Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২০ , ২৯ আষাঢ় ১৪২৭

গড় রেটিং: 2.7/5 (7 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৫-২৮-২০২০

পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার শঙ্কা

পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার শঙ্কা

মানিকগঞ্জ, ২৮ মে- বর্ষা শুরু হওয়ার আগেই পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকা নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)। 

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটের পদ্মা-যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধি শুরু হওয়ায় বর্ষা আসার আগেই পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। আরিচা অঞ্চলের বিআইডব্লিউটিসির অফিস সূত্রে জানা গেছে, পাটুরিয়া ৪টি ঘাটের পন্টুনের পকেট দিয়ে যানবাহন ফেরিতে লোড-আনলোড করতেও সমস্যা হচ্ছে। 

এ কারণে পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় যানবাহনের বর্তমানে চাপ কম। পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুট দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার সড়ক যোগাযোগের একমাত্র রাস্তা। যদিও বর্তমানে করোনাভাইরাসের কারণে ফেরিঘাটের ব্যস্ততা কম রয়েছে। গত ২৬ মার্চ থেকে করোনা ভাইরাসের কারণে গণপরিবহন পারাপার বন্ধ থাকায় এ নৌরুটে সীমিত আকারে ফেরি চলাচল করছে। গণপরিবহন চলাচল শুরু হলে এ ফেরিঘাটের ব্যস্ততা আগের মতোই বেড়ে যাবে। 

এদিকে পদ্মা-যমুনা নদীর পাটুরিয়ার ৪ ও ৩ নম্বর ফেরি ঘাট এলাকায় গত প্রায় ১৫ দিন ধরে ভাঙন শুরু হয়েছে। নদীর ভাঙনের কারণে হুমকির মুখে পড়েছে পাটুরিয়ার ৩ ও ৪ নম্বর ফেরি ঘাট এলাকা। যে কোন সময় নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে ওই ঘাট দুইটি। 

প্রতি বছর নদীভাঙনের কবল থেকে পাটুরিয়া ফেরিঘাটগুলো রক্ষা করার জন্য লাখ লাখ টাকা ব্যয় করেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। গত ৩-৪ বছর আগে দৌলতদিয়ার ৪টি ঘাটই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌ-রুটে সাত দিন ফেরি চলাচল বন্ধ রাখতে বাধ্য হন বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ। ওই সময় এ নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় সরকারও হাজার হাজার টাকা রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হয়েছে। 

আরিচা অঞ্চলের বিআইডব্লিউটিএ’র কর্মকর্তা সেলিম রেজা বলেন, জিও ব্যাগ না ফেললে ভরা বর্ষা মৌসুমে ৩ ও ৪ নম্বর ঘাট নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। বুধবার সকালে বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদিক, বিআইডব্লিউটিএ’র প্রধান প্রকৌশলী মহিদুল ইসলাম, আরিচা অফিসের বিআইডব্লিউটিএ’র নির্বাহী প্রকৌশলী নিজাম উদ্দিন পাঠান ঘাট এলাকা পরির্দশন করেছেন। 

আরিচা অফিসের বিআইডব্লিউটিএ’র নির্বাহী প্রকৌশলী নিজাম উদ্দিন পাঠান জানান, কয়েকদিন ধরে নদীতে প্রচন্ড স্রোতের কারণে ঘাট এলাকায় ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে। বুধবার থেকে ভাঙন এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে।

সূত্র : সমকাল
এম এন  / ২৮ মে

মানিকগঞ্জ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে