Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২০ , ২৭ আষাঢ় ১৪২৭

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৫-২১-২০২০

সীমান্ত নিয়ে তীব্র বিরোধে নেপাল-ভারত

সীমান্ত নিয়ে তীব্র বিরোধে নেপাল-ভারত

সীমান্ত নিয়ে বিরোধ তীব্র হচ্ছে ভারত ও নেপালের মধ্যে। মঙ্গলবার নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি ওলি সংসদে বলেন, পিথোগড় জেলার কালাপানি এলাকা ভারত দখল করে রেখেছে। কিন্তু এটি নেপালের অংশ। একই দিন দেশটির একটি নতুন রাজনৈতিক মানচিত্রও প্রকাশ করা হয়। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

কেপি ওলি বলেন, রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা কালাপানির ওপর আমাদের অধিকার বিস্তার করব।

মঙ্গলবার প্রকাশিত নতুন মানচিত্রে কালাপানি, লিমপিয়াধুরা এবং লিপুলেখকে নেপালের অন্তর্গত বলে দেখানো হয়েছে। গত বছর নিজেদের রাজনৈতিক মানচিত্র প্রকাশ করেছিল ভারত। নেপাল তখন কোনো কথা বলেনি। এরপর নেপালের সঙ্গে সীমান্ত পরিমার্জন হয়নি বলে জানিয়েছে তারা।

নেপাল বলেছে, কালাপানি নিয়ে ভারতের সঙ্গে বহু দশক ধরে টানাপোড়েন চলছে তাদের। গতবছর ভারত নিজেদের একটি রাজনৈতিক মানচিত্র প্রকাশ করে। সেখানে কালাপানিকে ভারতের অংশ হিসেবে দেখানো হয়। সে মানচিত্রের বিরোধিতা করে নেপাল বলেছে, ১৯৬২ সালের আগে পর্যন্ত কালাপানির দখল নেপালের হাতে ছিল।  

নেপালের নতুন প্রকাশিত রাজনৈতিক মানচিত্রে কালাপানি, লিম্পিয়াধুরা ও লিপুলেখকে নিজেদের অংশ দাবি করায় ভারতের কাছ থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে। এই মানচিত্র ‘অন্যায় ও অগ্রহণযোগ্য’ বলে দাবি করে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়, এধরনের মানচিত্রের সঙ্গে ইতিহাসের কোনো সম্পর্ক নেই।

মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব বলেন, এটা সীমান্ত নিয়ে বিরোধ নিরসনে দ্বিপাক্ষিক চুক্তির পরিপন্থি। মনগড়াভাবে নেপাল তার সীমানা বাড়ালেও ভারত তা কখনোই মেনে নেবে না।

গত বছরের নভেম্বরে জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখের মতো কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলো দেখানোর জন্য একটি নতুন রাজনৈতিক মানচিত্র জারি করে ভারত। সে মানচত্র প্রকাশ পাওয়ার পর তার প্রতিবাদ করে নেপাল। তারা জানায়, যে কালাপানি এবং লিপুলেখকে ভারতের অংশ হিসাবে চিত্রিত করা হচ্ছে, ১৮১৬ সালের সুগৌলির চুক্তি অনুসারে সেটি নেপালের অংশ ছিল।

নেপাল সেসময় পররাষ্ট্রসচিব পর্যায়ে বৈঠক চাইলেও ভারত তাতে কান দেয়নি।

সম্প্রতি ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং লিপুলেখ পর্যন্ত একটি লিংক রাস্তা উদ্বোধন করলে সীমান্ত ইস্যুটি আবারও উত্থিত হয়। নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রদীপ কুমার  ব্যক্তিগতভাবে ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে তলব করেন এবং বিতর্কিত সীমানায় তাৎক্ষণিক উচ্চস্তরের বৈঠকের আহ্বান জানান। ভারত জানিয়েছিল, বিষয়টি সংলাপের মাধ্যমে সমাধান করা যেতে পারে, তবে সেটা করোনার মহামারি কেটে যাওয়ার পরে। কিন্তু নেপাল ততদিন অপেক্ষা না করে পাল্টা রাজনৈতিক মানচিত্রে কালাপানিসহ ওই তিনটি জায়গাকে নিজেদের করে নিয়েছে।

সূত্র : সমকাল
এম এন  / ২১ মে

দক্ষিণ এশিয়া

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে