Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০ , ৯ আশ্বিন ১৪২৭

গড় রেটিং: 3.0/5 (20 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৭-২৩-২০২০

৩ লাখ টাকার জন্য খুন হন দিপালী দেবী

৩ লাখ টাকার জন্য খুন হন দিপালী দেবী

লালমনিরহাট, ২৩ জুলাই - স্বামী-সন্তান ছেড়ে পরকিয়া প্রেমিকের কাছে যাওয়ার জন্য প্রতিবেশির শরণাপন্ন হন দিপালী দেবী সিংহ (৪২)। কিন্তু টাকার লোভে সেই প্রতিবেশির হাতেই খুন হন দিপালী।

বুধবার (২২ জুলাই) রাতে মৃত দিপালীর স্বামীর বড় ভাই বিমল চন্দ্র দেব সিংহ বাদি হয়ে হাতীবান্ধা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় রমজান আলী, নজরুল ইসলাম, ওসমান আলী ও তার স্ত্রী রাশেদা বেগমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।  

মৃত দিপালী হাতীবান্ধা উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের পূর্ব বেজগ্রাম এলাকার পরিমল দেব সিংহের স্ত্রী।

মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ৯ জুলাই বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হন দিপালী। কোনো খোঁজ না পেয়ে ১৪ জুলাই হাতীবান্ধা থানায় জিডি করেন তার স্বামী। জিডির সূত্র ধরে প্রযুক্তি ব্যবহার করে হাতীবান্ধা থানা পুলিশ চারজনকে গ্রেফতার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। পরে তাদের এ হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখায় পুলিশ।

[ আরও পড়ুন : সাত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে ডা. সাবরিনার ]

গ্রেফতার আসামিদের বরাত দিয়ে হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক জানান, তিন সন্তানের জননী দিপালীর সঙ্গে হবিগঞ্জ জেলার আজমেরীগঞ্জ উপজেলার জলশুকা দক্ষিণ পাড়া গ্রামের হিরন মিয়ার ছেলে রিকন মিয়ার (২২) মোবাইল ফোনে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রেমিক রিকনকে বিয়ে করতে ৯ জুলাই ৩ লাখ টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন দিপালী। প্রেমিকের কাছে পৌঁছে দিতে প্রতিবেশি আফজাল হোসেনের ছেলে রমজান আলী ও ধনর উদ্দিনের ছেলে নজরুল ইসলামের শরণাপন্ন হন তিনি। তারা ওই দিন রাতে উপজেলার পাটিকাপাড়া ইউনিয়নের পশ্চিম হলদিবাড়ী এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে ওসমান আলীর বাড়িতে দিপালীসহ আশ্রয় নেন।

পরে ১৪ জুলাই রাতে ওসমান আলী ও ওই এলাকার মেছের আলীর ছেলে রবিউল ইসলাম দিপালীকে বোরকা পরিয়ে পার্শ্ববর্তী জলশুকার কথা বলে নৌকায় তিস্তা নদীর চরে নিয়ে যান। ওই দিন গভীর রাতে তারা দিপালীকে হত্যা করে বালু চরে পুঁতে রাখে। এ সময় দিপালীর ব্যাগে থাকা তিন লাখ টাকা ভাগাভাগি করে নেয় বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে গ্রেফতার আসামিরা।  

এদিকে পুঁতে রাখা দিপালীর মরদেহ তিস্তার স্রোতে ভেসে যায়। ১৮ জুলাই লালমনিরহাট সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ এলাকায় থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে নিখোঁজ ওই এলাকার আনন্দ বাজার গ্রামের শেখ কামালের স্ত্রী মাসুদা বেগমের মরদেহ বলে তার পরিবার শনাক্ত করলে তাকে দাফন করা হয়।  

[ আরও পড়ুন : স্বাস্থ্য অধিদফতরের নতুন ডিজি ডা. খুরশীদ আলম ]

তবে দাফন করা ওই মরদেহের ছবি দেখে আসামিসহ দিপালীর পরিবার মরদেহটি শনাক্ত করেন। আদালতের নির্দেশ পেলে পরবর্তীতে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান ওসি।

সুত্র : বাংলানিউজ
এন এ/ ২৩ জুলাই

অপরাধ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে