Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২০ , ২৯ আষাঢ় ১৪২৭

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৫-২৫-২০২০

বায়তুল মোকাররমে ঈদের জামাতে বিপুল সংখ্যক মুসল্লি

বায়তুল মোকাররমে ঈদের জামাতে বিপুল সংখ্যক মুসল্লি

ঢাকা, ২৫ মে - প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের কারণে এবারের ঈদে আনন্দ নেই অন্য বছরের মতো। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে ঈদের নামাজ ঘিরে বিধিনিষেধ থাকলেও বায়তুল মোকাররমে ঈদুল ফিতরের জামাতে রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুল সংখ্যক মুসল্লি উপস্থিত হন।

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ পরিস্থিতিতে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী এবার উন্মুক্ত স্থানে বা ঈদগাহে ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। তাই হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে ঈদের প্রধান জামাত হয়নি। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ঈদের পাঁচটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রত্যেকটি জামাতেই মসজিদ ভরে গেছে। সকাল ১০টায় চতুর্থ জামাত চলার সময় বিপুল সংখ্যক মানুষকে মসজিদের বাইরে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। মসজিদে জায়গা না পেয়ে দক্ষিণ গেটে বাইরে স্টেডিয়ামের সামনের সড়কে অনেককে নামাজে অংশ নিতে দেখা গেছে।

মুখে মাস্ক, বাসা থেকে জায়নামাজ নিয়ে আসার কথা থাকলেও কেউ কেউ তা মানেননি। কারো কারো মুখে মাস্ক ছিল না। জায়নামাজও নিয়ে আসেননি কেউ কেউ।

অনেকেই বলছেন সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে নামাজে দাঁড়ানোর কারণে অল্প মানুষেই মসজিদ ভরে গেছে। বায়তুল মোকাররমে প্রথম জামাত হয় সকাল ৭টায়, দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টায়, তৃতীয় জামাত সকাল ৯টায়, চতুর্থ জামাত সকাল ১০টায়। পঞ্চম ও সর্বশেষ জামাত সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হয়।

প্রত্যেকটি জামাতেই দক্ষিণ গেট দিয়ে মুসল্লিদের সারি ধরে আর্চওয়ে দিয়ে মসজিদে প্রবেশ করতে দেখা গেছে।

সকাল ৭টায় প্রথম জামাতেই বিপুল সংখ্যক মুসল্লি উপস্থিত হন। অনেকে প্রথম জামাতে অংশ নেয়ার উদ্দেশ্যে এলেও জায়গা না পেয়ে দ্বিতীয় জামাতে শামিল হন । শিশুদেরও ঈদের জামাতে শামিল হতে দেখা গেছে।

প্রতিটি জামাত ও খুতবাহ শেষে মুনাজাতের সময় আবেগে আপ্লুত মুসল্লিরা চোখের জলে গুনাহ থেকে আল্লাহর কাছে মাফ চান। করোনা দূর করে স্বাভাবিক জীবনের জন্য আল্লাহর কাছে আর্জি জানান তারা। মুনাজাতে দেশ ও জাতির জন্য কল্যাণ কামনা করা হয়। তবে ঈদের নামাজ শেষে মুসল্লিদের কোলাকুলি ও হাত মেলানোর চিরাচরিত চিত্রটি নেই। নামাজ শেষে যে যার মতো বেরিয়ে গেছেন।

যাত্রাবাড়ী থেকে বায়তুল মোকাররমে ঈদের নামাজ পড়তে এসেছিলেন আব্দুল মালেক। তিনি বলেন, ‘এবার ভয়ে ভয়ে আসছি নামাজ পড়তে। কোলাকুলি করতে পারছি না। করোনার কারণে কেউ ভালো নেই। সবার মধ্যেই ভয়।’

মাহুতটুলি থেকে থেকে বাবার সঙ্গে নামাজ পড়তে এসেছিল পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র সজীব। সজীব জানায়, এবার ঈদটা ভালো লাগছে না তার।

প্রথম জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান। মুকাব্বির ছিলেন মুয়াজ্জিন হাফেয কারী কাজী মাসুদুর রহমান।

দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররমের পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মুহিবুল্লাহিল বাকী নদভী। মুকাব্বির ছিলেন মুয়াজ্জিন হাফেজ কারী হাবিবুর রহমান মেশকাত।

সকাল ৯টার তৃতীয় জামাতের ইমাম ছিলেন বায়তুল মোকাররমের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা এহসানুল হক। মুকাব্বির মুয়াজ্জিন মাওলানা ইসহাক।

চতুর্থ জামাতের ইমাম ছিলেন বায়তুল মোকাররমের পেশ ইমাম মাওলানা মহিউদ্দিন কাসেম। মুকাব্বির ছিলেন বায়তুল মোকাররমের চিফ খাদেম মো. শহীদুল্লাহ।

পঞ্চম ও সর্বশেষ জামাতে ইমাম ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুহাদ্দিস হাফেজ মাওলানা ওয়ালিয়ুর রহমান খান। মুকাব্বির হবেন বায়তুল মোকাররমের খাদেম হাফেজ মো. আমির হোসেন।

সূত্র : জাগো নিউজ
এন এইচ, ২৫ মে

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে