমার হাঁসদা। ২১ জনের রাজ্য কমিটির অধিকাংশেই ঠাঁই পেয়েছেন নতুনরা।

সুত্র : সংবাদ প্রতিদিন
এন এ/ ২৪ জুলাই

পশ্চিমবঙ্গ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে