Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ , ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.9/5 (35 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১২-২৬-২০১৩

শান্তির জন্য নাস্তিকদের এগিয়ে আসার অনুরোধ পোপের

শান্তির জন্য নাস্তিকদের এগিয়ে আসার অনুরোধ পোপের

ভ্যাটিকান সিটি, ২৫ ডিসেম্বর- পোপ ফ্রান্সিস বুধবার বড়দিন উপলক্ষে দেওয়া ভাষণে বিশ্বময় শান্তি ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য সকল ধর্মবিশ্বাসীদের সঙ্গে একাত্ম হতে নাস্তিকদের আহ্বান জানিয়েছেন।
পোপ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম বড় দিনের ভাষণে ফ্রান্সিস ‘মানুষের লোভ ও হিংস্রতা’ থেকে পরিবেশকে রক্ষার আহ্বানও জানান।
ভ্যাটিকানের সেন্ট পিটারস বাসেলিকা গির্জার ঝুল বারান্দায় দাঁড়িয়ে ৭০ হাজার খ্রিস্টভক্তের সামনে তিনি আজ ভাষণ দেন। পোপ হওয়ার পর এখানে দাঁড়িয়েই তিনি ১৩ মার্চে প্রথম ভাষণ দিয়েছিলেন। পোপের এ ধরনের ভাষণকে ‘উর্বি এট ওর্বি’ অর্থাত্ রোম ও বিশ্বের প্রতি সম্বোধন হিসেবে অভিহিত করা হয়।
১২০ কোটি রোমান ক্যাথলিকের চার্চের প্রধান পোপ ফ্রান্সিস বলেন, শান্তি প্রতিষ্ঠা করা আমাদের প্রতি দিনের অঙ্গীকার। শান্তির চর্চা করতে হবে প্রতিটি বাড়ি থেকে। তিনি বলেন, অন্যান্য ধর্মানুসারীরাও শান্তির জন্য প্রার্থনা করেন।
এ সময় তিনি তাঁর পূর্বলিখিত ভাষণের বাইরে গিয়ে নাস্তিকদের প্রসঙ্গ আনেন এবং তাদের ধর্মবিশ্বাসীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
পোপ বলেন, ‘আমি নাস্তিকদেরও শান্তি কামনার আহ্বান জানাই। আপনাদের প্রত্যাশাসহ আমাদের সঙ্গে যোগ দিন। এতে আমাদের হূদয় প্রসারিত হবে। (সঙ্গে করে) প্রার্থনা বা প্রত্যাশা যেটাই হোক নিয়ে আসুন, সবাই জোট বাঁধি। কারণ আমাদের সবার লক্ষ্য শান্তি।’ পোপের এ বক্তব্যের পর বেশ দীর্ঘক্ষণ ধরে উপস্থিত ব্যক্তিরা হাতে তালি দেন। 
তিনি সৃষ্টিকর্তার উদ্দেশে বলেন, আপনার অনেক সন্তান সশস্ত্র যুদ্ধে গুম, আহত ও নিহত হয়েছে। অনেক সন্তানের কৈশোরকে চুরি করা হয়েছে এবং জোড় করে সেনাতে পরিণত করা হয়েছে। আপনি তাদেরতে সঠিক পথ দেখান।
পোপ বিভিন্ন দেশের অভিবাসীদের ‘সম্মানজনক জীবনের’ জন্য দোয়া করেন। ইতালির উপকূলে অবস্থিত লাম্পেদুসা দ্বীপে মানব পাচারের সময় নিহত শতাধিক মৃতের জন্য বিশেষ দোয়া করেন। তিনি মানব পাচারকে ‘মানবতা বিরোধী অপরাধ’ হিসাবে উল্লেখ করেন।
পোপের বক্তব্যের মূল কথা ছিল, প্রত্যেকের শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য দায়িত্ব রয়েছে। সেটা হতে পারে প্রতিবেশীদের মধ্যে কিংবা দুই দেশের মাঝে। বিভিন্ন দেশের অনেক তীর্থযাত্রী এবারের বড়দিনে ভ্যাটিকানে এসেছেন। তারা মনে করেন পোপ ফ্রান্সিসের নেতৃত্বে চার্চে পরিবর্তন আনা সম্ভব। আর্জেন্টিনা থেকে আসা ডোলরেস ডি বেনেডিট্টে  বলেন, পোপ চার্চে নতুন যুগের সৃষ্টি করেছেন। চার্চ এখন গরিবদের প্রতি অনেক বেশি মনোযোগী।

 

 

ইউরোপ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে