Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২০ , ২৮ শ্রাবণ ১৪২৭

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৭-০৪-২০২০

ভুতুড়ে বিলে ব্যবস্থা নিচ্ছে ডিপিডিসি, ৪ জন বহিষ্কার

ভুতুড়ে বিলে ব্যবস্থা নিচ্ছে ডিপিডিসি, ৪ জন বহিষ্কার

ঢাকা, ০৪ জুলাই- করোনাকালে গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিল প্রদানে খামখেয়ালির প্রমাণ পেয়েছে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি)। অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল প্রদানের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিচ্ছে বিতরণ কোম্পানিটি।

ডিপিডিসি সূত্র জানিয়েছে, ভুতুড়ে বিল প্রদানের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রাথমিক প্রমাণ মেলায় গত বৃহস্পতিবার চারজন কর্মকর্তাকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে। ৩৬ টি জোনাল অফিসের নির্বাহীদের কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া ১৬ জন মিটার রিডার এবং একজন মিটার রিডার সুপারভাইজারকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে।

করোনা মহামারীতে গ্রাহকেরা বিদ্যুতের অস্বাভাবিক বিল পাওয়ার অভিযোগ করে আসছেন। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে ডিপিডিসির পরিচালক শহীদুল ইসলামের (আইসিটি) নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।  সেই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই ডিপিডিসি কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছে। যে চারজন কর্মকর্তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে তার মধ্যে রয়েছেন একজন নির্বাহী প্রকৌশলী, একজন সুপারেনটেন্ড ইঞ্জিনিয়ার, একজন এসিসটেন্ড ইঞ্জিনিয়ার এবং একজন কম্পিউটার ডাটা এন্ট্রি অপারেটর। অধিকতর তদন্ত শেষে যদি তারা দোষী প্রমাণিত হয় তাহলে চূড়ান্তভাবে বহিষ্কার করা হবে।

৩৬ টি জোনাল অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলীদের ভুতুড়ে বিলের বিষয়ে কারণ দর্শনার নোটিশ দেওয়া হয়েছে। গত শুক্রবার নির্বাহী প্রকৌশলীদের কাছে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠনো হয়। নোটিশে লেখা হয়েছে, গ্রাহকদের মার্চ ও এপ্রিল মাসে অস্বাভাবিক রিডিংসহ অযৌক্তিক বিদ্যুৎ বিলের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। মে মাসের বিদ্যুৎ বিলে যাতে এ ধরনের সমস্যা না হয় সেই বিষয়ে ব্যবস্থাপনা পরিচালক নির্দেশনা দিয়েছিলেন। এরপরও মে মাসের বিলে বেশ কিছু গ্রাহকের অস্বাভাবিক বিল তৈরি হয়। বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। সঠিক বিল তৈরির বিষয়ে যথাযথ কোনো পদক্ষেপ না নেয়ার ফলে গ্রাহকরা চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। এতে ডিপিডিসি’র ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়াসহ সুনাম নষ্ট হয়েছে। এই অনিয়মের দায়-দায়িত্ব নির্বাহী প্রকৌশলীদের উপর বর্তায়। তাদের এই আচরণ সংস্থার চাকরি বিধি-২০১৭ এর ৭.২ ধারার সুষ্পষ্ট লঙ্ঘন, যা শৃঙ্খলা পরিপন্থী, কর্তব্যকালে অবহেলা ও অসদাচরণের পরিচায়ক। তাই চাকরি বিধির অনুযায়ী কেন তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তার কারণ, নোটিশ জারির ১০ দিনের মধ্যে দর্শাতে বলা হয়। 

এ বিষয়ে ডিপিডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী বিকাশ দেওয়ান বলেন, তারা ইতোমধ্যে চার হাজার গ্রাহকের অভিযোগ সমাধান করেছেন। যেসব কর্মকর্তাদের অবহেলায় গ্রাহকদের ভোগান্তি হয়েছে তাদের শাস্তির আওতায় আনা হবে। এ বিষয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

সূত্র : সমকাল
এম এন  / ০৪ জুলাই

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে