Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শনিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২০ , ৫ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.1/5 (88 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১২-২১-২০১৩

বিশ্বের ব্যয়বহুল তারকা বিয়ে

বিশ্বের ব্যয়বহুল তারকা বিয়ে

নিউ ইয়র্ক, ২১ ডিসেম্বর- তারকাদের বিয়ে মানে সুপার ইভেন্ট। বাজেট সেখানে নন-ইস্যু। অধিকাংশ তারকাই বিয়ে করেন গোপনে তবে অনুষ্ঠান করেন সরবে। টাকা সুখ দিতে পারে না, তবে নিশ্চিতভাবেই তৃপ্তিদায়ক এক বিয়ে উপহার দিতে পারে। এই তারকারা তাদের বাজেট নিয়ে চিন্তা করেন না বিয়ে অনুষ্ঠানের জন্য।

এদের কেউ বিয়ে করার জন্য বেছে নিয়েছেন নির্জন দ্বীপ আর কেউবা প্রাচীন দূর্গ। স্ব স্ব ক্ষেত্রের এই সব তারকার বিয়ের অনুষ্ঠান আরো বেশি জাকজমক হয়ে যায় অন্য তারকাদের উপস্থিতিতে। তবে বড় বাজেটের এইসব বিয়ে আবার বড় সম্পর্কের উদাহরণ হয় না। মজার ব্যপার হলো সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিয়ের কয়েকটি দম্পতির নাম আছে সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিয়ে বিচ্ছেদের তালিকাতেও। মানে যেভাবে শুরু, সেভাবেই হয়েছে শেষটা।

বিশ্বখ্যাত ম্যাগাজিন ফোর্বস বিশ্বের ব্যয়বহুল সব বিয়ের তালিকা করেছে। বিয়ের সব উপাদানসহ যেমন -ভেন্যু, ফুল, খাবার, বিনোদন, পোশাক সহ নানান কিছু মিলিয়ে এই খরচের হিসাব তোলা হয়েছে। এখন আবার তারকাদের বিয়েকে গণমাধ্যম এক্সক্লুসিভ কভারেজ দেয়। তথ্য পাওয়ার বড় এক সূত্র এসবও। এ নিয়ে অবশ্য ব্যবসাও করেন ‘মহারথী’ তারকারা। অর্থের বিনিময়ে মিডিয়াকে বিয়ের ছবি তোলার জন্য অনুমতি দেন তারা। যেমন ১৯৯১ সালে এলিজাবেথ টেইলর এবং ল্যারি ফোর্টেনস্কির বিয়ের জন্য এক মিলিয়ন ডলার দিতে হয় পিপল ম্যাগাজিনকে। ( টাকাগুলো অবশ্য নিজেদের জন্য না। টেইলর সেই টাকা অনুদান হিসেবে দিয়েছিলেন এইডস বিষয়ক গবেষণা কাজের জন্য।)

বিয়ের ছবি তোলার স্বত্ব বিক্রির মূল উদ্দেশ্য অবশ্য গণমাধ্যমের অতি ঝঞ্জাট কমানো।  তারকাদের বিয়ের ‘হ্যাপা’গুলোর একটি হচ্ছে অতিরিক্ত রকমের অতিথি। ২০০২ সালে মিনেলি-ডেভিড গেস্ট-র বিয়ের সময় ম্যানহাটনে রীতিমতো জ্যাম লেগে গিয়েছিল।এবার এক ঝলকে দেখে নেয়া যাক হলিউডের কোন তারকারা নিজেদের বিয়েতে ব্যয় করেছেন দুহাত আর মন উজাড় করে।

কিম কার্দাশিয়ান-ক্রিস হামপ্রিজ
এই বিয়েটার শুরুই হয়েছিল আচমকা। টিভি চ্যানেলের রিয়েলিটি শো উপস্থাপনা করতে গিয়ে অংশগ্রহণকারী ক্রিজ হামপ্রিজের প্রেমে পড়েন কিম কার্দাশিয়ান। ক্রিস হামপ্রিজ পেশায় বাস্কেটবল খেলোয়াড়। কার্দাসিয়ানের খেয়ালী প্রেমিক মনের ফলস্বরুপ বিয়েও সম্পন্ন হয়ে যায় এক সপ্তাহের মধ্যেই। এই বিয়েতে খরচ হয়েছিল ১০ মিলিয়ন ডলার। এক হাজার অতিথির সামনে মনটে এস্টেটে সম্পন্ন হয় এই ব্যয়বহুল বিয়ে। কীভাবে খরচ হল এত টাকা? বিয়ে অনুষ্ঠানে প্রায় ষাট হাজার ডলারের পোশাকই পরেছিলেন কিম। সাথে গয়না পরেছিলেন এক মিলিয়ন ডলার মূল্যের। দুই মিলিয়ন ডলারের বেশি খরচ হয়েছিল শুধু ফুলেই। বিশ হাজার ডলারের সাদা কালো কালারের কেক খাওয়ানো হয়েছিল অতিথিদের। আর এসব কিছুর আগে বিয়ের আমন্ত্রণ পত্র তৈরীতেই খরচ করা হয় দশ হাজার ডলার!

তবে এত ডলার খরচ হলেও কিম বা ক্রিসকে নাকি এক সেন্টও খরচ করতে হয়নি। ওয়েডিং সরবরাহকারিরা তাদের পণ্য আর সার্ভিস দিয়েছে একদমই বিনা চার্জে। এতেই তারা বিরাট খুশি। শুধু কার্দাশিয়ানের নামের সাথে জড়িত হওয়াটাই ছিল তাদের লক্ষ্য। তাতে অবশ্য লাভও হয়েছে। বিয়ের এই অনুষ্ঠান নিয়ে নির্মিত হয়েছিল ‘কিম ফেইরিটেল ওয়েডিং: এ কার্দাশিয়ন ইভেন্ট’ নামে দুই পর্বের টিভি অনুষ্ঠান। সেই অনুষ্ঠান দেখেছে বিশ্বজুড়ে ত্রিশ লাখের বেশি মানুষ। এই সুযোগ বড়সড় বিজ্ঞাপন হয়ে যায় ওয়েডিং সরবারহকারি প্রতিষ্ঠানের। ব্যবসায় নিশ্চিভাবেই বড় এক সফলতা পেয়ে গেছে  প্রতিষ্ঠানটি।

তবে বিফলতায় গেল সবচেয়ে দামি এই বিয়ে। বিয়ের মাত্র ৭২ দিনের মাথায় বিচ্ছেদ হয়ে যায় এই ‘ব্যয়বহুল’ দম্পতির। বিচ্ছেদটা অবশ্য পরস্পরের সম্মতিতে। তারকাদের ক্ষণস্থায়ী বিয়ের তালিকায় বেশ উপরের দিকে আছে এই দম্পতির নাম। কিম কার্দাসিয়ান এখন কেনি ওয়েস্ট-র বাহু বন্ধনে। বিয়ে না হলেও সন্তান হয়েছে সম্প্রতি।

জাস্টিন টিম্বারলেক-জেসিকা বেল
ইতালির সৈকতে কিছু ভাড়া নেয়া সস্তা কিছু নয়। আর সেখানে পুরো একটা হোটেল! জাস্টিন টিম্বারলেক তার পরিবার আর বন্ধুদের জন্য করেছিলেন সেটাই। আর পাপারাজ্জিদের কাছ থেকে বাঁচার জন্য আশপাশের বিল্ডিংও এক রাতের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয় বেশ মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে। একদমই প্রাইভেট এই বিয়ের খরচ সম্পর্কে টিম্বারলেক ‘প্রাইভেট’ ভাব বজায় রেখেছিলেন। জিজ্ঞেস করা হলে জবাবে বলেননি কিছুই। তবে সব কি আর গোপন থাকে। হোটেল আর বন্ধু পরিজন সূত্রে জানা গেছে এই বিয়ের খরচ সাড়ে ছয় মিলিয়ন।

টাকা খরচের এই বিয়েটা বেশ সুখী হওয়ার কথা। টিম্বারলেক আর জেসিকা প্রেম  করেছেন ২০০৭ থেকে। আর বিয়েটা করেছেন ২০১২ সালের অক্টোবরে। এখন পর্যন্ত টিকে আছে বেশ ভালোভাবেই।

লিজা মিনেলি-ডেভিড গেস্ট
হলিউড অভিনেত্রী লিজা মিনেলি এমনতিই বড় ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত। স্বাভাবিক ভাবে বিয়েটাও ব্যয়বহুল হবে। তবে যে এলাহি বিয়ের আয়োজন তারা করেছিলেন তাতে নিশ্চিত ফেল করেছেন মিনেলি’র চেয়েও আরো ‘বড়’ ব্যক্তিত্বরা! খরচ পড়েছিল চার মিলিয়ন ডলারের বেশি (৪.২)। ফোর্বস প্রকাশিত ব্যয়বহুল তালিকায় সামনের সারিতেই সাবেক এই দম্পতির নাম।

অস্কারজয়ী মার্কিন অভিনেত্রী লিজা মিনেলি আর প্রযোজক ডেভিড গেস্ট-র এই বিয়ে অনুষ্ঠানটি হয় ২০০২ সালের মার্চে নিউইয়র্কের মার্বেল কলেজিয়েট চার্চে। পাঁচশ অতিথি ছিলেন সেই অনুষ্ঠানে। এটি ছিল মিনেলের চতুর্থ বিয়ে। মিনেলের ৫৬ বছরের বিপরীতে গেস্ট-র বয়স ছিল ৪৯ বছর। এই দম্পতির ছাড়াছাড়ি হয় বিয়ের এক বছরের মাথাতেই।

এলিজাবেথ টেইলর-ল্যারি ফোরটেনস্কি
জীবনে দুই হালি বিয়ে করেছেন এলিজাবেথ টেইলর। জীবন সায়াহ্নে এসে মাদক পুনর্বাসন হাসপাতাল বেটি ফোর্ড ক্লিনিকে চিকিৎসা নেয়ার সময় টেইলরের সখ্য গড়ে ওঠে ল্যারি ফোরটেনস্কির সাথে। পেশায় নির্মাণ শ্রমিক ল্যারি টেইলরের চেয়ে বিশ বছরের ছোট। তবুও ‘এটাই শেষ’ বলে অস্টমবারের মত বিয়ের পিড়িতে বসেন টেইলর। বিয়ের সময় বিরাট আয়োজনই করেছেন এই হলিউড অভিনেত্রী। বিয়ে হয় ১৯৯১ সালের অক্টোবরে। প্রায় দুই যুগ আগের সেই বিয়েতে খরচ হয়েছিল ৩.৮ মিলিয়ন ডলার। অতিথি ছিল ১৫০ জন। পাগলাটে এই বিয়েটা হয়েছিল মাইকেল জ্যাকসনের ২৭১০ একরের নেভারল্যান্ড রেঞ্চে। এই বিয়েটা টিকে ছিল পাঁচ বছর।

পল ম্যাককার্টনি-হেইদার মিলস
মডেল হেইদার মিলস আর সাবেক বিটলস তারকা ম্যাককার্টনি বিয়ে করেন ২০০২ সালের জুনে। আয়ারল্যান্ডের সেন্ট সালভাদর চার্চে অনুষ্ঠিত এই বিয়েটি ছিল দুজনেরই জন্যই দ্বিতীয় বিয়ে। তবে যেভাবে উদযাপন করা হয়েছে মনে হবে প্রথম বিয়ে। পাত্র পাত্রী বেদিতে আরোহন করেন ‘হেইদার’ শিরোনামের গান গাইতে গাইতে। হেইদারের জন্য গানটি লিখেছিলেন ম্যাককার্টনি। মোট ৩০০ জনকে আমন্ত্রণ করা হয়েছিল এই বিয়ের অনুষ্ঠানে। আয়োজনের মধ্যে ছিল লাইভ মিউজিক আর শেষ রাতে ফায়ারওয়ার্কস। মোটমাট খরচ হয়েছে তিন মিলিয়ন ডলার।

খরচের তালিকাটা এরকম- ফুল ১ লাখ ৪৫ হাজার ডলার, মোনাঘনের ক্যাস্টল লেসলি ভাড়ায় ৪০ হাজার ডলার, আর এক লাখ ৫০ হাজার ডলার ফায়ারওয়ার্ক ডিসপ্লেতে। হেইদারও পরেছিলেন চল্লিশ হাজার ডলারের বিয়ের গাউন। বিচ্ছেদ হয় এই দম্পতিরও। সম্পত্তির মালিকানা নিয়ে তিক্ত পরিস্থিতিতে তাদের সম্পর্কচ্ছেদ ঘটে ২০০৮ সালে।

টম ক্রুজ-কেটি হোমস
টম ক্রুজ বিয়ে করেছিলেন মিমি রজারস আর নিকোল কিডম্যানকে। সংসার করেছেন, বিচ্ছেদও হয়ে গেছে। এরপর প্রেম গড়ে ওঠে কেটি হোমসের সাথে। সম্পর্কের সূত্রে বিয়ের আগেই মেয়ে সুরির জন্ম। এর কিছুদিন পরই আয়োজন করেন বিয়ে অনুষ্ঠানের। বিয়ের প্রস্তাবটিও ছিল চমকপ্রদ। ফ্রান্সের আইফেল টাওয়ারের সামনে কেটিকে প্রপোজ করেন টম। সময়টা ২০০৬ সালের নভেম্বর। রোমের বাইরে একটি দূর্গে আয়োজিত বিয়ে অনুষ্ঠানটি ছিল ক্রুজের তারকা খ্যাতির মতই সম্ভ্রান্ত। সুপারস্টার অতিথি ছিল ১৫০ জন। আরমানির ডিজাইন করা বিশেষ সিল্ক গাউন পরেছিলেন কেটি হোমস। ৩০০ ওয়াইনের বোতলেই খরচ হয়েছিল এক লাখ আশি হাজার ডলার। সবমিলিয়ে খরচ দুই মিলিয়ন ডলার।

ক্রিস্টিনা অ্যাগুইলেরা-জর্ডান ব্রাটম্যান
পপ গায়িকা ক্রিস্টিনা অ্যাগুইলেরা এবং সঙ্গীত পরিচালক জর্ডান ব্রাটম্যানের বিয়েতে খরচের পরিমাণ দুই মিলিয়ন ডলার। বিয়ে হয় ২০০৫ সালের নভেম্বরে। ইতিমধ্যে ২০১১ সালে বিচ্ছেদও হয়ে গেছে। তাদের ছয় বছরের দাম্পত্য জীবন শুরু হয়েছিল সাদা গোলাপ আর ক্রিস্টাল দিয়ে সাজানো বিয়ের আসর থেকে। বিয়ের পাত্র পাত্রীর পরনেও ছিল সাদা গোলাপি আর রুপালী রঙের পোষাক। উপস্থিত ছিলেন ১৫০ অতিথি। এই দম্পতির এক সন্তান আছে।

মাইকেল ডগলাস-ক্যাথরিন জেটা-জোনস
অস্কার জয়ী অভিনেতা মাইকেল ডগলাস এবং অভিনেত্রী ক্যাথরিনের বিয়ে হয় ২০০০ সালের নভেম্বরে। নিউইয়র্কের প্লাজা হোটেলে আয়োজিত এই বিয়ে অনুষ্ঠানে খরচ হয় দেড় মিলিয়ন ডলার। অতিথি ছিল ৩৫০। এই বিয়েতে মজার একটা উপলক্ষ্য আছে। ডগলাস এবং ক্যাথরিনের বয়সের ব্যবধান ছিল ২০ বছর। বয়সের এই দূরত্ব বোঝাতে গিয়ে বিয়ে অনুষ্ঠানে আয়োজন করা হয় এক ‘বিশময়’ কা-। নিউ ইয়র্কের প্লাজা হোটেলকে সাজানো হয় বিশ হাজার ক্রিম কালারের ফুল দিয়ে। মিক হাঙ্কনল এবং বনি টেইলর গান পরিবেশন করেন বিয়ে অনুষ্ঠানকে রাঙিয়ে দিতে। এত সাধের বিয়ে ভেঙে গেছে ২০১৩ সালের শুরুতে।

ম্যাডোনা-গাই রিচি
পপ আইডল ম্যাডোনা আর চলচ্চিত্র পরিচালক গাই রিচির বিয়ে হয় ২০০০ সালে ডিসেম্বরে। স্কটল্যান্ডে স্কিবো দূর্গে অনুষ্ঠিত এই বিয়েতে খরচ হয়েছে দেড় মিলিয়ন ডলার। সেখানকার ২১টা কক্ষ ভাড়া করা হয় বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য। মহা ধুমধামের সাথে অতিথিরা রাতযাপন করেন নাচ গান করে। একবিংশ শতকের শুরুর দিকে সবচেয়ে আলোচিত বিয়ে ছিল এটি। ম্যাডোনা-রিচি দম্পতির দুই সন্তান আছে। এরমধ্যে বড় সন্তান রোক্কোা’র জন্ম তাদের বিয়ের চার মাস আগে। আর ডেভিডকে পালক নেয়া হয় ২০০৬ সালে। আট বছরের দাম্পত্য জীবন শেষে বিয়েটা ভেঙে যায় ২০০৮ সালে।সম্পর্ক ভাঙতে গিয়ে অবশ্য নব্বই মিলিয়ন ডলার দিতে হয়েছিল ম্যাডোনাকে। রিচি নাকি অর্থলোভী ছিলেন। বিচ্ছেদ পরবর্তী ভাগবাটোয়ারা নিয়ে বেশ কাদা ছোড়াছুড়িও হয়েছিল।

ব্রাড পিট-জেনিফার অ্যানিস্টন
এখনকার দিনে ব্রাড পিটের নামের সাথে জড়িয়ে আছে অ্যাঞ্জেলিনা জোলির নাম। বিয়ে না করলেও একসাথে আছেন গত সাত বছর ধরে। জোলির সাথে সম্পর্ক জড়ানোর আগে ব্রাড পিটের দাম্পত্যজীবন ছিল আরেক হলিউড অভিনেত্রী জেনিফার অ্যানিস্টনের সাথে। পাঁচ বছরের সেই সম্পর্কের শুরু ২০০০ সালের জুলাইয়ে। আমন্ত্রিত ২০০ অতিথির মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ক্যামেরন ডায়াজ, সালমা হায়েকরা।  প্রায় ৫০ হাজার ফুল দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল ‘জেন গার্ডেন লূক’। সার্বিক আয়োজনে খরচ পড়েছিল ১ মিলিয়ন ডলার। ২০০৫ সালে ইতি ঘটে এই দম্পতির।

 

 

হলিউড

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে