Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২০ , ১৮ আষাঢ় ১৪২৭

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৫-২৮-২০২০

চীনের পার্লামেন্টে বিতর্কিত হংকং নিরাপত্তা আইন পাস

চীনের পার্লামেন্টে বিতর্কিত হংকং নিরাপত্তা আইন পাস

বেইজিং, ২৮ মে - চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট সরকার আধা স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হংকংয়ের চলমান বিক্ষোভ দমনে সেখানে সরাসরি জাতীয় নিরাপত্তা আইন জারির জন্য চূড়ান্ত ধাপে চলে গেল। চীনের সংসদে এ নিয়ে আজ এক বিল উত্থাপনের পর তা প্রায় সর্বসম্মতভাবে পাশ হয়েছে।

বৃহস্পতিবার হংকংয়ে জাতীয় নিরাপত্তা আইন জারির পরিকল্পনা অনুমোদনে দ্য ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের (এনপিসি) ২ হাজার ৮৭৮ প্রতিনিধি বিলটির পক্ষে ভোট দিয়েছেন। তবে বিলটির বিপক্ষেও একটি ভোট পড়েছে। এছাড়া ৬ জন প্রতিনিধি বিলটিতে ভোটদান থেকে বিরত ছিলেন।

জাতীয় নিরাপত্তার নামে চীনের এই বিতর্কিত আইন বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম কেন্দ্রস্থলটিতে কার্যকর হলে বিচ্ছিন্নতাবাদ, সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র, সন্ত্রাসবাদ ও জাতীয় নিরাপত্তা বিপন্নসহ কথিত এমন সব অভিযোগে হংকংয়ের যে কোনো মানুষকে শাস্তিযোগ্য অপরাধী হিসেবে গণ্য করা যাবে।

এই আইন প্রণীত হলে হংকংয়ে প্রথমবারের মতো চীনের গোয়েন্দা সংস্থার গুপ্তচরের আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের কার্যক্রম শুরু করার সুযোগ পাবে। চীনের এমন পদক্ষেপের কারণে হংকংয়ে করোনা ঝুঁকির মধ্যেও ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। এর আগে গত বছর কয়েক মাস ধরে চীনবিরোধ বিক্ষোভ চলে সেখানে।

সমালোচকরা বলছেন, চীন কর্তৃক চাপিয়ে দেওয়া এই আইন কার্যকর হলে হংকংয়ে অবশিষ্ট যে স্বায়ত্তশাসন এতদিন ছিল তাও আর থাকবে না। এরপর বেইজিং কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে যায় এমন যে কোনো কর্মকাণ্ডকে সন্ত্রাসবাদী তকমা দিয়ে তার সঙ্গে যুক্ত মানুষদের বিচারের মাধ্যমে শাস্তি দিতে পারবে চীন সরকার।

চীন প্রণীত এই জাতীয় নিরাপত্তা আইনের খসড়া চূড়ান্ত হওয়ার পর থেকে হংকংয়ের মানুষ বিশেষ করে কমবয়সী ও তরুণ গণতন্ত্রপন্থীরা বিগত কয়েকদিন ধরেই বিক্ষোভ করছে। সহিংসতার ঘটনাও ঘটেছে। গতকাল বিক্ষোভে কাঁদানে গ্যাস ছোড়াসহ তিন শতাধিক বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

হংকংয়ে সরাসরি নিরাপত্তা আইন জারির বিরোধিতা করছে যুক্তরাষ্ট্র। তাই আইনটির পরিকল্পনা অনুমোদনের ঠিক একদিন আগে বুধবার হংকংকে দেওয়া বিশেষ মর্যাদা ও অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য সুবিধা বাতিল করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। ওয়াশিংটনের অভিযোগ, চীন হংকংকে ন্যুনতম স্বায়ত্তশাসনের সুবিধাও দিচ্ছে না।

বুধবার মার্কিন কংগ্রেসে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বলেন, চীন হংকংয়ের স্বাধীনতা ও স্বায়ত্তশাসন খর্বের চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ায় নগরটি আর যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ মর্যাদা পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হতে পারে না। ১৯৯৭ সালে ব্রিটিশদের কাছে থেকে চীনের অধীনে যাওয়ার পর এ সুবিধা পাচ্ছিল হংকং।

সূত্র : বিবিসি
এন এইচ, ২৮ মে

এশিয়া

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে