Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২০ , ২৮ শ্রাবণ ১৪২৭

গড় রেটিং: 3.0/5 (4 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৭-১৩-২০২০

আইন অনুযায়ী প্রতারণার বিষয়ে সাবরিনাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে

আইন অনুযায়ী প্রতারণার বিষয়ে সাবরিনাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে

ঢাকা, ১৩ জুলাই- আইন অনুযায়ী যখন-তখন প্রতারণা ও জালিয়াতির বিষয়ে করোনা টেস্টের ভুয়া রিপোর্ট তৈরি করে অর্থ-আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছেন তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাউদ্দিন মিয়া।

সোমবার (১৩ জুলাই) তেজগাঁও থানার ওসি সালাউদ্দিন মিয়া এ কথা জানান।

ওসি সালাউদ্দিন মিয়া বলেন, প্রতারণার মামলায় ডা. সাবরিনাকে চার দিনের রিমান্ডের আবেদন করে আদালতে পাঠানো হয়। আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তারপরেই দুপুরে সাবরিনাকে থানায় আনা হয়। এখন তিনি থানায় হাজত খানায় আছেন।

তিনি আরও বলেন, আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন, এখন আইন অনুযায়ী তাকে যখন-তখন জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। টানা তিনদিন জিজ্ঞাসাবাদ পরে আবারও তাকে আদালতে পাঠানো হবে।

এর আগে রোববার (১২ জুলাই) দুপুর সোয়া ১টায় সাবরিনাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তেজগাঁও বিভাগীয় উপ-পুলিশ (ডিসি) কার্যালয়ে আনা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন জেকেজির প্রতারণা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, ডিসিসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। পরে তাকে একটি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।

গত ২৩ জুন করোনার ভুয়া সনদ দেওয়া, জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগে আরিফুলসহ ছয়জনকে গ্রেফতার করে তেজগাঁও থানা পুলিশ। গ্রেফতারের পর থানা হাজতে থাকা অবস্থায় আরিফুলের ক্যাডার বাহিনী ভাঙচুর ও হামলা করে থানায়। মারধর করে পুলিশকে।

এছাড়া রাজধানীর মহাখালীর তিতুমীর কলেজে নমুনা সংগ্রহের বুথ বসিয়ে সেখানে প্রশিক্ষণের নামে নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগও পাওয়া যায়। কলেজের কক্ষে নারী-পুরুষের আপত্তিকর অবস্থানসহ নানা অনৈতিক কাজে বাধা দিলে তিতুমীর কলেজের শিক্ষক, কর্মচারী ও ছাত্রদের ওপরও হামলা করে আরিফুলের লোকজন।

অভিযোগ পাওয়া যায়, রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদের মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নাম ভাঙিয়ে বিভিন্নজনকে হুমকি দিতেন আরিফ। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নাম ব্যবহার করে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহা-পরিচালককেও দেখে নেওয়ার হুমকি দেন তিনি।

জানা যায়, জেকেজির কর্ণধার স্বামী-স্ত্রী মিলে করোনা টেস্টের ভুয়া সনদ বিক্রি করেছেন। প্রতিটি টেস্টের জন্য জনপ্রতি নিয়েছেন সর্বনিম্ন পাঁচ হাজার টাকা। আর বিদেশি নাগরিকদের কাছ থেকে জনপ্রতি তারা নিতেন ১০০ ডলার।

সূত্র: বাংলানিউজ

আর/০৮:১৪/১৩ জুলাই

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে