Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২০ , ২০ শ্রাবণ ১৪২৭

গড় রেটিং: 3.7/5 (3 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৬-১৯-২০২০

যে যুদ্ধে চীনের কাছে নাকানিচুবানি খেয়েছিল ভারত!

যে যুদ্ধে চীনের কাছে নাকানিচুবানি খেয়েছিল ভারত!

লাদাখে চীনা সেনাদের হাতে ভারতীয় বাহিনীর এক কর্নেলসহ অন্তত ২০ সেনার মৃত্যুতে চীন-ভারত যুদ্ধ উত্তেজনা চলছে। গালওয়ান ভারত আর চীনের মধ্যে যখন উত্তেজনা চলছে তখন বারেবারেই উঠে আসছে ১৯৬২ সালের চীন-ভারত যুদ্ধের প্রসঙ্গ। ওই যুদ্ধে মার্কিন সহায়তার পরও ভারত শোচনীয়ভাবে পরাস্ত হয়েছিল। চীনের সরকারি গণমাধ্যম ক্রমাগত মনে করিয়ে দিচ্ছে সেই যুদ্ধের কথা। অন্যদিকে ভারতের তরফে বলা হচ্ছে ১৯৬২-র অবস্থা থেকে অনেক দূর এগিয়ে গেছে তারা। ঐতিহাসিক তথ্য এটাই যে, ওই যুদ্ধে আমেরিকা ভারতকে সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছিল। আমেরিকার তুলনায় ১৯৬২ সালের চীনা শক্তি বলতে গেলে কিছুই ছিল না।

৬২'র সেই যুদ্ধের সূত্রপাতও হয়েছিল সীমানা নিয়ে বিরোধ থেকে। ওই যুদ্ধে চীনের কাছে পরাজিত হয়েছিল ভারত। আসুন সেই যুদ্ধের বিস্তারিত জেনে নেই আজ—

যুদ্ধের কারণ: চীন তিব্বত দখল করার পর ভারতের বর্তমান ‘অরুণাচল প্রদেশ’ ও ‘আকসাই চীন’কে চীনের অন্তর্ভুক্ত এলাকা বলে দাবি করে। এভাবে ওই সীমান্ত সমস্যার শুরু হয়। তা শেষ পর্যন্ত দুই দেশকে যুদ্ধের দিকে ধাবিত করে।

সমর্থন: চীন-ভারত যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুক্তরাজ্য ভারতকে সমর্থন করে। অন্যদিকে পাকিস্তান চীনের সঙ্গে মিত্রতা বাড়াতে সচেষ্ট হয়।

দুর্বলতা: যুদ্ধের আগে ভারত চীনের প্রতি অতিরিক্ত সহানুভূতি মনোভাব নিয়ে চলতো। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে চীনের স্থায়ী সদস্য পদ নিয়ে ভারত সমর্থন করে। ভারত তখনো ভাবেনি যে, চীন কোনোদিন ভারতের ওপর হামলা করতে পারে। তবে ভারতের তৎকালীন সেনাপ্রধান কোদানদেরা সুবাইয়া থিমাইয়া চীনকে পাকিস্তানের থেকেও বড় প্রতিপক্ষ মনে করতেন। কিন্তু প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সাথে তার মত পার্থক্যের কারণ সেটি বাস্তব রূপ নেয়নি।

চামদোর যুদ্ধ: ১৯৫০ সালে সংঘটিত এ যুদ্ধে চীনের তিব্বত অধিকারের পর নেহেরু কিছুটা রক্ষণাত্মক কৌশল অবলম্বন করেন। তিনি চীনের সাথে সৌহার্দপূর্ণ সহাবস্থানের ব্যাপারে জোর দেন। কেননা তিনি চীনের সম্ভাব্য ভারত আক্রমণ সম্পর্কে আশঙ্কা করেন।

ফলাফল: এ যুদ্ধে চীনা সামরিক বাহিনীর বিজয় হয়। চীন জয়ী হয়ে একতরফা যুদ্ধবিরতি জারি করে। আকসাই চীন দখলে রাখে কিন্তু অরুণাচল প্রদেশ ফিরিয়ে দেয়। যুদ্ধের পর ভারত সেনাবাহিনীকে শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে। ভারতের শান্তিবাদী বিদেশনীতিতেও কিছুটা পরিবর্তন হয়।

আর/০৮:১৪/১৯ জুন

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে