Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২০ , ২৬ আষাঢ় ১৪২৭

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৬-০৪-২০২০

বয়স্কভাতা তুলেছেন এক বছর আগে মারা যাওয়া ব্যক্তি!

বয়স্কভাতা তুলেছেন এক বছর আগে মারা যাওয়া ব্যক্তি!

সিরাজগঞ্জ, ০৪ জুন - মৃত ব্যক্তিদের নামে বয়স্কভাতা তুলছেন সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার খাসরাজবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য (মেম্বার) শহিদুল ইসলাম ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য (মেম্বার) দুলাল মিয়া।

এ ঘটনায় ওই দুই ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মৃতের স্বজনরা।

জানা গেছে, এক বছর আগে মারা গেছেন আফসার আলী। তার নামে একটি বয়স্কভাতার কার্ড রয়েছে। ওই কার্ডের টাকা এখনও নিয়মিত তুলছেন মৃত ব্যক্তির ছেলে দুলাল মিয়া। তিনি সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার খাসরাজবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্য।

গত ৭ মে সবশেষ মৃত বাবার ভাতার টাকা তুলেছেন দুলাল মেম্বার। একইভাবে নিজ ওয়ার্ডের মৃত আবুল কাশেম (বই নম্বর-৪০১ হিসাব নম্বর-৪৩১) দেহারনসহ (বই নম্বর-৪৫ হিসাব নম্বর-১১) একাধিক মৃত ব্যক্তির বয়স্কভাতা, বিধবাভাতা তুলছেন দুলাল মেম্বার।

বৃহস্পতিবার ওই ওয়ার্ডের ভাতাভোগী মৃত দিল রওশনের (বই নম্বর-২৪৬, হিসাব নম্বর-৩০৪) ভাতিজা রফিকুল ইসলাম এ বিষয়ে কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে অভিযোগ দেন।

একই বিষয়ে ওই ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধেও অভিযোগ রয়েছে। এ নিয়ে ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ইউএনওর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বয়স্কভাতা ভোগী মৃত খোশবার আলীর ছেলে চান মিয়া।

চান মিয়া অভিযোগে উল্লেখ করেন, আমার মৃত বাবার নামে ইস্যুকৃত বয়স্কভাতার বই অফিসে ফেরত দেয়ার কথা বলে নিয়ে যান ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম। সম্প্রতি খোঁজ নিয়ে জানতে পারি অফিসে বই জমা না দিয়ে ভাতার টাকা তুলেছেন ইউপি সদস্য শহিদুল।

চান মিয়া লিখিত অভিযোগে আরও উল্লেখ করেন, একইভাবে মৃত সাহেব আলী (বই নম্বর-৪০৭, হিসাব নম্বর-৪৫১, সুকিতন (বই নম্বর-১৭০ হিসাব নম্বর-২৮) এবং অসচ্ছল প্রতিবন্ধী মৃত কুব্বাত আলীর (বই নম্বর-৪, হিসাব নম্বর-৪৬) ভাতা তুলেছেন ইউপি সদস্য শহিদুল। অথচ উল্লেখিত নামের সবাই মারা গেছেন। কিন্তু ইউপি সদস্য তাদের নামে ইস্যুকৃত বইগুলো অফিসে জমা দেয়ার নাম করে নিয়ে নিয়মিত বইগুলির নামের বরাদ্দকৃত টাকা তুলে আত্মসাৎ করছেন।

অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম বলেন, যারা মারা গেছেন তাদের নামের বইগুলো উপজেলা সমাজসেবা অফিসে জমা দিয়েছি। কোনো টাকা উত্তোলন করিনি।

তবে ইউপি সদস্য দুলাল মিয়া নিজের মৃত বাবার ভাতার টাকা উত্তোলনের কথা স্বীকার করে বলেন, মৃত অন্য ব্যক্তি নয়; আমার মৃত বাবার নামের ভাতা তুলেছি।

এ বিষয়ে কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহিদ হাসান সিদ্দিকী বলেন, এ ঘটনায় অভিযোগ পেয়েছি। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাকে বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বলেছি।

কাজিপুর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলাউদ্দিন বলেন, এসব তথ্য যাচাই-বাছাই চলছে। তদন্ত শেষে প্রতিবেদন জমা দেয়া হবে।

সূত্র : জাগো নিউজ
এন এইচ, ০৪ জুন

সিরাজগঞ্জ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে