Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ , ১ আশ্বিন ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.1/5 (76 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১২-১৯-২০১৩

দুর্নীতির দায়ে এসপির ৩৫ বছরের কারাদণ্ড

দুর্নীতির দায়ে এসপির ৩৫ বছরের কারাদণ্ড

ঢাকা, ১৯ ডিসেম্বর- একটি দুর্নীতির মামলায় রেলওয়ে পুলিশের এসপি মোস্তফা কামালকে যাবজ্জীবন ও ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন ঢাকার ৩ নম্বর বিশেষ জজ আদালত। সব মিলিয়ে ৩৫ বছরের কারাদণ্ড পেয়েছেন এ পুলিশ কর্মকর্তা। মামলায় খালাস পেয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত এসআই ওয়াহেদ মিয়া। 

এস এ পরিবহনের স্বত্ত্বাধিকারী সালাহ উদ্দিন আহমদকে অবৈধভাবে আটক করে ৫০ লাখ টাকা ঘুষ আদায়ের চেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা দুর্নীতি মামলার রায়ে বৃহস্পতিবার মোস্তফা কামালকে এ দণ্ডাদেশ দেন আদালতের বিচারক মোতাহার হোসেন। দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় সরকারি কর্মকর্তা হয়েও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে তাকে যাবজ্জীবন (৩০ বছর) এবং দণ্ডবিধির ১৬১ ও ১৬৭ ও দুর্নীতি দমন আইনের ৫(২) প্রমাণিত হওয়ায় আরও ৫ বছরের সাজা দেওয়া হয়। 

হবিগঞ্জের তৎকালীন এসপি মোস্তফা কামালকে আদালত ৩৫ বছরের কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৩০ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন। জরিমানার টাকার মধ্যে ৫ লাখ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা ও বাকি ২৫ লাখ টাকা মামলার বাদীকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

দণ্ডপ্রাপ্ত মোস্তফা কামাল আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাকে সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

হবিগঞ্জের মাধবপুর থানার অবসরপ্রাপ্ত এসআই ওয়াহেদ মিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস প্রদান করেছেন আদালত।

২০০৩ সালের ২০ নভেম্বর এস এ পরিবহনের স্বত্ত্বাধিকারী সালাহ উদ্দিন আহমদ পুলিশ কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল ও হবিগঞ্জের মাধবপুর থানার এসআই ওয়াহেদ মিয়ার বিরুদ্ধে এ মামলাটি দায়ের করেছিলেন। 

বাদী মামলায় অভিযোগ করেন, ২০০২ সালের ২২ ডিসেম্বর তিনি নিজ গাড়িতে ২০ লাখ টাকা নিয়ে সিলেট যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে হবিগঞ্জের মাধবপুরে তল্লাশির নাম করে পুলিশ গাড়িটি আটক করে। 

বাদী তার পরিচয় দিলে রাতে টাকা নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে থানায় জিডি করতে বলে পুলিশ।

জিডি করতে থানায় গেলে হবিগঞ্জের তৎকালীন এসপি মোস্তফা কামাল এসএ পরিবহনের স্বত্ত্বাধিকারী সালাহ উদ্দিন আহমেদসহ অন্যান্যদের হাজতে ঢোকাতে ওয়্যারলেসে থানার ওসিকে নির্দেশ দেন।

মামলায় বাদী উল্লেখ করেন, এরপর তাকে আটক করে তার নামে মানিলন্ডারিং, মাদক ও নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে পৃথক ৩টি মামলা করে পুলিশ।

বাদী আরও উল্লেখ করেন, পরবর্তীতে আসামিরা বাদীর হেড অফিসে খবর পাঠান, আটককৃত ২০ লাখ টাকাসহ ৫০ লাখ টাকা দিলে সকলকে ম্যানেজ করে মামলাগুলো থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে। 

২০১০ সালের ৪ এপ্রিল আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করা হয়। গত ৩ ডিসেম্বর মামলাটির যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের জন্য ১৯ ডিসেম্বর দিন ধার্য্য করেন ঢাকার ৩ নম্বর বিশেষ জজ মোতাহার হোসেনের আদালত। 

এস এ পরিবহনের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন আইনজীবী এমদাদুল হক লাল।

অপরাধ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে